ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি নির্বাচনে আসবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবে। অন্যথায় তারা মুসলিম লীগে পরিণত হবে।

তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে। গত ৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন তা সমর্থন করেন।

গত ৭ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদে এ ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বুধবার ১২তম দিনে সরকারি দলের মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীরউত্তম), এ. কে. এম. এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), সাধন চন্দ্র মজুমদার, খন্দকার আজিজুল হক আরজু, ফরিদুল হক খান, মাহবুব আলী, কাজী রোজী, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা ও টিপু সুলতান আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, আগামী নির্বাচনে না আসলে বিএনপি মুসলিম লীগে পরিণত হবে। তারা বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

তারা বলেন, রাষ্ট্রপতি ভাষণে দেশে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্যসহ সার্বিক উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি তার ভাষণে দেশের উন্নয়নের যথাযথ ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের বিদ্যুৎ, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নৌপরিবহন খাতসহ প্রতিটি খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। দেশের উন্নয়নের প্রতিটি সূচক এখন উর্ধ্বমুখী।

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউমিনিটি উপাধি পেয়েছেন উল্লেখ করে সদস্যরা বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।

জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি উল্লেখ করে তারা বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুনর্বাসিত করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় তিনি বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছেন, এ ব্যাপারে আর কোন সাক্ষী প্রমাণের প্রযোজন নেই।

তারা বলেন, গ্রাম থেকে শহরে দেশের সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। দেশের সুষম উন্নয়নে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে।

সংসদ সদস্যরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে আবির্ভূত হবে। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সব খাতেই ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ বিষয়টি আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এদেশের উন্নয়ন এখন বিশ্বের মানুষের কাছে এক বিষ্ময়কর বিষয়। শেখ হাসিনার সাফল্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ কর্তৃক প্রশংসিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি নির্বাচনে আসবে

আপডেট সময় ১০:৪৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবে। অন্যথায় তারা মুসলিম লীগে পরিণত হবে।

তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে। গত ৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন তা সমর্থন করেন।

গত ৭ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদে এ ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বুধবার ১২তম দিনে সরকারি দলের মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীরউত্তম), এ. কে. এম. এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), সাধন চন্দ্র মজুমদার, খন্দকার আজিজুল হক আরজু, ফরিদুল হক খান, মাহবুব আলী, কাজী রোজী, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা ও টিপু সুলতান আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, আগামী নির্বাচনে না আসলে বিএনপি মুসলিম লীগে পরিণত হবে। তারা বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

তারা বলেন, রাষ্ট্রপতি ভাষণে দেশে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্যসহ সার্বিক উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি তার ভাষণে দেশের উন্নয়নের যথাযথ ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের বিদ্যুৎ, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নৌপরিবহন খাতসহ প্রতিটি খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। দেশের উন্নয়নের প্রতিটি সূচক এখন উর্ধ্বমুখী।

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউমিনিটি উপাধি পেয়েছেন উল্লেখ করে সদস্যরা বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।

জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি উল্লেখ করে তারা বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুনর্বাসিত করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় তিনি বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছেন, এ ব্যাপারে আর কোন সাক্ষী প্রমাণের প্রযোজন নেই।

তারা বলেন, গ্রাম থেকে শহরে দেশের সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। দেশের সুষম উন্নয়নে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে।

সংসদ সদস্যরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে আবির্ভূত হবে। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সব খাতেই ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ বিষয়টি আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এদেশের উন্নয়ন এখন বিশ্বের মানুষের কাছে এক বিষ্ময়কর বিষয়। শেখ হাসিনার সাফল্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ কর্তৃক প্রশংসিত।