ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৩ ছেলের মুক্তির দাবিতে সৌদি প্রিন্স আলওয়ালিদের পিতার আমরণ অনশন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালালে মুক্তির দাবিতে তার পিতা ৮৬ বছর বয়স্ক প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজ গত ১০ নভেম্বর থেকে অনশন শুরু করেছেন। তিনি হাউজ অব সৌদের একজন প্রথম সারির সংস্কারক হিসেবে সুপরিচিত। প্রিন্স তালাল সহ তার তিন ছেলে বর্তমানে আটক রয়েছেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে ১১ জন প্রিন্স সহ শতাধিক প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে আটক রাখা হয়েছে।

প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজের প্রথম পুত্র প্রিন্স আলওয়ালিদকে গত ৪ নভেম্বর গ্রেফতারের ৬ দিনের মাথায় তিনি অনশণ শুরু করেন। এক মাসে তার ওজন কমেছে ১০ কিলোগ্রাম। গত সপ্তাহে তাকে টিউবে খাওয়ানার চেষ্টা করা হয়। রিয়াদে কিং ফয়সাল হাসপাতালে তাকে অনেকে দেখতে যাচ্ছেন। তাদের একজন জানান, তাকে আমরা খুব ভাল করে জানি। কেন তিনি খাচ্ছেন না এবং এর কোনো স্বাস্থ্যগত কারণও নেই। ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদে আটক ছেলেদের মুক্তির দাবিতেই তিনি অনশন করছেন।

গত নভেম্বর সৌদি বাদশাহ সালমান তার এই চাচাতো ভাইকে দেখতে যান। ওই সময় তিনি হুইল চেয়ারে বসেছিলেন এবং বাদশাহ তার হাতে চুমু খান। তাদের বোন মাদাবির মৃত্যুর পর সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন সৌদি বাদশাহ।

হাসপাতালে দেখতে যাওয়া স্বজনদের অনেকে বলছেন, সৌদি বাদশাহ সালমানের কাছে তিন ছেলের মুক্তির বিষয়টি তুলতে রাজি নন এই বৃদ্ধ প্রিন্স। তবে বন্ধুদের কাছে এক মাস আগেও এধরনের আটকে প্রতিবাদ জানাতে বলেছিলেন তিনি। হাসপাতালে তাকে দেখতে আসা সৌদ পরিবারদের সদস্যদের ভীড় চোখে পড়ার মত। সংস্কারের জন্যে তিনি ‘রেড প্রিন্স’ হিসেবেও পরিচিত। সৌদি নারীদের অধিকার ও সাংবিধানিক ক্ষমতার পক্ষপাতি হিসেবে তাকে মিসরে একবার নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। ২০০৭ সালে মিসরের আল মিহারওয়ার টেলিভিশনকে এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার পরিবর্তে নির্বাহি ও বিচার বিভাগীয় সমন্বয়ে আমি সবসময় বিশ্বাস করি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৩ ছেলের মুক্তির দাবিতে সৌদি প্রিন্স আলওয়ালিদের পিতার আমরণ অনশন

আপডেট সময় ০৩:২২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালালে মুক্তির দাবিতে তার পিতা ৮৬ বছর বয়স্ক প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজ গত ১০ নভেম্বর থেকে অনশন শুরু করেছেন। তিনি হাউজ অব সৌদের একজন প্রথম সারির সংস্কারক হিসেবে সুপরিচিত। প্রিন্স তালাল সহ তার তিন ছেলে বর্তমানে আটক রয়েছেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে ১১ জন প্রিন্স সহ শতাধিক প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে আটক রাখা হয়েছে।

প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজের প্রথম পুত্র প্রিন্স আলওয়ালিদকে গত ৪ নভেম্বর গ্রেফতারের ৬ দিনের মাথায় তিনি অনশণ শুরু করেন। এক মাসে তার ওজন কমেছে ১০ কিলোগ্রাম। গত সপ্তাহে তাকে টিউবে খাওয়ানার চেষ্টা করা হয়। রিয়াদে কিং ফয়সাল হাসপাতালে তাকে অনেকে দেখতে যাচ্ছেন। তাদের একজন জানান, তাকে আমরা খুব ভাল করে জানি। কেন তিনি খাচ্ছেন না এবং এর কোনো স্বাস্থ্যগত কারণও নেই। ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদে আটক ছেলেদের মুক্তির দাবিতেই তিনি অনশন করছেন।

গত নভেম্বর সৌদি বাদশাহ সালমান তার এই চাচাতো ভাইকে দেখতে যান। ওই সময় তিনি হুইল চেয়ারে বসেছিলেন এবং বাদশাহ তার হাতে চুমু খান। তাদের বোন মাদাবির মৃত্যুর পর সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন সৌদি বাদশাহ।

হাসপাতালে দেখতে যাওয়া স্বজনদের অনেকে বলছেন, সৌদি বাদশাহ সালমানের কাছে তিন ছেলের মুক্তির বিষয়টি তুলতে রাজি নন এই বৃদ্ধ প্রিন্স। তবে বন্ধুদের কাছে এক মাস আগেও এধরনের আটকে প্রতিবাদ জানাতে বলেছিলেন তিনি। হাসপাতালে তাকে দেখতে আসা সৌদ পরিবারদের সদস্যদের ভীড় চোখে পড়ার মত। সংস্কারের জন্যে তিনি ‘রেড প্রিন্স’ হিসেবেও পরিচিত। সৌদি নারীদের অধিকার ও সাংবিধানিক ক্ষমতার পক্ষপাতি হিসেবে তাকে মিসরে একবার নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। ২০০৭ সালে মিসরের আল মিহারওয়ার টেলিভিশনকে এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার পরিবর্তে নির্বাহি ও বিচার বিভাগীয় সমন্বয়ে আমি সবসময় বিশ্বাস করি।