ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএসএফ সদস্যকে গাছের সঙ্গে বেঁধে গুলি করে হত্যা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের এক সদস্যকে গাছের সঙ্গে বেঁধে তারই বন্দুক দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে কে বা কারা হত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি।

উত্তরবঙ্গের কুচবিহার জেলার দিনহাটার ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিএসএফ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত অরবিন্দ কুমারের (২৫) বাড়ি উত্তরপ্রদেশের উন্নাও জেলায়। কিছুদিন থেকে দিনহাটার সাহেবগঞ্জ এলাকার দুর্গানগর সীমান্ত চৌকিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

হত্যাকাণ্ডের পেছনে সীমান্তের গরু পাচারকারীরা থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিএসএফের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কিছু বলা হয়নি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ওই এলাকার বাংলাদেশ সীমান্তের একটা বড় অংশে কাঁটাতারের বেড়া নেই। কিছু এলাকা নদী দিয়ে দুভাগ করেছে দুদেশকে। এসব এলাকা দিয়ে অবাধে চলে গরু পাচার। বছরের পর বছর ধরে এ কাজ চলছে। যারা করছে তারা বেশ প্রভাবশালী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত দুমাসে অন্তত ৬০০ গরু ধরা পড়েছে। তারা সতর্ক। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, এত কিছুর পরেও একজন সদস্যকে কীভাবে হত্যা করা হলো। নাকি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে? কুচবিহার পুলিশ তা খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএসএফ সদস্যকে গাছের সঙ্গে বেঁধে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০৩:০১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের এক সদস্যকে গাছের সঙ্গে বেঁধে তারই বন্দুক দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে কে বা কারা হত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি।

উত্তরবঙ্গের কুচবিহার জেলার দিনহাটার ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিএসএফ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত অরবিন্দ কুমারের (২৫) বাড়ি উত্তরপ্রদেশের উন্নাও জেলায়। কিছুদিন থেকে দিনহাটার সাহেবগঞ্জ এলাকার দুর্গানগর সীমান্ত চৌকিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

হত্যাকাণ্ডের পেছনে সীমান্তের গরু পাচারকারীরা থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিএসএফের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কিছু বলা হয়নি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ওই এলাকার বাংলাদেশ সীমান্তের একটা বড় অংশে কাঁটাতারের বেড়া নেই। কিছু এলাকা নদী দিয়ে দুভাগ করেছে দুদেশকে। এসব এলাকা দিয়ে অবাধে চলে গরু পাচার। বছরের পর বছর ধরে এ কাজ চলছে। যারা করছে তারা বেশ প্রভাবশালী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত দুমাসে অন্তত ৬০০ গরু ধরা পড়েছে। তারা সতর্ক। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, এত কিছুর পরেও একজন সদস্যকে কীভাবে হত্যা করা হলো। নাকি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে? কুচবিহার পুলিশ তা খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে।