ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

পুলিশের ওপর হামলা, আটক ৬৯

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীতে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৬৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শাহবাগ ও রমনা থানায় মামলা হচ্ছে। পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও আটক আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৬৯ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

যাঁদের আটক করা হয়েছে, তাঁদের নাম গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে বিএনপি। এঁরা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ খান থানার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মিন্নত আলী, সদস্য হারুন অর রশীদ, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল উত্তর খান থানা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, পল্লবী থানা বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান, তুরাগ থানা বিএনপি নেতা বুলু, খোকন সরকার, কবির, রামপুরা থানা বিএনপি নেতা ডল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি নেতা বাবুল, মানিক, চকবাজার থানা বিএনপি নেতা আলামীন, শ্যামপুর থানা বিএনপি নেতা জামান আহমেদ পিন্টু, পল্টন থানা বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেন তালুকদার, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি পেয়ারা মোস্তফা, মহিলা দল নেত্রী আরজু, শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর নেতা জিল্লুর রহমান, আলম, জসিম এবং আলম দেওয়ানসহ অনেকে।

রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ দাবি করেছে, মঙ্গলবার বিকেল পৌনে চারটায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল থেকে অতর্কিতে হামলা চালান। প্রিজন ভ্যান ভাঙচুর করে বিএনপির আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেন, পুলিশের রাইফেল ভেঙে ফেলেন। এতে পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমসহ কয়েকজন আহত হন।

রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ দাবি করেছে, আজ মঙ্গলবার বিকেল পৌনে চারটায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল থেকে অতর্কিতে হামলা চালান। প্রিজন ভ্যান ভাঙচুর করে বিএনপির আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেয়, পুলিশের রাইফেল ভেঙে ফেলে। এতে পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমসহ কয়েকজন আহত হন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজিরা দিয়ে ফিরছিলেন। দলের চেয়ারপারসনের আদালতে হাজিরার দিন প্রতিবারের মতো আজও নেতা-কর্মীরা হাইকোর্ট মাজার গেটে জড়ো হন। পরে বকশীবাজার থেকে বিএনপির আরেকটি মিছিল এসে এতে যোগ দেয়।

পুলিশ দাবি করে, খালেদা জিয়া ফেরার সময় মিছিল থেকে পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমের হাতের আঙুল ফেটে যায়। কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। তাঁদের হেলমেট ও রাইফেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কদম ফোয়ারার সামনে পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যান ছিল। মিছিল থেকে কর্মীরা এসে ভ্যান ভাঙচুর করে এতে আটক থাকা দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। সেই সঙ্গে দুই পুলিশের রাইফেল কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন।

রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, খালেদা জিয়ার মিছিল পুলিশ সব সময় খুব ধৈর্যের সঙ্গে সামাল দেয়। আজও পুলিশ ধৈর্য ধরেছিল। বিনা উসকানিতে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এতে অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আজিমসহ কয়েকজন পুলিশ আহত হন।

দায়িত্বশীল একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ছিনিয়ে নেওয়া দুজনকে ঘটনার কিছু আগে হাইকোর্টের সামনে বিএনপির জমায়েত থেকে আটক করা হয়েছিল। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এটি পুলিশের ‘রুটিন ওয়ার্ক’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের হিংসাত্মক আচরণ অতীতের সব স্বৈরাচারের রেকর্ড ডিঙিয়ে গেছে। তাদের সভ্যতা, ভব্যতার তিলমাত্র অবশিষ্ট নেই। হিংসাপরায়ণ ও ক্ষমতালোভী আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বিচারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার হাজিরার দিনে তাঁর গাড়িবহরের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশ ন্যক্কারজনক হামলা চালাচ্ছে, গ্রেপ্তার করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এটি যেন পুলিশের ‘রুটিন ওয়ার্ক’ হয়ে গেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে কখনোই নির্মূল করতে পারবে না। তিনি পুলিশ কর্তৃক বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের নিন্দা জানান এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

