ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অনলাইনে নিরাপদ থাকতে ক্রাফের ১০টি টিপস

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

মত প্রকাশ করা সবারঅধিকার। আর মত প্রকাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এখন সোশ্যাল মিডিয়া। কিন্তু মত প্রকাশের অধিকারের নামে অনেকেই এর অপব্যবহার করছে যা অন্যের জীবন নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং নারীরাও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রবেশ করেছেন। আমাদের দেশের নারীরা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার করে তথ্য আদান প্রদান এর পাশাপাশি, কেনা-কাটা থেকে শুরু করে নানা ধরনের পরামর্শ এবং আলোচনার জন্য ইন্টারনেট এর সাহায্য নিচ্ছেন।

ইন্টারনেটের সুফল ভোগ করার পাশাপাশি নানা কুফলও ভোগ করতে হচ্ছে। সাইবার বুলিং, অনলাইন হ্যারাসমেন্ট হয়ে গিয়েছে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।

ইন্টারনেটে সংগঠিত অপরাধ সমূহকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম। আর এই সাইবার ক্রাইমের সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছে নারীরা। সম্মুখীন হতে হয় তাদের নানান সমস্যার।

এসকল সমস্যার কোন সমাধান খুঁজে না পেয়ে হতাশ হয়ে অনেকে আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নেন।

নারীদের সাথে ঘটে যাওয়া সাইবার ক্রাইমের ধরন-

১। ভাইরাস অ্যাটাক, হ্যাকিং, পরিচয় চুরি ও ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার।

২। ফেক আইডি, ফেক ই-মেইল ব্যবহার করে সুনামহানি ও অপপ্রচার সাইবার বুলিং।

৩। অন্যায় হুমকি, সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ও অনলাইন অ্যাবিউজ।

৪। একান্ত ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া।

৫। অনলাইন ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক রূপে অর্থ আদায়, মানসিকভাবে টর্চার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা।

নিম্নলিখিত অনলাইন নিরাপত্তা টিপসগুলো আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্কের তথ্য পরিচালনা করতে সাহায্য করতে পারে-

১। ইনবক্সে ব্যক্তিগত সংবেদনশীল ছবি এবং তথ্য আদান প্রদানে বিরত থাকুন।

২। জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং যে কোন ধরনের পরিচয় পত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন।

৩। পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন এবং আপনার ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড আদান প্রদানে বিরত থাকুন।

৪। অনলাইন কেনাকাটায় পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য বাক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকুন।

৫। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ যেকোন ওয়েবসাইটে সন্দেহজনক, সংবেদনশীল, চটকদার, চটুল, সংবাদ সম্বলিত লিংকগুলোতে ক্লিক করা এবং সফটওয়্যার ডাউনলোড করার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৬। যে কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টে তথ্য আদান-প্রদান করে লগ আউট করতে অবশ্যই ভুলবেন না।

৭। বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।

৮। অনলাইনে রাষ্ট্রবিরোধী, জঙ্গিবাদ, উস্কানিমূলক এবং অন্যান্য বেআইনি তথ্য বা সংবাদ আদান প্রদানে বিরত থাকুন।

৯। পর্নগ্রাফিক ভিডিও কনটেন্ট তৈরি, ছবি বিকৃতি ও ব্যাঙ্গাত্বক বার্তা অনালাইনে ছড়ানো এবং এগুলো দ্বারা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা থেকে বিরত থাকুন।

১০। মত প্রকাশের স্বাধীনতা আপনার মৌলিক অধিকার হওয়া সত্ত্বেও অনলাইনে মিথ্যা বিকৃত, অসন্মানজনক, গুজব এবং হয়রানিমূলক মন্তব্যবার্তা আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
সর্বোপরি উপরে উলেখিত বিষয়গুলো সংক্রান্ত যে কোন ধরনের হয়রানি ও অপরাধের শিকার হলে সবার আগে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। মনে রাখবেন দিনের শেষে আপনার সম্পর্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার। আবেগের বশবর্তী হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ক্ষতি করবেন না।

