ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনি জনসভা, সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসমুদ্র ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী এখনো ওত পেতে আছে : উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শাহজালালের মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে: ডা. তাহের সারা দেশে বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করল বিএনপি, তালিকায় যারা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, ৬৯ হাজারের বেশি উত্তীর্ণ আমার প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন করতে নয়, বানচাল করতে এসেছেন : নুর বিশ্বকাপে খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে, সিদ্ধান্ত আইসিসির

বাণিজ্য মেলায় জনস্রোত, জমেনি কেনাকাটা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী রুহুল আমিন থাকেন মিরপুরে। অফিসের কাজে এতটা ব্যস্ত থাকেন যে, ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে একটু বেড়িয়ে আসবেন সেই সুযোগ তার হয়ে ওঠে না। এটা নিয়ে স্ত্রী-সন্তাদের অভিযোগের তীরে সবসময় জর্জরিত হতে হয়। রুহুল আমিনের প্রতি তার পরিবারের অভিযোগ একেবারে অযৌক্তিক নয়। চার দেয়ালের গণ্ডিতে গতানুগতিক জীবনের বাইরে যেতে কার না মন চায়? গৎবাঁধা জীবনের একঘেয়েমি আর অভিযোগের তীর থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে একটি বড় দল নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আসেন রুহুল।

তিনি দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘ভাইরে, সপ্তাহে একদিন ছুটি পাই। ছুটি পেলে কী হবে, অফিস থেকে অনেক কাজ দিয়ে রাখে। এইসব কাজের চাপে শুক্রবার যে একটু শান্তিতে ঘুমাবো সেটাও পারি না। পরিবার নিয়ে বের হওয়ার সময়টা কই? তাই আজ সবাইকে নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসেছি।’

রুহুলের সাথে কথা হচ্ছিল টিকেট কাউন্টারের সামনে। কাউন্টার মাড়িয়ে মেলার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, দনিয়া থেকে আসা ছোট্ট শিশু সামিন কোনোভাবেই মেলা থেকে বের হতে রাজি হচ্ছিল না। তার মা তানিসা রায়হান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘অন্যদিন ছুটি পাই না। তাই ছেলেটাকে নিয়ে দুপুরের দিকে এসেছি। অনেক ঘোরাঘুরি আর কিছু কেনাকাটা করেছি, খুব ক্লান্ত লাগছে। কিন্তু ছেলেটা কিছুতেই বের হতে চাচ্ছে না।’

রুহুল ও তানিসার মতো অনেকেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব এমন কী একাকী ছুটির দিনে ছুটে এসেছেন বাণিজ্য মেলায়।

বছরের প্রথম মাসের সাপ্তাহিক ছুটির দিন তার ওপর বাণিজ্য মেলার মতো আয়োজন বলে কথা। তাই ছুটির দিনে মানুষের ঢল নেমেছে। তবে সেটা সকালের পরিবেশ দেখে মনেই হচ্ছিল না। ঘড়ির কাঁটা বিকেলের ঘরে পৌঁছোতেই পাল্টে যায় পরিবেশ। শেষ বিকেল ও সন্ধ্যার শুরুতে স্রোতের মতো মানুষ আসতে শুরু করেন বাণিজ্য মেলায়। মেলায় প্রবেশপথ আর টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে ছিল দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি। সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণসহ আশপাশের গোটা এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। তাদের কেউ মেলায় প্রবেশ করছেন, কেউ মেলা দেখে বেরিয়ে আসছেন। সবাই খুশি। এক কথায়, পয়লা জানুয়ারি মেলা শুরুর পর প্রথম ছুটির দিনেই দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত। তবে মানুষ যত না কেনাকাটা করেছে, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়িয়েছে তার চেয়ে বেশি।

শুধু যে ঢাকা শহরের বিভিন্ন মহল্লা থেকে লোকজন মেলায় এসেছেন তা নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসেছেন মেলায় বেড়ানো আর কেনাকাটার জন্য। যেমন হিমেল তালুকদার। মেলা ঘুরে ক্লান্ত হয়ে একটু জিরিয়ে নিচ্ছিলেন পশ্চিম পাশের ফোয়ারার পাশের চত্বরে। তাঁর বাড়ি যশোর। বললেন, মেলা উপলক্ষেই বৃহস্পতিবার ঢাকায় এসেছেন। উঠেছেন ঝিগাতলা আত্মীয়ের বাড়িতে। দুপুরের খাবারের পর সপরিবারে এসেছেন মেলায়।

