ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না যে জাতি সংগীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি মানসিকভাবে বেশি উন্নত: সংস্কৃতি মন্ত্রী হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে সংসদে উত্তেজনা ১১ মাসে রাজস্ব বোর্ডের রেকর্ড পরিমাণ শুল্ক-কর আদায় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাত ধর্ষণ চেষ্টার পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, বৃদ্ধ গ্রেফতার মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে : পানিসম্পদ মন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের ৭৫০ বর্গফুট পতাকা শোডাউন শিশুকে অপহরণের পর হত্যা, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

মাঠে না নামলে বিএনপি নেতাদের চুড়ি পরানো হবে: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায়ের দিন কেন্দ্রীয় নেতাদের রাস্তায় দেখার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে যারা ওইদিন মাঠে নামবে না তাদের বাসায় গিয়ে চুড়ি পরিয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ভাসানী ভবনে মহানগর দক্ষিণের এক সাংগঠনিক সভায় তারা এই হুঁশিয়ারি দেন। ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার প্রেক্ষাপটে এই সভা আহ্বান করা হয়।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানো এবং পরের বছর সরকার পতনের আন্দোলনে কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেননি বলে সমালোচনা আছে বিএনপিতে। ‍তৃণমূলের নেতারা একাধিকবার এ নিয়ে তাদের অসন্তোষ জানিয়ে আসছিলেন। এবার মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতিতেই তারা একাবা হুঁশিয়ারি দিলেন। এই আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফখরুল।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় রায় প্রকাশ হবে। আর রায় বিপক্ষে গেলে আগুন জ্বালানোর হুঁশিয়ারি এসেছে বিএনপির পক্ষ থেকে। তৃণমূলেল নেতারা চাইছেন, রায় বিরুদ্ধে গেলে তাদের সঙ্গে থাকতে হবে কেন্দ্রীয় নেতাদেরও।

অঙ্গসংগঠনের একজন নেতা বলেন, ‘আপনাদের প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, কেন্দ্রীয় নেতারা যারা সেই দিন রাস্তায় নামবেন না পরে তাদের বাসায় গিয়ে আমরা চুড়ি পরিয়ে দেবো। আমরা দলের সিনিয়র নেতাদের রাস্তায় দেখতে চাই।’

দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল মহানগর নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সামনের আন্দোলন সব অপশক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন, জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আন্দোলন, হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার আন্দোলন এবং আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীর বিরুদ্ধে যদি কোনো রকম ষড়যন্ত্র করা হয় সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার আন্দোলন। সেজন্য এবার সবাই মাঠে নামার প্রস্তুতি নিন, দেখা হবে রাজপথে। কত শক্তি আছে তাদের, দেখব আমরা।’

পরে মির্জা ফখরুল বক্তব্য দিতে গিয়ে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা বুড়ো হয়ে গেছি, বয়স হয়ে গেছে। সারাটা জীবন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যে আছি, কখনো সরে যাইনি। আপনারা যারা তরুণ আছেন সময় আপনাদের। পরিবর্তন আপনাদেরই আনতে হবে। পরিবর্তন আনতে হলে আপনাদের শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হবে।’

দক্ষিণের সভাপতি যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারের পরিচালনায় আলোচনা সভায় মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল হুদা, সহ-সভাপতি নবী উল্লাহ নবী, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রশীদ হাবিব, তানভীর আহমেদ রবিন, রফিকুল ইসলাম রবিন, যুব দল দক্ষিণের গোলাম মাওলা শাহিন, মহিলা দলের রাজিয়া আলীম, স্বেচ্ছাসেবক দক্ষিণের এস এম জিলানী, নজরুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না

মাঠে না নামলে বিএনপি নেতাদের চুড়ি পরানো হবে: ফখরুল

আপডেট সময় ১০:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায়ের দিন কেন্দ্রীয় নেতাদের রাস্তায় দেখার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে যারা ওইদিন মাঠে নামবে না তাদের বাসায় গিয়ে চুড়ি পরিয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ভাসানী ভবনে মহানগর দক্ষিণের এক সাংগঠনিক সভায় তারা এই হুঁশিয়ারি দেন। ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার প্রেক্ষাপটে এই সভা আহ্বান করা হয়।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানো এবং পরের বছর সরকার পতনের আন্দোলনে কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেননি বলে সমালোচনা আছে বিএনপিতে। ‍তৃণমূলের নেতারা একাধিকবার এ নিয়ে তাদের অসন্তোষ জানিয়ে আসছিলেন। এবার মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতিতেই তারা একাবা হুঁশিয়ারি দিলেন। এই আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফখরুল।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় রায় প্রকাশ হবে। আর রায় বিপক্ষে গেলে আগুন জ্বালানোর হুঁশিয়ারি এসেছে বিএনপির পক্ষ থেকে। তৃণমূলেল নেতারা চাইছেন, রায় বিরুদ্ধে গেলে তাদের সঙ্গে থাকতে হবে কেন্দ্রীয় নেতাদেরও।

অঙ্গসংগঠনের একজন নেতা বলেন, ‘আপনাদের প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, কেন্দ্রীয় নেতারা যারা সেই দিন রাস্তায় নামবেন না পরে তাদের বাসায় গিয়ে আমরা চুড়ি পরিয়ে দেবো। আমরা দলের সিনিয়র নেতাদের রাস্তায় দেখতে চাই।’

দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল মহানগর নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সামনের আন্দোলন সব অপশক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন, জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আন্দোলন, হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার আন্দোলন এবং আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীর বিরুদ্ধে যদি কোনো রকম ষড়যন্ত্র করা হয় সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার আন্দোলন। সেজন্য এবার সবাই মাঠে নামার প্রস্তুতি নিন, দেখা হবে রাজপথে। কত শক্তি আছে তাদের, দেখব আমরা।’

পরে মির্জা ফখরুল বক্তব্য দিতে গিয়ে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা বুড়ো হয়ে গেছি, বয়স হয়ে গেছে। সারাটা জীবন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যে আছি, কখনো সরে যাইনি। আপনারা যারা তরুণ আছেন সময় আপনাদের। পরিবর্তন আপনাদেরই আনতে হবে। পরিবর্তন আনতে হলে আপনাদের শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হবে।’

দক্ষিণের সভাপতি যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারের পরিচালনায় আলোচনা সভায় মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল হুদা, সহ-সভাপতি নবী উল্লাহ নবী, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রশীদ হাবিব, তানভীর আহমেদ রবিন, রফিকুল ইসলাম রবিন, যুব দল দক্ষিণের গোলাম মাওলা শাহিন, মহিলা দলের রাজিয়া আলীম, স্বেচ্ছাসেবক দক্ষিণের এস এম জিলানী, নজরুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য দেন।