ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দেশ বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করেছিল: আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী

নেপালে বিধ্বস্ত বিমানে ৩২ বাংলাদেশি যাত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিধ্বস্ত বিমানটিতে ৩২ জন বাংলাদেশি যাত্রী ছিল বলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সোমবার দুপুরে অবতরণের সময় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিএস ২১১ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলেন। বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারী এবং ২ জন শিশু।

যাত্রীদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ৩৩ জন নেপালের এবং ১ জন করে চীন ও মালদ্বীপের নাগরিক ছিলেন বলে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। যদিও তারা বিমান দুর্ঘটনার কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ সূত্রে যাত্রীদের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। তারা হলেন- তানিরা তানভীন শশী, পিয়াস, শেখ রাশেদ, কৃষ্ণ কুমার, উম্মে সালমা, আশনা সাকিয়া, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, সারুনা শ্রেষ্ঠ, সৈয়দা কামরুন নাহার, হরিপ্রসাদ, দয়ারাম তহরাখার, বালকৃষ্ণ থাপা, শ্বেতা থাপা, কিশোর ত্রিপতি, আবাদেশ কুমার যাদব, অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ্জামান, মো. রফিক জামান, রিয়ানা আব্দুল্লাহ, পয়বাল আহমেদ, সামরিন আহমেদ, জাকদ আলী, আলিফুজ্জামান, আলমুন নাহার, বিলকিস আরা, শিলা বাজগাইন, বেগম নুরুন্নাহার বিলকিস, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আকজারা বেগম, শাহীন বেপারী, শুভিন্দ্র সিং, বসঞ্জিত বহরা, সামিরা বায়ানজানকর, প্রবীণ চিত্রকর, নাসিয়া আফরিন চৌধুরী, সাজানা দেবখোজা, প্রিন্সি ধামি, গায়নি কুমারি গুরুং, রেজকানুল হক, মো. রকিবুল হাসান, মেহেদী হাসান, এমরানা কবির হাসি, কবির হোসাইন, দীনেশ হুমাগাইন, সানজিদা হক, হাসানন ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, শ্রেয়া জিলা, পূর্ণিমা লুনানি, মিলি মেহেরজান, নিগা মেহেরজান, সঞ্জয়া মেহেরজান, জেংমিং, আঁখি মনি, মেহনাজ বিন নাসির, কেসাব পান্ডে, প্রসন্না পান্ডে, বিনোদ পাউডাল, হরিশংকর পাউডাল, সঞ্জয় পাউডাল, এফএইচ প্রিয়ক, থামারা প্রিয় নৈইয়ি, মতিউর রহমান, এসএম মাহবুবুর রহমান, আশিষ রঞ্জিত।

এর মধ্যে উম্মে সালমা নামে একযাত্রীর মৃত্যুর খবর জানা গেছে। তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব। টিআইএ কর্তৃপক্ষ ও নেপাল সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মহাব্যবস্থাপক রাজ কুমার চেত্রিকে উদ্ধৃত করে নেপালের অনলাইন সংবাদপত্র মাই রিপাবলিকা জানিয়েছে, বিমানটির ৫০ জনেরও বেশি আরোহী নিহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে নেপালের এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে একটি রুশ সংবাদ মাধ্যম বলছে, ৩৮ জন নিহত হয়েছে। আরো অন্তত ২৩ জন আহত ও দশ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলেও সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে।

কাঠমান্ডুর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা অন্তত ৫০ জনের পাণহানি হওয়ার শঙ্কা জানিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালে বিধ্বস্ত বিমানে ৩২ বাংলাদেশি যাত্রী

আপডেট সময় ০৪:২৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিধ্বস্ত বিমানটিতে ৩২ জন বাংলাদেশি যাত্রী ছিল বলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সোমবার দুপুরে অবতরণের সময় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিএস ২১১ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলেন। বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারী এবং ২ জন শিশু।

যাত্রীদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ৩৩ জন নেপালের এবং ১ জন করে চীন ও মালদ্বীপের নাগরিক ছিলেন বলে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। যদিও তারা বিমান দুর্ঘটনার কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ সূত্রে যাত্রীদের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। তারা হলেন- তানিরা তানভীন শশী, পিয়াস, শেখ রাশেদ, কৃষ্ণ কুমার, উম্মে সালমা, আশনা সাকিয়া, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, সারুনা শ্রেষ্ঠ, সৈয়দা কামরুন নাহার, হরিপ্রসাদ, দয়ারাম তহরাখার, বালকৃষ্ণ থাপা, শ্বেতা থাপা, কিশোর ত্রিপতি, আবাদেশ কুমার যাদব, অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ্জামান, মো. রফিক জামান, রিয়ানা আব্দুল্লাহ, পয়বাল আহমেদ, সামরিন আহমেদ, জাকদ আলী, আলিফুজ্জামান, আলমুন নাহার, বিলকিস আরা, শিলা বাজগাইন, বেগম নুরুন্নাহার বিলকিস, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আকজারা বেগম, শাহীন বেপারী, শুভিন্দ্র সিং, বসঞ্জিত বহরা, সামিরা বায়ানজানকর, প্রবীণ চিত্রকর, নাসিয়া আফরিন চৌধুরী, সাজানা দেবখোজা, প্রিন্সি ধামি, গায়নি কুমারি গুরুং, রেজকানুল হক, মো. রকিবুল হাসান, মেহেদী হাসান, এমরানা কবির হাসি, কবির হোসাইন, দীনেশ হুমাগাইন, সানজিদা হক, হাসানন ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, শ্রেয়া জিলা, পূর্ণিমা লুনানি, মিলি মেহেরজান, নিগা মেহেরজান, সঞ্জয়া মেহেরজান, জেংমিং, আঁখি মনি, মেহনাজ বিন নাসির, কেসাব পান্ডে, প্রসন্না পান্ডে, বিনোদ পাউডাল, হরিশংকর পাউডাল, সঞ্জয় পাউডাল, এফএইচ প্রিয়ক, থামারা প্রিয় নৈইয়ি, মতিউর রহমান, এসএম মাহবুবুর রহমান, আশিষ রঞ্জিত।

এর মধ্যে উম্মে সালমা নামে একযাত্রীর মৃত্যুর খবর জানা গেছে। তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব। টিআইএ কর্তৃপক্ষ ও নেপাল সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মহাব্যবস্থাপক রাজ কুমার চেত্রিকে উদ্ধৃত করে নেপালের অনলাইন সংবাদপত্র মাই রিপাবলিকা জানিয়েছে, বিমানটির ৫০ জনেরও বেশি আরোহী নিহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে নেপালের এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে একটি রুশ সংবাদ মাধ্যম বলছে, ৩৮ জন নিহত হয়েছে। আরো অন্তত ২৩ জন আহত ও দশ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলেও সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে।

কাঠমান্ডুর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা অন্তত ৫০ জনের পাণহানি হওয়ার শঙ্কা জানিয়েছে।