হিমেল দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বাড়ির জন্য কিছু কেনাকাটা করেছি। বিশেষ করে রান্নাঘরের সরঞ্জামই বেশি কেনেছি। এসব জিনিস দেশের বাড়িতে তেমন ভালো মানের পাওয়া যায় না। তাছাড়া চাইলেই তো আবার আসতে পারব না। মেয়ের পরীক্ষা শেষ। বেড়ানোর বায়না করছিল। তো বেড়ানোও হলো, মেলায় কেনাকাটাও হলো।’

যত লোকসমাগম হয়েছে, সেই তুলনায় দেখা গেল কেনাকাটা কম।

মেলায় আসা দর্শকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, নির্দিষ্ট কোনো কিছু কেনার পরিকল্পনা নিয়ে তাঁরা আসেননি। মূল উদ্দেশ্য বেড়ানো। নতুন কী জিনিসপত্র এলো, দরদাম কেমন এসব যাচাই-বাছাই করা। পছন্দ হলে কিছু কেনাকাটা করা।

হোমটেক্সট প্যাভিলিয়নের বিক্রেতা ইয়ামিন অনেকটা আক্ষেপের সুরে দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘সব ঘুরতে আসে, কেনে না। বিক্রি যেটা হয়েছে সেটা খুবই সামান্য। তবে ‘সামনের সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি জমে উঠবে’ বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই বিক্রেতা।

আয়োজক কমিটির ভাষ্যমতে, এবারের বাণিজ্য মেলায় ছোট বড় মিলিয়ে সর্বমোট ৫৮৯টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট প্যাভিলিয়ন রয়েছে ১১২টি। ৭৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন ছাড়াও রয়েছে ৪০০টি স্টল। ১৪ ক্যাটাগরিতে দেশ-বিদেশের ৫২০টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ পেয়েছে। যেখানে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, নেপাল, হংকং, জাপান, আরব আমিরাত, মরিশাস, ঘানা, মরক্কো এবং ভুটানের প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করছে।

ক্রেতা-দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় মেলায় পুলিশ ও র‌্যাবের ওয়াচ টাওয়ারসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার সর্বমোট ৬০টি অবকাঠামো ও সেবা কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে।

মেলা প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত আনসার ও ভিডিপি, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, বিজিবি এবং র‌্যাব নিয়োজিত রয়েছে। সার্বক্ষণিক মেলা প্রাঙ্গণ পর্যবেক্ষণের জন্য ১০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও আগত দর্শনার্থীদের যে কোনো অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সার্বক্ষণিক একজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত সোমবার থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাসব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্য মেলায় জনস্রোত, জমেনি কেনাকাটা

আপডেট সময় ১১:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী রুহুল আমিন থাকেন মিরপুরে। অফিসের কাজে এতটা ব্যস্ত থাকেন যে, ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে একটু বেড়িয়ে আসবেন সেই সুযোগ তার হয়ে ওঠে না। এটা নিয়ে স্ত্রী-সন্তাদের অভিযোগের তীরে সবসময় জর্জরিত হতে হয়। রুহুল আমিনের প্রতি তার পরিবারের অভিযোগ একেবারে অযৌক্তিক নয়। চার দেয়ালের গণ্ডিতে গতানুগতিক জীবনের বাইরে যেতে কার না মন চায়? গৎবাঁধা জীবনের একঘেয়েমি আর অভিযোগের তীর থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে একটি বড় দল নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আসেন রুহুল।

তিনি দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘ভাইরে, সপ্তাহে একদিন ছুটি পাই। ছুটি পেলে কী হবে, অফিস থেকে অনেক কাজ দিয়ে রাখে। এইসব কাজের চাপে শুক্রবার যে একটু শান্তিতে ঘুমাবো সেটাও পারি না। পরিবার নিয়ে বের হওয়ার সময়টা কই? তাই আজ সবাইকে নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসেছি।’

রুহুলের সাথে কথা হচ্ছিল টিকেট কাউন্টারের সামনে। কাউন্টার মাড়িয়ে মেলার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, দনিয়া থেকে আসা ছোট্ট শিশু সামিন কোনোভাবেই মেলা থেকে বের হতে রাজি হচ্ছিল না। তার মা তানিসা রায়হান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘অন্যদিন ছুটি পাই না। তাই ছেলেটাকে নিয়ে দুপুরের দিকে এসেছি। অনেক ঘোরাঘুরি আর কিছু কেনাকাটা করেছি, খুব ক্লান্ত লাগছে। কিন্তু ছেলেটা কিছুতেই বের হতে চাচ্ছে না।’

