ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ নিহত ২

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতিসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বরইকান্দি এলাকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌছ মিয়া ও কোম্পানীগঞ্জের তেলিখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ আলফু মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহসভাপতি ও বরইকান্দি এলাকার জমসেদ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়া এবং একই এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল জানান, সোমবার রাতে সড়কে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে আলফু মিয়ার ছেলের সঙ্গে গৌছ মিয়ার ছেলের কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে রাতেই দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। সকালে উভয়পক্ষ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংষর্ষে জড়ায়। এতে ২২ জনের মতো আহত হয়।

আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাসুক মিয়া ও বাবুল মিয়া মারা যান।

আহতদের মধ্যে সুজেল আহমদ রুহেল মিয়া, সলিমুদ্দিন, তৈয়ব আলী, আবুল কাহের, নাজিম উদ্দিন, আহমদ হোসেন, তাজুল ইসলাম, ইলিয়াস ও দুলাল আহমদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আব্দুল মান্নান জানান, নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ নিহত ২

আপডেট সময় ০২:৩২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতিসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বরইকান্দি এলাকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌছ মিয়া ও কোম্পানীগঞ্জের তেলিখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ আলফু মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহসভাপতি ও বরইকান্দি এলাকার জমসেদ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়া এবং একই এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল জানান, সোমবার রাতে সড়কে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে আলফু মিয়ার ছেলের সঙ্গে গৌছ মিয়ার ছেলের কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে রাতেই দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। সকালে উভয়পক্ষ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংষর্ষে জড়ায়। এতে ২২ জনের মতো আহত হয়।

আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাসুক মিয়া ও বাবুল মিয়া মারা যান।

আহতদের মধ্যে সুজেল আহমদ রুহেল মিয়া, সলিমুদ্দিন, তৈয়ব আলী, আবুল কাহের, নাজিম উদ্দিন, আহমদ হোসেন, তাজুল ইসলাম, ইলিয়াস ও দুলাল আহমদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আব্দুল মান্নান জানান, নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে।