ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর তেহরান যদি আক্রমণ করে,‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’:নেতানিয়াহু উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল অনেক ঘরবাড়ি

আম আদমি পার্টির ২০ বিধায়ক বরখাস্ত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘অফিস অব প্রফিট’ বা লাভজনক পদ বিতর্কে বিধায়কদের গদি বাঁচাতে আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আম আদমি পার্টি নেতৃত্ব। কিন্তু তার আগেই বরখাস্ত হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি(আপ)’র ওই ২০ বিধায়ক। নির্বাচন কমিশনের পাঠানো এই সংক্রান্ত সুপারিশে অনুমোদন দিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। রবিবারই রাষ্ট্রপতি সই করলেন ওই সুপারিশে। ফলে নিশ্চিত হয়ে গেল দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন।

এই ২০ জন বিধায়ক বরখাস্ত হলেও অবশ্য সরকার পড়ছে না। কিন্তু নৈতিকতার কারণ তুলে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে কেজরিওয়ালের ইস্তফা দাবি করা কংগ্রেস ও বিজেপি যে নতুন করে অস্ত্র হাতে পেয়ে গেল তাতে কোনও সন্দেহ নেই। অন্য দিকে, বিষয়টি নিয়ে শনিবারই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে আপ শিবির। সোমবার ওই মামলার শুনানি হবে।

৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় সর্বোচ্চ ৭ জন মন্ত্রী হতে পারেন। অভিযোগ, মন্ত্রিত্ব পাননি এমন ২১ জন বিধায়ককে বিভিন্ন দপ্তরের পরিষদীয় সচিবের পদে এনে বাংলো, গাড়ি ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিল কেজরিওয়াল সরকার।

পরিষদীয় সচিব পদটিকে ‘লাভজনক পদ’-এর বাইরে রেখে একটি বিল ২০১৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছে পাঠিয়েছিল দিল্লি সরকার। রাষ্ট্রপতির কাছে আপত্তি জানান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তখন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে খতিয়ে দেখতে বলেন প্রণব মুখার্জি। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২১ জন বিধায়ককে শো-কজ নোটিস পাঠায় কমিশন।

গত শুক্রবার কমিশন রাষ্ট্রপতিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। তাতে ওই বিধায়কদের বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়।

এরপরই ওই প্রতিবেদন চ্যালেঞ্জ করে আম আদমি পার্টি বলে, ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে দিল্লি হাইকোর্ট পরিষদীয় সচিব হিসেবে বিধায়কদের নিয়োগ বাতিল করে দিয়েছিল। পদগুলি বাতিল হয়ে যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ধোপে টেকে না। কিন্তু কমিশনের যুক্তি, ২০১৫ সালের মার্চ থেকে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই বিধায়কেরা পরিষদীয় সচিব ছিলেন। অতএব তাদের নাম বিতর্কে জড়িয়ে গিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

আম আদমি পার্টির ২০ বিধায়ক বরখাস্ত

আপডেট সময় ১১:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘অফিস অব প্রফিট’ বা লাভজনক পদ বিতর্কে বিধায়কদের গদি বাঁচাতে আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আম আদমি পার্টি নেতৃত্ব। কিন্তু তার আগেই বরখাস্ত হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি(আপ)’র ওই ২০ বিধায়ক। নির্বাচন কমিশনের পাঠানো এই সংক্রান্ত সুপারিশে অনুমোদন দিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। রবিবারই রাষ্ট্রপতি সই করলেন ওই সুপারিশে। ফলে নিশ্চিত হয়ে গেল দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন।

এই ২০ জন বিধায়ক বরখাস্ত হলেও অবশ্য সরকার পড়ছে না। কিন্তু নৈতিকতার কারণ তুলে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে কেজরিওয়ালের ইস্তফা দাবি করা কংগ্রেস ও বিজেপি যে নতুন করে অস্ত্র হাতে পেয়ে গেল তাতে কোনও সন্দেহ নেই। অন্য দিকে, বিষয়টি নিয়ে শনিবারই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে আপ শিবির। সোমবার ওই মামলার শুনানি হবে।

৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় সর্বোচ্চ ৭ জন মন্ত্রী হতে পারেন। অভিযোগ, মন্ত্রিত্ব পাননি এমন ২১ জন বিধায়ককে বিভিন্ন দপ্তরের পরিষদীয় সচিবের পদে এনে বাংলো, গাড়ি ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিল কেজরিওয়াল সরকার।

পরিষদীয় সচিব পদটিকে ‘লাভজনক পদ’-এর বাইরে রেখে একটি বিল ২০১৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছে পাঠিয়েছিল দিল্লি সরকার। রাষ্ট্রপতির কাছে আপত্তি জানান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তখন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে খতিয়ে দেখতে বলেন প্রণব মুখার্জি। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২১ জন বিধায়ককে শো-কজ নোটিস পাঠায় কমিশন।

গত শুক্রবার কমিশন রাষ্ট্রপতিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। তাতে ওই বিধায়কদের বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়।

এরপরই ওই প্রতিবেদন চ্যালেঞ্জ করে আম আদমি পার্টি বলে, ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে দিল্লি হাইকোর্ট পরিষদীয় সচিব হিসেবে বিধায়কদের নিয়োগ বাতিল করে দিয়েছিল। পদগুলি বাতিল হয়ে যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ধোপে টেকে না। কিন্তু কমিশনের যুক্তি, ২০১৫ সালের মার্চ থেকে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই বিধায়কেরা পরিষদীয় সচিব ছিলেন। অতএব তাদের নাম বিতর্কে জড়িয়ে গিয়েছে।