ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১২:০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।