ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি, নতুন বিতর্কের মুখে শুভেন্দু মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার তীব্র তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ৫০ জনের মৃত্যু, আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিল মার্কিন সিনেট

জিএসপি সুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পেলেও বাংলাদেশ ২০২৭ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা বা জিএসপি পাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

জাতিসংঘের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার পর দিন রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তোফায়েল।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এলডিসি সুবিধায় থাকা দেশগলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং ঋণের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পায়। এর মধ্যে আছে জিএসপি সুবিধা, কম সুদে ঋণ প্রভৃতি। তবে আবার ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি শর্তও থাকে এলডিসি দেশের জন্য।

জাতিসংঘ ১৭ মার্চ বাংলাদেশকে যে স্বীকৃতিপত্র দিয়েছে সেটির উত্তরণ প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৪ সালে। তবে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পায় সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে আসছেন অর্থনীতিবিদরা। আর এই উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ বলেই জানিয়ে আসছেন তারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘২০২৪ সালে আমরা পুরোপুরি এলডিসি থেকে উৎরিয়ে যাব। তারপরও যেসব দেশ আমাদের জিএসপি (অগ্রাধিকারমূলক বাজার-সুবিধা) দেয় তারা ২০২৭ সাল এ পর্যন্ত সুবিধা দেবে। এরপর ওইসব দেশ জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে। এ বিষয়ে সেসব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যেসব দেশ বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেয় না তাদের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি করবে বাংলাদেশ এ জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’

বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে কি না-জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ তথ্যটা ভুল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি হচ্ছে। এর মানেই হচ্ছে দেশে বিনিয়োগ বাড়ছে।’

এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচির প্রশংসাও করেন তোফায়েল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপি যেসব কর্মসূচি পালন করছে তার প্রতিটিই শান্তিপূর্ণ।

তবে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে নির্বাচন ঠেকাতে এবং সরকার পতনের দবিতে বিএনপির নানা কর্মসূচিতে নজিরবিহীন সহিংসতা হয়েছে। এই বিষয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বর্তমানে সেটি বিরাজ করছে। বিএনপি তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই আদালতের রায়ে তাদের নেত্রী কারাগারে থাকার পরও তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে এটা ভাল দিক।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

জিএসপি সুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৯:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পেলেও বাংলাদেশ ২০২৭ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা বা জিএসপি পাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

জাতিসংঘের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার পর দিন রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তোফায়েল।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এলডিসি সুবিধায় থাকা দেশগলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং ঋণের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পায়। এর মধ্যে আছে জিএসপি সুবিধা, কম সুদে ঋণ প্রভৃতি। তবে আবার ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি শর্তও থাকে এলডিসি দেশের জন্য।

জাতিসংঘ ১৭ মার্চ বাংলাদেশকে যে স্বীকৃতিপত্র দিয়েছে সেটির উত্তরণ প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৪ সালে। তবে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পায় সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে আসছেন অর্থনীতিবিদরা। আর এই উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ বলেই জানিয়ে আসছেন তারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘২০২৪ সালে আমরা পুরোপুরি এলডিসি থেকে উৎরিয়ে যাব। তারপরও যেসব দেশ আমাদের জিএসপি (অগ্রাধিকারমূলক বাজার-সুবিধা) দেয় তারা ২০২৭ সাল এ পর্যন্ত সুবিধা দেবে। এরপর ওইসব দেশ জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে। এ বিষয়ে সেসব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যেসব দেশ বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেয় না তাদের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি করবে বাংলাদেশ এ জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’

বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে কি না-জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ তথ্যটা ভুল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি হচ্ছে। এর মানেই হচ্ছে দেশে বিনিয়োগ বাড়ছে।’

এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচির প্রশংসাও করেন তোফায়েল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপি যেসব কর্মসূচি পালন করছে তার প্রতিটিই শান্তিপূর্ণ।

তবে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে নির্বাচন ঠেকাতে এবং সরকার পতনের দবিতে বিএনপির নানা কর্মসূচিতে নজিরবিহীন সহিংসতা হয়েছে। এই বিষয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বর্তমানে সেটি বিরাজ করছে। বিএনপি তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই আদালতের রায়ে তাদের নেত্রী কারাগারে থাকার পরও তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে এটা ভাল দিক।’