জনস্বার্থে ক্রাইম রিসার্চ এন্ড এনালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অনলাইনে নিরাপদ থাকতে ক্রাফের ১০টি টিপস

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

মত প্রকাশ করা সবারঅধিকার। আর মত প্রকাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এখন সোশ্যাল মিডিয়া। কিন্তু মত প্রকাশের অধিকারের নামে অনেকেই এর অপব্যবহার করছে যা অন্যের জীবন নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং নারীরাও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রবেশ করেছেন। আমাদের দেশের নারীরা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার করে তথ্য আদান প্রদান এর পাশাপাশি, কেনা-কাটা থেকে শুরু করে নানা ধরনের পরামর্শ এবং আলোচনার জন্য ইন্টারনেট এর সাহায্য নিচ্ছেন।

ইন্টারনেটের সুফল ভোগ করার পাশাপাশি নানা কুফলও ভোগ করতে হচ্ছে। সাইবার বুলিং, অনলাইন হ্যারাসমেন্ট হয়ে গিয়েছে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।

ইন্টারনেটে সংগঠিত অপরাধ সমূহকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম। আর এই সাইবার ক্রাইমের সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছে নারীরা। সম্মুখীন হতে হয় তাদের নানান সমস্যার।

এসকল সমস্যার কোন সমাধান খুঁজে না পেয়ে হতাশ হয়ে অনেকে আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নেন।

নারীদের সাথে ঘটে যাওয়া সাইবার ক্রাইমের ধরন-

১। ভাইরাস অ্যাটাক, হ্যাকিং, পরিচয় চুরি ও ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার।

২। ফেক আইডি, ফেক ই-মেইল ব্যবহার করে সুনামহানি ও অপপ্রচার সাইবার বুলিং।

৩। অন্যায় হুমকি, সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ও অনলাইন অ্যাবিউজ।

৪। একান্ত ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া।

৫। অনলাইন ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক রূপে অর্থ আদায়, মানসিকভাবে টর্চার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা।

নিম্নলিখিত অনলাইন নিরাপত্তা টিপসগুলো আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্কের তথ্য পরিচালনা করতে সাহায্য করতে পারে-

১। ইনবক্সে ব্যক্তিগত সংবেদনশীল ছবি এবং তথ্য আদান প্রদানে বিরত থাকুন।

২। জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং যে কোন ধরনের পরিচয় পত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন।

৩। পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন এবং আপনার ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড আদান প্রদানে বিরত থাকুন।

৪। অনলাইন কেনাকাটায় পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য বাক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকুন।

৫। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ যেকোন ওয়েবসাইটে সন্দেহজনক, সংবেদনশীল, চটকদার, চটুল, সংবাদ সম্বলিত লিংকগুলোতে ক্লিক করা এবং সফটওয়্যার ডাউনলোড করার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৬। যে কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টে তথ্য আদান-প্রদান করে লগ আউট করতে অবশ্যই ভুলবেন না।

৭। বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।

৮। অনলাইনে রাষ্ট্রবিরোধী, জঙ্গিবাদ, উস্কানিমূলক এবং অন্যান্য বেআইনি তথ্য বা সংবাদ আদান প্রদানে বিরত থাকুন।

৯। পর্নগ্রাফিক ভিডিও কনটেন্ট তৈরি, ছবি বিকৃতি ও ব্যাঙ্গাত্বক বার্তা অনালাইনে ছড়ানো এবং এগুলো দ্বারা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা থেকে বিরত থাকুন।

১০। মত প্রকাশের স্বাধীনতা আপনার মৌলিক অধিকার হওয়া সত্ত্বেও অনলাইনে মিথ্যা বিকৃত, অসন্মানজনক, গুজব এবং হয়রানিমূলক মন্তব্যবার্তা আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
সর্বোপরি উপরে উলেখিত বিষয়গুলো সংক্রান্ত যে কোন ধরনের হয়রানি ও অপরাধের শিকার হলে সবার আগে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। মনে রাখবেন দিনের শেষে আপনার সম্পর্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার। আবেগের বশবর্তী হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ক্ষতি করবেন না।

জনস্বার্থে ক্রাইম রিসার্চ এন্ড এনালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)