ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

মৃত্যুর আড়াই বছর পর বাবা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে যাবার পর সম্প্রতি বাবা হলেন ভদ্রলোক। এই দীর্ঘ সময় পর একটি ফুটফুটে কন্যাশিশুর জন্ম দিলেন তারই বিধবা স্ত্রী! ঘটনার রাতে হাসপাতালে মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীর শুক্রাণু জিইয়ে রাখার অনুরোধ করেন স্ত্রী পেই জিয়া `সানি` লিউ। সেই শুক্রাণুতে জন্ম নিল মৃত পুলিশ কর্মকর্তার কন্যাশিশু।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ওয়েনজিয়ান লিউ দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত হন ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর। তিনি ছিলেন ফার্স্ট গ্রেড গোয়েন্দা কর্মকর্তা।এ শিশুর জন্মের সময় উপস্থিত ছিলেন সাহসী কর্মকর্তার বাবা-মা ওয়েই তাং লিউ এবং জিউ ইয়ান লিউ। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন সেখানে।ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন নামের এক বিশেষ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করেন সানি। এ পদ্ধতিতে বাবার শুক্রাণু আর মায়ের ডিম্বাণুকে মায়ের দেহের বাইরে নিষিক্ত করা হয়। গবেষণাগারে সৃষ্ট এই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নেয় শিশু।

বিধবা স্ত্রী মা হতে পেরে বেজায় খুশি। বলেন, আমি জানতাম মেয়ে হবে আমার। কিন্তু বন্ধুরা বলেছিল, তুমি তো সনোগ্রামস করোনি। কিন্তু আমিই ঠিক ভেবেছিলাম।ওয়েনজিয়ান আর সানি বিয়ের পর মাত্র কয়েক মাসের সংসার করেছেন। এরই মধ্যে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে গেল। নতুন বউ বিধবা হলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগ মুহূর্তে সানির সিদ্ধান্তে শুক্রাণু রাখা হয় স্বামীর। সানি জানান, ওর মৃত্যুর কিছু দিন আগে থেকেই আমরা একটা সন্তানের কথা ভাবছিলাম।

নিউ ইয়র্কে বড় ধরনের সন্ত্রাস গ্রুপের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন লিউ এবং তার সহকর্মী রাফায়েল। এরা সাধারণত ব্রুকলিনের শহরতলিতে কাজ করতেন। কিন্তু বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাদের।পুলিশ কমিশনার উইলিয়াম ব্রাটন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, গাড়িতে বসে থাকা অবস্থায় আততায়ী আসে এবং দুজনকে গুলি করে হত্যা করে। কোনো ধরনের হুমকি বা জানান না দিয়েই তাদের মেরে ফেলা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

মৃত্যুর আড়াই বছর পর বাবা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৮:৫৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে যাবার পর সম্প্রতি বাবা হলেন ভদ্রলোক। এই দীর্ঘ সময় পর একটি ফুটফুটে কন্যাশিশুর জন্ম দিলেন তারই বিধবা স্ত্রী! ঘটনার রাতে হাসপাতালে মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীর শুক্রাণু জিইয়ে রাখার অনুরোধ করেন স্ত্রী পেই জিয়া `সানি` লিউ। সেই শুক্রাণুতে জন্ম নিল মৃত পুলিশ কর্মকর্তার কন্যাশিশু।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ওয়েনজিয়ান লিউ দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত হন ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর। তিনি ছিলেন ফার্স্ট গ্রেড গোয়েন্দা কর্মকর্তা।এ শিশুর জন্মের সময় উপস্থিত ছিলেন সাহসী কর্মকর্তার বাবা-মা ওয়েই তাং লিউ এবং জিউ ইয়ান লিউ। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন সেখানে।ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন নামের এক বিশেষ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করেন সানি। এ পদ্ধতিতে বাবার শুক্রাণু আর মায়ের ডিম্বাণুকে মায়ের দেহের বাইরে নিষিক্ত করা হয়। গবেষণাগারে সৃষ্ট এই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নেয় শিশু।

বিধবা স্ত্রী মা হতে পেরে বেজায় খুশি। বলেন, আমি জানতাম মেয়ে হবে আমার। কিন্তু বন্ধুরা বলেছিল, তুমি তো সনোগ্রামস করোনি। কিন্তু আমিই ঠিক ভেবেছিলাম।ওয়েনজিয়ান আর সানি বিয়ের পর মাত্র কয়েক মাসের সংসার করেছেন। এরই মধ্যে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে গেল। নতুন বউ বিধবা হলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগ মুহূর্তে সানির সিদ্ধান্তে শুক্রাণু রাখা হয় স্বামীর। সানি জানান, ওর মৃত্যুর কিছু দিন আগে থেকেই আমরা একটা সন্তানের কথা ভাবছিলাম।

নিউ ইয়র্কে বড় ধরনের সন্ত্রাস গ্রুপের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন লিউ এবং তার সহকর্মী রাফায়েল। এরা সাধারণত ব্রুকলিনের শহরতলিতে কাজ করতেন। কিন্তু বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাদের।পুলিশ কমিশনার উইলিয়াম ব্রাটন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, গাড়িতে বসে থাকা অবস্থায় আততায়ী আসে এবং দুজনকে গুলি করে হত্যা করে। কোনো ধরনের হুমকি বা জানান না দিয়েই তাদের মেরে ফেলা হয়।