রুহুল ও তানিসার মতো অনেকেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব এমন কী একাকী ছুটির দিনে ছুটে এসেছেন বাণিজ্য মেলায়।

বছরের প্রথম মাসের সাপ্তাহিক ছুটির দিন তার ওপর বাণিজ্য মেলার মতো আয়োজন বলে কথা। তাই ছুটির দিনে মানুষের ঢল নেমেছে। তবে সেটা সকালের পরিবেশ দেখে মনেই হচ্ছিল না। ঘড়ির কাঁটা বিকেলের ঘরে পৌঁছোতেই পাল্টে যায় পরিবেশ। শেষ বিকেল ও সন্ধ্যার শুরুতে স্রোতের মতো মানুষ আসতে শুরু করেন বাণিজ্য মেলায়। মেলায় প্রবেশপথ আর টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে ছিল দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি। সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণসহ আশপাশের গোটা এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। তাদের কেউ মেলায় প্রবেশ করছেন, কেউ মেলা দেখে বেরিয়ে আসছেন। সবাই খুশি। এক কথায়, পয়লা জানুয়ারি মেলা শুরুর পর প্রথম ছুটির দিনেই দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত। তবে মানুষ যত না কেনাকাটা করেছে, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়িয়েছে তার চেয়ে বেশি।

শুধু যে ঢাকা শহরের বিভিন্ন মহল্লা থেকে লোকজন মেলায় এসেছেন তা নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসেছেন মেলায় বেড়ানো আর কেনাকাটার জন্য। যেমন হিমেল তালুকদার। মেলা ঘুরে ক্লান্ত হয়ে একটু জিরিয়ে নিচ্ছিলেন পশ্চিম পাশের ফোয়ারার পাশের চত্বরে। তাঁর বাড়ি যশোর। বললেন, মেলা উপলক্ষেই বৃহস্পতিবার ঢাকায় এসেছেন। উঠেছেন ঝিগাতলা আত্মীয়ের বাড়িতে। দুপুরের খাবারের পর সপরিবারে এসেছেন মেলায়।

হিমেল দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বাড়ির জন্য কিছু কেনাকাটা করেছি। বিশেষ করে রান্নাঘরের সরঞ্জামই বেশি কেনেছি। এসব জিনিস দেশের বাড়িতে তেমন ভালো মানের পাওয়া যায় না। তাছাড়া চাইলেই তো আবার আসতে পারব না। মেয়ের পরীক্ষা শেষ। বেড়ানোর বায়না করছিল। তো বেড়ানোও হলো, মেলায় কেনাকাটাও হলো।’

যত লোকসমাগম হয়েছে, সেই তুলনায় দেখা গেল কেনাকাটা কম।

মেলায় আসা দর্শকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, নির্দিষ্ট কোনো কিছু কেনার পরিকল্পনা নিয়ে তাঁরা আসেননি। মূল উদ্দেশ্য বেড়ানো। নতুন কী জিনিসপত্র এলো, দরদাম কেমন এসব যাচাই-বাছাই করা। পছন্দ হলে কিছু কেনাকাটা করা।

হোমটেক্সট প্যাভিলিয়নের বিক্রেতা ইয়ামিন অনেকটা আক্ষেপের সুরে দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘সব ঘুরতে আসে, কেনে না। বিক্রি যেটা হয়েছে সেটা খুবই সামান্য। তবে ‘সামনের সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি জমে উঠবে’ বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই বিক্রেতা।

আয়োজক কমিটির ভাষ্যমতে, এবারের বাণিজ্য মেলায় ছোট বড় মিলিয়ে সর্বমোট ৫৮৯টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট প্যাভিলিয়ন রয়েছে ১১২টি। ৭৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন ছাড়াও রয়েছে ৪০০টি স্টল। ১৪ ক্যাটাগরিতে দেশ-বিদেশের ৫২০টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ পেয়েছে। যেখানে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, নেপাল, হংকং, জাপান, আরব আমিরাত, মরিশাস, ঘানা, মরক্কো এবং ভুটানের প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করছে।

ক্রেতা-দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় মেলায় পুলিশ ও র‌্যাবের ওয়াচ টাওয়ারসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার সর্বমোট ৬০টি অবকাঠামো ও সেবা কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে।

মেলা প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত আনসার ও ভিডিপি, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, বিজিবি এবং র‌্যাব নিয়োজিত রয়েছে। সার্বক্ষণিক মেলা প্রাঙ্গণ পর্যবেক্ষণের জন্য ১০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও আগত দর্শনার্থীদের যে কোনো অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সার্বক্ষণিক একজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত সোমবার থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাসব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন।