ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় বিএনপির প্রচারণা চালিয়ে চাকরি হারালেন মুয়াজ্জিন বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী নিহত বাকহীন বাকশক্তি পেয়ে জুলাই যোদ্ধাদের ভুলে গেছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল

খালেদার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার : মওদুদ

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়ে সরকার তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত প্রতিবাদী নাগরিক সভায় তিনি এ দাবি করেন।

মওদুদ আহমেদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের জনপ্রিতায় ভীত হয়ে সরকার তাকে মিথ্যা, সাজানো মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে। আর কারাগারে পাঠিয়ে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি জাল জালিয়াতির একটা মামলা। এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো ফৌজদারি নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা। খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে দুর্বল করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ যে মামলার কোনো ভিত্তি নেই।

মওদুদ বলেন, খালেদা জিয়াকে যে কারাগারে রয়েছে তা একটি পরিত্যক্ত নির্জন কারাগার। এখানে তাকে রাখার উদ্দেশ্য তার মনোবল ভেঙে দেওয়া। কিন্তু সরকারের এ প্রচেষ্টা সফল হবে না। তার সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে তা কোনো আইন বা জেল কোডেও নেই।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের সামনে দুটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে আন্দোলনের মাধ্যে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকারকে অপসারণ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, আমরা এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো কীভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সরকারকে অপসারণ করা যায়। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা যায়। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করবো। কিন্তু সরকার চায় খালেদা জিয়াকে ছাড়া ভোট করতে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই বিএনপি চেয়ারপারসনকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।

সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুকোমল বডুয়া, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় বিএনপির প্রচারণা চালিয়ে চাকরি হারালেন মুয়াজ্জিন

খালেদার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার : মওদুদ

আপডেট সময় ০২:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়ে সরকার তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত প্রতিবাদী নাগরিক সভায় তিনি এ দাবি করেন।

মওদুদ আহমেদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের জনপ্রিতায় ভীত হয়ে সরকার তাকে মিথ্যা, সাজানো মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে। আর কারাগারে পাঠিয়ে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি জাল জালিয়াতির একটা মামলা। এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো ফৌজদারি নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা। খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে দুর্বল করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ যে মামলার কোনো ভিত্তি নেই।

মওদুদ বলেন, খালেদা জিয়াকে যে কারাগারে রয়েছে তা একটি পরিত্যক্ত নির্জন কারাগার। এখানে তাকে রাখার উদ্দেশ্য তার মনোবল ভেঙে দেওয়া। কিন্তু সরকারের এ প্রচেষ্টা সফল হবে না। তার সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে তা কোনো আইন বা জেল কোডেও নেই।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের সামনে দুটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে আন্দোলনের মাধ্যে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকারকে অপসারণ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, আমরা এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো কীভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সরকারকে অপসারণ করা যায়। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা যায়। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করবো। কিন্তু সরকার চায় খালেদা জিয়াকে ছাড়া ভোট করতে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই বিএনপি চেয়ারপারসনকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।

সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুকোমল বডুয়া, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল প্রমুখ।