ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

আগরতলা মামলায় বৈরী সাক্ষীর পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা আগরতলা মামলায় বৈরী স্বাক্ষী প্রয়াত কামাল উদ্দিন আহমেদের অসুস্থ ছেলে মেয়েদের ৯০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে শেখ হাসিনার হাত থেকে কামাল উদ্দিন আহমেদের দুই ছেলে কামরুল হাসান আহমেদ ও খায়রুল হাসান আহমেদ এবং মেহের নিনি কামাল অনুদানের চেক গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের প্রথম নৌ উপদেষ্টা কামাল উদ্দিন আহমেদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে জেল জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হন এবং চরম শারীরিক যন্ত্রণা ভোগ করে মারা যান।

তার দুই সন্তানও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ কিন্তু চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত টাকা নেই তাদের। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী জানতে পেরে তাদেরকে অনুদান দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করে পাকিস্তান সরকার। এতে অভিযোগ করা হয়, ভারত সরকারের সহায়তায় সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান খেকে আলাদা করার চক্রান্ত করেছেন আসামিরা। এ লক্ষ্যে ত্রিপুরার আগরতলায় ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আসামিদের বৈঠক হয় বলেও অভিযোগ করা হয় মামলায়।

ওই বছরের ১৯ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। কিন্তু মামলা চলাকালেই গণ অভ্যুত্থানের মুখে মামলা তুলে নিয়ে আসামিদেরকে মু্ক্তি দেয় পাকিস্তান সরকার।

এই মামলায় পাকিস্তান সরকার কামাল উদ্দিন আহমেদকেও সাক্ষী করেছিল। কিন্তু তিনি পক্ষ ত্যাগ করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সাক্ষী দেন। মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে পাকিস্তান আমলে স্বীকার না করলেও পরে আসামিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযোগ ছিল সত্য।

আর বঙ্গবন্ধুকে এই মামলা থেকে মুক্তি দেয়ার দুই বছরের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে রাকুল প্রীত ও প্রযোজক ভাসুর অফিসে

আগরতলা মামলায় বৈরী সাক্ষীর পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

আপডেট সময় ১০:২২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা আগরতলা মামলায় বৈরী স্বাক্ষী প্রয়াত কামাল উদ্দিন আহমেদের অসুস্থ ছেলে মেয়েদের ৯০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে শেখ হাসিনার হাত থেকে কামাল উদ্দিন আহমেদের দুই ছেলে কামরুল হাসান আহমেদ ও খায়রুল হাসান আহমেদ এবং মেহের নিনি কামাল অনুদানের চেক গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের প্রথম নৌ উপদেষ্টা কামাল উদ্দিন আহমেদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে জেল জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হন এবং চরম শারীরিক যন্ত্রণা ভোগ করে মারা যান।

তার দুই সন্তানও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ কিন্তু চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত টাকা নেই তাদের। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী জানতে পেরে তাদেরকে অনুদান দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করে পাকিস্তান সরকার। এতে অভিযোগ করা হয়, ভারত সরকারের সহায়তায় সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান খেকে আলাদা করার চক্রান্ত করেছেন আসামিরা। এ লক্ষ্যে ত্রিপুরার আগরতলায় ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আসামিদের বৈঠক হয় বলেও অভিযোগ করা হয় মামলায়।

ওই বছরের ১৯ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। কিন্তু মামলা চলাকালেই গণ অভ্যুত্থানের মুখে মামলা তুলে নিয়ে আসামিদেরকে মু্ক্তি দেয় পাকিস্তান সরকার।

এই মামলায় পাকিস্তান সরকার কামাল উদ্দিন আহমেদকেও সাক্ষী করেছিল। কিন্তু তিনি পক্ষ ত্যাগ করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সাক্ষী দেন। মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে পাকিস্তান আমলে স্বীকার না করলেও পরে আসামিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযোগ ছিল সত্য।

আর বঙ্গবন্ধুকে এই মামলা থেকে মুক্তি দেয়ার দুই বছরের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।