ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

ফেসবুক বন্ধের ক্ষমতা আমার নেই: শিক্ষামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এএসসি পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধের কথা বলেননি বলে সংসদকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেছেন, ফেসবুক বন্ধের ক্ষমতা তার নেই। তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন বিকল্প কী করা যায়। আজ রবিবার জাতীয় সংসদে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ রাখতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করা হবে।

আজ সংসদে শিক্ষামন্ত্রী জানান, তিনি মূলত বলতে চেয়েছেন ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র বাইরে আসার পথ বন্ধ করতে সীমিত সময়ের জন্যে এই সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমটি বন্ধ রাখার পথ খুঁজছেন তারা।

নাহিদ বলেন, ‘আমরা কখনো বলিনি এসএসসি পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ করে দেব। সেই ক্ষমতাও আমার নেই। দেড় মাস ধরে এসএসসি পরীক্ষা আর আড়াই মাস ধরে এইচএসসি পরীক্ষা চলে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রশ্নপত্র যখন স্কুলে পৌঁছে দিই, তখন কিছু শিক্ষক প্রশ্নপত্র বিলির আগেই প্রশ্নের প্যাকেট খুলে ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আধুনিক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্নজনের কাছে পাঠিয়ে দেন। এ কারণে আমরা বলেছি, এই পথটা বন্ধ করতে হবে। এটাও বলেছি, আমরা বিটিআরসির সঙ্গে আলাপ করব, তারা কোনো সহযোগিতা করতে পারে কি না, একটি সীমাবদ্ধ সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে পারে কি না।’

বিটিআরসির সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করেছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী সংসদকে বলেন, ‘তারা বলেছে বিভিন্ন পদ্ধতিতে এগুলো আসে। পরীক্ষার সময়টায় তারা (বিটিআরসি) লোক নিয়োগ করে রাখবে। এ ধরনের কিছু হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে জানাবে, যাতে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।এ ছাড়া আর কী করতে পারবে তারা ভেবে দেখবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা (ফেসবুক) বন্ধ করে ফেলব, এটা বলতে পারি না। কারণ, এ ক্ষমতাও আমাদের নেই। আমরা আবেদন করেছি। তারা (ফেসবুক) উত্তর দিয়েছে সহযোগিতা করবে। বন্ধ না করেও তারা অন্য পদ্ধতিতে করতে পারে। তারা বিবেচনা করবে সীমাবদ্ধ সময়ের জন্য করা যায় কি না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফেসবুক বন্ধের ক্ষমতা আমার নেই: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এএসসি পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধের কথা বলেননি বলে সংসদকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেছেন, ফেসবুক বন্ধের ক্ষমতা তার নেই। তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন বিকল্প কী করা যায়। আজ রবিবার জাতীয় সংসদে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ রাখতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করা হবে।

আজ সংসদে শিক্ষামন্ত্রী জানান, তিনি মূলত বলতে চেয়েছেন ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র বাইরে আসার পথ বন্ধ করতে সীমিত সময়ের জন্যে এই সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমটি বন্ধ রাখার পথ খুঁজছেন তারা।

নাহিদ বলেন, ‘আমরা কখনো বলিনি এসএসসি পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ করে দেব। সেই ক্ষমতাও আমার নেই। দেড় মাস ধরে এসএসসি পরীক্ষা আর আড়াই মাস ধরে এইচএসসি পরীক্ষা চলে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রশ্নপত্র যখন স্কুলে পৌঁছে দিই, তখন কিছু শিক্ষক প্রশ্নপত্র বিলির আগেই প্রশ্নের প্যাকেট খুলে ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আধুনিক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্নজনের কাছে পাঠিয়ে দেন। এ কারণে আমরা বলেছি, এই পথটা বন্ধ করতে হবে। এটাও বলেছি, আমরা বিটিআরসির সঙ্গে আলাপ করব, তারা কোনো সহযোগিতা করতে পারে কি না, একটি সীমাবদ্ধ সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে পারে কি না।’

বিটিআরসির সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করেছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী সংসদকে বলেন, ‘তারা বলেছে বিভিন্ন পদ্ধতিতে এগুলো আসে। পরীক্ষার সময়টায় তারা (বিটিআরসি) লোক নিয়োগ করে রাখবে। এ ধরনের কিছু হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে জানাবে, যাতে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।এ ছাড়া আর কী করতে পারবে তারা ভেবে দেখবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা (ফেসবুক) বন্ধ করে ফেলব, এটা বলতে পারি না। কারণ, এ ক্ষমতাও আমাদের নেই। আমরা আবেদন করেছি। তারা (ফেসবুক) উত্তর দিয়েছে সহযোগিতা করবে। বন্ধ না করেও তারা অন্য পদ্ধতিতে করতে পারে। তারা বিবেচনা করবে সীমাবদ্ধ সময়ের জন্য করা যায় কি না।’