ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি, দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড জামায়াতে ইসলামী দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়: মির্জা ফখরুল ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীর তারেক রহমানের খুলনার সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল বিএনপি জনগণের কাছে পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক দল: ড. মোশাররফ হোসেন এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন: রিজভী নির্বাচিত হলে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভোটাররা সঙ্গে থাকলে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: পার্থ

পাওয়া না পাওয়ার হিসাব না করে দেশের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাওয়া না পাওয়ার হিসাব করি না। দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করি। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনাকে বিদেশের কে কখন কী উপাধি দিয়েছে, তা সংসদে তুলে ধরে ফখরুল ইমাম বলেন, এত সম্মানসূচক কথা বলার পরে আমার তো মাথা ঠিক থাকত না। এরপরই কি রামপাল বিদ্যুতের প্রয়োজন আছে?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে নিয়ে বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন হাজার বিশেষণ দিলেও আমার মাথা কখনও খারাপ হবে না। আমি বেতালা হব না। ওগুলো আমার ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। আমার চিন্তা একটাই দেশের মানুষ ভালো থাকুক।

তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রয়োজন তো বিদ্যুতের জন্য। দেশের জন্য। উন্নয়নের জন্য। দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য। তাদের জিজ্ঞাসা করে দেখেন বিদ্যুৎ প্রয়োজন আছে কিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি এটুকুই বলতে চাই- কী পাইনি তার হিসাব মিলাতে মন মোর নাহি রাজি। কী পেলাম, কী পেলাম না, সেই হিসাব করি না। আমি কাজ করি দেশের মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য। আমার দায়বদ্ধতা হচ্ছে ক্ষুধার্ত দারিদ্র্য মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা ক্ষমতায় যেতে চায়, কিন্তু সামর্থ্য না থাকার কারণে তারা বাঁকা পথ খোঁজে। তারা ভাবে, আমি থাকলেই তাদের যত সমস্যা। আমাকে অনেকবার হত্যার পরিকল্পনা করা হলেও তবুও আমি মরি না। আল্লাহ কীভাবে জানি আমাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, মরতে তো একদিন হবেই। সেটা নিয়ে আমার কোনো চিন্তা নেই। ‘জন্মিলে মরিতে হবে/অমর কে কোথা কবে/চিরস্থায়ী কবে নীড়/ হায়রে জীবন নদী/।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে আরেকটি শ্রেণির মানুষ আছে। সমস্যাটা তাদের নিয়ে। গণতন্ত্রের ধারা চললে তাদের কিছুই ভালো লাগে না। যখন উন্নয়নের পথে দেশ এগিয়ে যায়, সেটা তারা চোখে দেখে না। এরা চক্ষু থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির। তাদের মাথায় একটাই চিন্তা ক্ষমতায় যাওয়ার। পতাকা পাওয়ার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি, দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড

পাওয়া না পাওয়ার হিসাব না করে দেশের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:২২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাওয়া না পাওয়ার হিসাব করি না। দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করি। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনাকে বিদেশের কে কখন কী উপাধি দিয়েছে, তা সংসদে তুলে ধরে ফখরুল ইমাম বলেন, এত সম্মানসূচক কথা বলার পরে আমার তো মাথা ঠিক থাকত না। এরপরই কি রামপাল বিদ্যুতের প্রয়োজন আছে?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে নিয়ে বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন হাজার বিশেষণ দিলেও আমার মাথা কখনও খারাপ হবে না। আমি বেতালা হব না। ওগুলো আমার ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। আমার চিন্তা একটাই দেশের মানুষ ভালো থাকুক।

তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রয়োজন তো বিদ্যুতের জন্য। দেশের জন্য। উন্নয়নের জন্য। দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য। তাদের জিজ্ঞাসা করে দেখেন বিদ্যুৎ প্রয়োজন আছে কিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি এটুকুই বলতে চাই- কী পাইনি তার হিসাব মিলাতে মন মোর নাহি রাজি। কী পেলাম, কী পেলাম না, সেই হিসাব করি না। আমি কাজ করি দেশের মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য। আমার দায়বদ্ধতা হচ্ছে ক্ষুধার্ত দারিদ্র্য মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা ক্ষমতায় যেতে চায়, কিন্তু সামর্থ্য না থাকার কারণে তারা বাঁকা পথ খোঁজে। তারা ভাবে, আমি থাকলেই তাদের যত সমস্যা। আমাকে অনেকবার হত্যার পরিকল্পনা করা হলেও তবুও আমি মরি না। আল্লাহ কীভাবে জানি আমাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, মরতে তো একদিন হবেই। সেটা নিয়ে আমার কোনো চিন্তা নেই। ‘জন্মিলে মরিতে হবে/অমর কে কোথা কবে/চিরস্থায়ী কবে নীড়/ হায়রে জীবন নদী/।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে আরেকটি শ্রেণির মানুষ আছে। সমস্যাটা তাদের নিয়ে। গণতন্ত্রের ধারা চললে তাদের কিছুই ভালো লাগে না। যখন উন্নয়নের পথে দেশ এগিয়ে যায়, সেটা তারা চোখে দেখে না। এরা চক্ষু থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির। তাদের মাথায় একটাই চিন্তা ক্ষমতায় যাওয়ার। পতাকা পাওয়ার।