ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল দাবি আদায় না হলে সারারাত ইসি অবরুদ্ধ রাখবে ছাত্রদল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

চা বিক্রি করে কোটিপতি, ভিডিও সহ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চা বিক্রি করে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা প্রমাণ করে দেখালেন ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের পুনা শহরের এক চা বিক্রেতা। তার মাসিক আয় কত জানেন? ১২ লাখ রুপি। হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি।

পুনার ওই চা বিক্রেতার নাম নবন্ত ইউলে। পুনাতে প্রথমে একটি দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন। সুস্বাদু চায়ের জন্য ধীরে ধীরে শহরে বেশ পরিচিতি পান তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নবন্তকে।

চায়ের ব্যবসার পরিধিও বাড়তে থাকে। ‘ইউলে টি হাউস’ নামে পুনাতে এখন তার তিনটি দোকান চলে। শুধু তাই নয়, তার দোকানের কর্মচারীর সংখ্যাও কম নয়। ১২ জন কাজ করেন সেখানে।

মাসখানেক আগেই রোজগার প্রসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, পাকোড়া বেচে ২০০ টাকা কামানোও কি রোজগার নয়? এই মন্তব্যের জন্য তাকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। পাকোড়া বেচে হয়ত ২০০ টাকা রোজগার করা যেতে পারে, কিন্তু চা বেচে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা কিন্তু দেখিয়ে দিয়েছেন নবন্ত।

পুনার এই চা বিক্রেতা বলেন, ‘চায়ের ব্যবসাও একটা ভালো রোজগারের উপায়। অনেক ভারতীয়ই এই ব্যবসা করছেন। আর এই ব্যবসা দিনে দিনে বাড়ছে।’ আর এতে যে তিনি খুশি সেটাও জানান নবন্ত। তবে পুনার চৌহদ্দিতে আটকে থাকতে চান না তিনি। তার এই ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই এখন লক্ষ্য তার।

২০১১ সালে চায়ের ব্যবসার কথা মাথায় আসে নবন্তের। চায়ের প্রতি দেশবাসীর যে ভালোবাসা, সেটাকে একটা ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনা মাথায় আসে তার। তারপরই এই ব্যবসায় নেমে পড়া।

নবন্ত জানান, পুনাতে তেমন কোনও নামকরা চায়ের দোকান ছিল না, যেখানে গেলে সুস্বাদু চা পাওয়া যায়। তাই শহরবাসীকে সেই স্বাদ জোগাতেই ব্যবসার সিদ্ধান্ত। না, যেমন তেমনভাবে নয়, কীভাবে সুস্বাদি চা তৈরি করতে হয় সে জন্য চার বছর ধরে রীতিমতো চা নিয়ে গবেষণা করতে হয়েছে তাকে।

https://www.youtube.com/watch?v=NCtvHV8hTW0

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

চা বিক্রি করে কোটিপতি, ভিডিও সহ

আপডেট সময় ১১:৩১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চা বিক্রি করে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা প্রমাণ করে দেখালেন ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের পুনা শহরের এক চা বিক্রেতা। তার মাসিক আয় কত জানেন? ১২ লাখ রুপি। হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি।

পুনার ওই চা বিক্রেতার নাম নবন্ত ইউলে। পুনাতে প্রথমে একটি দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন। সুস্বাদু চায়ের জন্য ধীরে ধীরে শহরে বেশ পরিচিতি পান তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নবন্তকে।

চায়ের ব্যবসার পরিধিও বাড়তে থাকে। ‘ইউলে টি হাউস’ নামে পুনাতে এখন তার তিনটি দোকান চলে। শুধু তাই নয়, তার দোকানের কর্মচারীর সংখ্যাও কম নয়। ১২ জন কাজ করেন সেখানে।

মাসখানেক আগেই রোজগার প্রসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, পাকোড়া বেচে ২০০ টাকা কামানোও কি রোজগার নয়? এই মন্তব্যের জন্য তাকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। পাকোড়া বেচে হয়ত ২০০ টাকা রোজগার করা যেতে পারে, কিন্তু চা বেচে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা কিন্তু দেখিয়ে দিয়েছেন নবন্ত।

পুনার এই চা বিক্রেতা বলেন, ‘চায়ের ব্যবসাও একটা ভালো রোজগারের উপায়। অনেক ভারতীয়ই এই ব্যবসা করছেন। আর এই ব্যবসা দিনে দিনে বাড়ছে।’ আর এতে যে তিনি খুশি সেটাও জানান নবন্ত। তবে পুনার চৌহদ্দিতে আটকে থাকতে চান না তিনি। তার এই ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই এখন লক্ষ্য তার।

২০১১ সালে চায়ের ব্যবসার কথা মাথায় আসে নবন্তের। চায়ের প্রতি দেশবাসীর যে ভালোবাসা, সেটাকে একটা ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনা মাথায় আসে তার। তারপরই এই ব্যবসায় নেমে পড়া।

নবন্ত জানান, পুনাতে তেমন কোনও নামকরা চায়ের দোকান ছিল না, যেখানে গেলে সুস্বাদু চা পাওয়া যায়। তাই শহরবাসীকে সেই স্বাদ জোগাতেই ব্যবসার সিদ্ধান্ত। না, যেমন তেমনভাবে নয়, কীভাবে সুস্বাদি চা তৈরি করতে হয় সে জন্য চার বছর ধরে রীতিমতো চা নিয়ে গবেষণা করতে হয়েছে তাকে।

https://www.youtube.com/watch?v=NCtvHV8hTW0