ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে চলমান আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে: মামুনুল হক সৌদিতে স্ট্রোক করে রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা অনুপ্রবেশকারী নন: শুভেন্দু জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদল : মাহ্দী আমিন স্কুলছাত্রী ও তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে স্বেচ্ছায় অথবা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জে ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র আহম্মদ মোল্লা (৭) কে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ওই শিক্ষার্থী মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে মুকসুদপুর উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।

অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আনা হয়। তারপর মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আহত করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত আহম্মদের বাবা শাওন মোল্যা বলেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। প্রায় ১ বছর যাবৎ এ মাদ্রাসায় আমার ছেলে পড়াশোনা করছে, এমন অভিযোগ কখনো কেউ দিতে পারে নাই। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে। আমি শিক্ষক এনামুলের শাস্তি চাই।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুলের ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। এমনিতেই পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এবিষয়ে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের হেফাজতে রেখেছি। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে চলমান আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে: মামুনুল হক

ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক

আপডেট সময় ০২:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জে ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র আহম্মদ মোল্লা (৭) কে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ওই শিক্ষার্থী মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে মুকসুদপুর উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।

অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আনা হয়। তারপর মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আহত করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত আহম্মদের বাবা শাওন মোল্যা বলেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। প্রায় ১ বছর যাবৎ এ মাদ্রাসায় আমার ছেলে পড়াশোনা করছে, এমন অভিযোগ কখনো কেউ দিতে পারে নাই। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে। আমি শিক্ষক এনামুলের শাস্তি চাই।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুলের ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। এমনিতেই পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এবিষয়ে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের হেফাজতে রেখেছি। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।