ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

মৃত্যুর আড়াই বছর পর বাবা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে যাবার পর সম্প্রতি বাবা হলেন ভদ্রলোক। এই দীর্ঘ সময় পর একটি ফুটফুটে কন্যাশিশুর জন্ম দিলেন তারই বিধবা স্ত্রী! ঘটনার রাতে হাসপাতালে মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীর শুক্রাণু জিইয়ে রাখার অনুরোধ করেন স্ত্রী পেই জিয়া `সানি` লিউ। সেই শুক্রাণুতে জন্ম নিল মৃত পুলিশ কর্মকর্তার কন্যাশিশু।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ওয়েনজিয়ান লিউ দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত হন ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর। তিনি ছিলেন ফার্স্ট গ্রেড গোয়েন্দা কর্মকর্তা।এ শিশুর জন্মের সময় উপস্থিত ছিলেন সাহসী কর্মকর্তার বাবা-মা ওয়েই তাং লিউ এবং জিউ ইয়ান লিউ। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন সেখানে।ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন নামের এক বিশেষ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করেন সানি। এ পদ্ধতিতে বাবার শুক্রাণু আর মায়ের ডিম্বাণুকে মায়ের দেহের বাইরে নিষিক্ত করা হয়। গবেষণাগারে সৃষ্ট এই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নেয় শিশু।

বিধবা স্ত্রী মা হতে পেরে বেজায় খুশি। বলেন, আমি জানতাম মেয়ে হবে আমার। কিন্তু বন্ধুরা বলেছিল, তুমি তো সনোগ্রামস করোনি। কিন্তু আমিই ঠিক ভেবেছিলাম।ওয়েনজিয়ান আর সানি বিয়ের পর মাত্র কয়েক মাসের সংসার করেছেন। এরই মধ্যে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে গেল। নতুন বউ বিধবা হলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগ মুহূর্তে সানির সিদ্ধান্তে শুক্রাণু রাখা হয় স্বামীর। সানি জানান, ওর মৃত্যুর কিছু দিন আগে থেকেই আমরা একটা সন্তানের কথা ভাবছিলাম।

নিউ ইয়র্কে বড় ধরনের সন্ত্রাস গ্রুপের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন লিউ এবং তার সহকর্মী রাফায়েল। এরা সাধারণত ব্রুকলিনের শহরতলিতে কাজ করতেন। কিন্তু বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাদের।পুলিশ কমিশনার উইলিয়াম ব্রাটন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, গাড়িতে বসে থাকা অবস্থায় আততায়ী আসে এবং দুজনকে গুলি করে হত্যা করে। কোনো ধরনের হুমকি বা জানান না দিয়েই তাদের মেরে ফেলা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

মৃত্যুর আড়াই বছর পর বাবা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৮:৫৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে যাবার পর সম্প্রতি বাবা হলেন ভদ্রলোক। এই দীর্ঘ সময় পর একটি ফুটফুটে কন্যাশিশুর জন্ম দিলেন তারই বিধবা স্ত্রী! ঘটনার রাতে হাসপাতালে মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীর শুক্রাণু জিইয়ে রাখার অনুরোধ করেন স্ত্রী পেই জিয়া `সানি` লিউ। সেই শুক্রাণুতে জন্ম নিল মৃত পুলিশ কর্মকর্তার কন্যাশিশু।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ওয়েনজিয়ান লিউ দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত হন ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর। তিনি ছিলেন ফার্স্ট গ্রেড গোয়েন্দা কর্মকর্তা।এ শিশুর জন্মের সময় উপস্থিত ছিলেন সাহসী কর্মকর্তার বাবা-মা ওয়েই তাং লিউ এবং জিউ ইয়ান লিউ। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন সেখানে।ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন নামের এক বিশেষ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করেন সানি। এ পদ্ধতিতে বাবার শুক্রাণু আর মায়ের ডিম্বাণুকে মায়ের দেহের বাইরে নিষিক্ত করা হয়। গবেষণাগারে সৃষ্ট এই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নেয় শিশু।

বিধবা স্ত্রী মা হতে পেরে বেজায় খুশি। বলেন, আমি জানতাম মেয়ে হবে আমার। কিন্তু বন্ধুরা বলেছিল, তুমি তো সনোগ্রামস করোনি। কিন্তু আমিই ঠিক ভেবেছিলাম।ওয়েনজিয়ান আর সানি বিয়ের পর মাত্র কয়েক মাসের সংসার করেছেন। এরই মধ্যে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে গেল। নতুন বউ বিধবা হলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগ মুহূর্তে সানির সিদ্ধান্তে শুক্রাণু রাখা হয় স্বামীর। সানি জানান, ওর মৃত্যুর কিছু দিন আগে থেকেই আমরা একটা সন্তানের কথা ভাবছিলাম।

নিউ ইয়র্কে বড় ধরনের সন্ত্রাস গ্রুপের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন লিউ এবং তার সহকর্মী রাফায়েল। এরা সাধারণত ব্রুকলিনের শহরতলিতে কাজ করতেন। কিন্তু বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাদের।পুলিশ কমিশনার উইলিয়াম ব্রাটন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, গাড়িতে বসে থাকা অবস্থায় আততায়ী আসে এবং দুজনকে গুলি করে হত্যা করে। কোনো ধরনের হুমকি বা জানান না দিয়েই তাদের মেরে ফেলা হয়।