ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

আইট্টা কলার গাছে কখনো সবরি কলা ধরে না: শাজাহান খান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারীদের কাছ থেকে দেশের মানুষ কোনোদিন কিছু পায়নি এবং ভবিষ্যতেও কিছু পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। তিনি বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনা আশা করা বেয়াদবি ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ আইট্টা কলার গাছে কখনো সবরি কলা ধরে না। দেশকে রক্ষা করতে হলে রাজাকার আলবদর ও জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে জোটবদ্ধ সংগঠন বিএনপিকে রুখতে হবে।’

রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরকারি চাকরি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি কোটা বাতিলের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করার প্রতিবাদে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ ও প্রজন্ম মঞ্চ।

গত ৩১ জানুয়ারি সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল করে পুনর্মূল্যায়ন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটা অব্যাহত রাখতে দেশের সব মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পরামর্শ দিয়ে শাজাহান খান বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেই তাদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মেধা একটু কম থাকলেও লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ বিশ বছর পরে আর কোনো মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। তখন গুটিকয়েক মুক্তিযোদ্ধা থাকবে তারা মুক্তিযোদ্ধার চেতনা সমুন্নত রাখতে পারবে না।’

নৌমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে প্রধানমন্ত্রী ৩০ শতাংশ কোটা চালু করেছেন। দেশে পুলিশ ও বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে এখনো রাজাকারদের সন্তান খুঁজে পাওয়া যায়। স্বাধীনতাবিরোধী এ গোষ্ঠীর সন্তানদের নিয়ে প্রশাসন চালানো যায় না। তাদের দিয়ে প্রশাসন চালালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যাবে।’

শাজাহান খান বলেন, ভবিষ্যতে যদি বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসে তাহলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থাকবে না। তার জন্য তারা যেন এ দেশে আর রাজনীতি করতে না পারে, সামনের নির্বাচনে জয় না পায় এ জন্য ভোটের মাধ্যমে জবাব দিতে হবে।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম সুলতান আহমেদ, বাংলাদেশ প্রজন্ম সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি এ এন এম ওয়ালীউর রহমান মোল্লা, আসাদুজ্জামান দুর্জয় প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারভিউয়ের নীতিকথা আর ব্যক্তিজীবনের অমিল নিয়ে ক্ষুব্ধ ভাবনা

আইট্টা কলার গাছে কখনো সবরি কলা ধরে না: শাজাহান খান

আপডেট সময় ০৮:৪০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারীদের কাছ থেকে দেশের মানুষ কোনোদিন কিছু পায়নি এবং ভবিষ্যতেও কিছু পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। তিনি বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনা আশা করা বেয়াদবি ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ আইট্টা কলার গাছে কখনো সবরি কলা ধরে না। দেশকে রক্ষা করতে হলে রাজাকার আলবদর ও জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে জোটবদ্ধ সংগঠন বিএনপিকে রুখতে হবে।’

রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরকারি চাকরি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি কোটা বাতিলের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করার প্রতিবাদে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ ও প্রজন্ম মঞ্চ।

গত ৩১ জানুয়ারি সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল করে পুনর্মূল্যায়ন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটা অব্যাহত রাখতে দেশের সব মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পরামর্শ দিয়ে শাজাহান খান বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেই তাদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মেধা একটু কম থাকলেও লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ বিশ বছর পরে আর কোনো মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। তখন গুটিকয়েক মুক্তিযোদ্ধা থাকবে তারা মুক্তিযোদ্ধার চেতনা সমুন্নত রাখতে পারবে না।’

নৌমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে প্রধানমন্ত্রী ৩০ শতাংশ কোটা চালু করেছেন। দেশে পুলিশ ও বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে এখনো রাজাকারদের সন্তান খুঁজে পাওয়া যায়। স্বাধীনতাবিরোধী এ গোষ্ঠীর সন্তানদের নিয়ে প্রশাসন চালানো যায় না। তাদের দিয়ে প্রশাসন চালালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যাবে।’

শাজাহান খান বলেন, ভবিষ্যতে যদি বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসে তাহলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থাকবে না। তার জন্য তারা যেন এ দেশে আর রাজনীতি করতে না পারে, সামনের নির্বাচনে জয় না পায় এ জন্য ভোটের মাধ্যমে জবাব দিতে হবে।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম সুলতান আহমেদ, বাংলাদেশ প্রজন্ম সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি এ এন এম ওয়ালীউর রহমান মোল্লা, আসাদুজ্জামান দুর্জয় প্রমুখ।