পুলিশের ওপর হামলা, আটক ৬৯

আপডেট সময় ১১:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীতে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৬৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শাহবাগ ও রমনা থানায় মামলা হচ্ছে। পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও আটক আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৬৯ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

যাঁদের আটক করা হয়েছে, তাঁদের নাম গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে বিএনপি। এঁরা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ খান থানার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মিন্নত আলী, সদস্য হারুন অর রশীদ, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল উত্তর খান থানা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, পল্লবী থানা বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান, তুরাগ থানা বিএনপি নেতা বুলু, খোকন সরকার, কবির, রামপুরা থানা বিএনপি নেতা ডল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি নেতা বাবুল, মানিক, চকবাজার থানা বিএনপি নেতা আলামীন, শ্যামপুর থানা বিএনপি নেতা জামান আহমেদ পিন্টু, পল্টন থানা বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেন তালুকদার, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি পেয়ারা মোস্তফা, মহিলা দল নেত্রী আরজু, শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর নেতা জিল্লুর রহমান, আলম, জসিম এবং আলম দেওয়ানসহ অনেকে।

রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ দাবি করেছে, মঙ্গলবার বিকেল পৌনে চারটায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল থেকে অতর্কিতে হামলা চালান। প্রিজন ভ্যান ভাঙচুর করে বিএনপির আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেন, পুলিশের রাইফেল ভেঙে ফেলেন। এতে পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমসহ কয়েকজন আহত হন।

রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ দাবি করেছে, আজ মঙ্গলবার বিকেল পৌনে চারটায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল থেকে অতর্কিতে হামলা চালান। প্রিজন ভ্যান ভাঙচুর করে বিএনপির আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেয়, পুলিশের রাইফেল ভেঙে ফেলে। এতে পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমসহ কয়েকজন আহত হন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজিরা দিয়ে ফিরছিলেন। দলের চেয়ারপারসনের আদালতে হাজিরার দিন প্রতিবারের মতো আজও নেতা-কর্মীরা হাইকোর্ট মাজার গেটে জড়ো হন। পরে বকশীবাজার থেকে বিএনপির আরেকটি মিছিল এসে এতে যোগ দেয়।

পুলিশ দাবি করে, খালেদা জিয়া ফেরার সময় মিছিল থেকে পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আজিমের হাতের আঙুল ফেটে যায়। কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। তাঁদের হেলমেট ও রাইফেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কদম ফোয়ারার সামনে পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যান ছিল। মিছিল থেকে কর্মীরা এসে ভ্যান ভাঙচুর করে এতে আটক থাকা দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। সেই সঙ্গে দুই পুলিশের রাইফেল কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন।

রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, খালেদা জিয়ার মিছিল পুলিশ সব সময় খুব ধৈর্যের সঙ্গে সামাল দেয়। আজও পুলিশ ধৈর্য ধরেছিল। বিনা উসকানিতে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এতে অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আজিমসহ কয়েকজন পুলিশ আহত হন।

দায়িত্বশীল একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ছিনিয়ে নেওয়া দুজনকে ঘটনার কিছু আগে হাইকোর্টের সামনে বিএনপির জমায়েত থেকে আটক করা হয়েছিল। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এটি পুলিশের ‘রুটিন ওয়ার্ক’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের হিংসাত্মক আচরণ অতীতের সব স্বৈরাচারের রেকর্ড ডিঙিয়ে গেছে। তাদের সভ্যতা, ভব্যতার তিলমাত্র অবশিষ্ট নেই। হিংসাপরায়ণ ও ক্ষমতালোভী আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বিচারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার হাজিরার দিনে তাঁর গাড়িবহরের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশ ন্যক্কারজনক হামলা চালাচ্ছে, গ্রেপ্তার করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এটি যেন পুলিশের ‘রুটিন ওয়ার্ক’ হয়ে গেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে কখনোই নির্মূল করতে পারবে না। তিনি পুলিশ কর্তৃক বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের নিন্দা জানান এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।