ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের শিল্পকলায় সার্কাস ও যাত্রাপালা কর্মশালার সমাপ্তি: সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পর ৩৬ পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

খালেদার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার : মওদুদ

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়ে সরকার তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত প্রতিবাদী নাগরিক সভায় তিনি এ দাবি করেন।

মওদুদ আহমেদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের জনপ্রিতায় ভীত হয়ে সরকার তাকে মিথ্যা, সাজানো মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে। আর কারাগারে পাঠিয়ে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি জাল জালিয়াতির একটা মামলা। এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো ফৌজদারি নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা। খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে দুর্বল করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ যে মামলার কোনো ভিত্তি নেই।

মওদুদ বলেন, খালেদা জিয়াকে যে কারাগারে রয়েছে তা একটি পরিত্যক্ত নির্জন কারাগার। এখানে তাকে রাখার উদ্দেশ্য তার মনোবল ভেঙে দেওয়া। কিন্তু সরকারের এ প্রচেষ্টা সফল হবে না। তার সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে তা কোনো আইন বা জেল কোডেও নেই।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের সামনে দুটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে আন্দোলনের মাধ্যে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকারকে অপসারণ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, আমরা এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো কীভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সরকারকে অপসারণ করা যায়। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা যায়। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করবো। কিন্তু সরকার চায় খালেদা জিয়াকে ছাড়া ভোট করতে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই বিএনপি চেয়ারপারসনকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।

সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুকোমল বডুয়া, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার : মওদুদ

আপডেট সময় ০২:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়ে সরকার তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত প্রতিবাদী নাগরিক সভায় তিনি এ দাবি করেন।

মওদুদ আহমেদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের জনপ্রিতায় ভীত হয়ে সরকার তাকে মিথ্যা, সাজানো মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে। আর কারাগারে পাঠিয়ে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি জাল জালিয়াতির একটা মামলা। এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো ফৌজদারি নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা। খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে দুর্বল করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ যে মামলার কোনো ভিত্তি নেই।

মওদুদ বলেন, খালেদা জিয়াকে যে কারাগারে রয়েছে তা একটি পরিত্যক্ত নির্জন কারাগার। এখানে তাকে রাখার উদ্দেশ্য তার মনোবল ভেঙে দেওয়া। কিন্তু সরকারের এ প্রচেষ্টা সফল হবে না। তার সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে তা কোনো আইন বা জেল কোডেও নেই।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের সামনে দুটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে আন্দোলনের মাধ্যে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকারকে অপসারণ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, আমরা এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো কীভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সরকারকে অপসারণ করা যায়। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা যায়। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করবো। কিন্তু সরকার চায় খালেদা জিয়াকে ছাড়া ভোট করতে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই বিএনপি চেয়ারপারসনকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।

সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুকোমল বডুয়া, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল প্রমুখ।