ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী সীমান্তে বিজিবি এখন সাহস ফিরে পেয়েছে: রাশেদ খান জনবান্ধব নয় গরিবের ওপর চাপানো বাজেট:সংসদে রফিকুল ইসলাম খান বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ আটক যেপথে গেছেন শেখ হাসিনা, সেপথে যাবেন তারেক রহমান: মামুনুল হক চাঁদাবাজির সাজা এখন মুচলেকা: সংসদে জামায়াতের টিপ্পনি কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্টুরেন্টে ফেলে যাওয়া শিশু ফিরে পেল পাকিস্তানি পরিবার ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় বদির অনুপস্থিতিতে মাদকের ‘দায়িত্বে’ কে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলেন গয়েশ্বর

৩ ছেলের মুক্তির দাবিতে সৌদি প্রিন্স আলওয়ালিদের পিতার আমরণ অনশন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালালে মুক্তির দাবিতে তার পিতা ৮৬ বছর বয়স্ক প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজ গত ১০ নভেম্বর থেকে অনশন শুরু করেছেন। তিনি হাউজ অব সৌদের একজন প্রথম সারির সংস্কারক হিসেবে সুপরিচিত। প্রিন্স তালাল সহ তার তিন ছেলে বর্তমানে আটক রয়েছেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে ১১ জন প্রিন্স সহ শতাধিক প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে আটক রাখা হয়েছে।

প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজের প্রথম পুত্র প্রিন্স আলওয়ালিদকে গত ৪ নভেম্বর গ্রেফতারের ৬ দিনের মাথায় তিনি অনশণ শুরু করেন। এক মাসে তার ওজন কমেছে ১০ কিলোগ্রাম। গত সপ্তাহে তাকে টিউবে খাওয়ানার চেষ্টা করা হয়। রিয়াদে কিং ফয়সাল হাসপাতালে তাকে অনেকে দেখতে যাচ্ছেন। তাদের একজন জানান, তাকে আমরা খুব ভাল করে জানি। কেন তিনি খাচ্ছেন না এবং এর কোনো স্বাস্থ্যগত কারণও নেই। ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদে আটক ছেলেদের মুক্তির দাবিতেই তিনি অনশন করছেন।

গত নভেম্বর সৌদি বাদশাহ সালমান তার এই চাচাতো ভাইকে দেখতে যান। ওই সময় তিনি হুইল চেয়ারে বসেছিলেন এবং বাদশাহ তার হাতে চুমু খান। তাদের বোন মাদাবির মৃত্যুর পর সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন সৌদি বাদশাহ।

হাসপাতালে দেখতে যাওয়া স্বজনদের অনেকে বলছেন, সৌদি বাদশাহ সালমানের কাছে তিন ছেলের মুক্তির বিষয়টি তুলতে রাজি নন এই বৃদ্ধ প্রিন্স। তবে বন্ধুদের কাছে এক মাস আগেও এধরনের আটকে প্রতিবাদ জানাতে বলেছিলেন তিনি। হাসপাতালে তাকে দেখতে আসা সৌদ পরিবারদের সদস্যদের ভীড় চোখে পড়ার মত। সংস্কারের জন্যে তিনি ‘রেড প্রিন্স’ হিসেবেও পরিচিত। সৌদি নারীদের অধিকার ও সাংবিধানিক ক্ষমতার পক্ষপাতি হিসেবে তাকে মিসরে একবার নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। ২০০৭ সালে মিসরের আল মিহারওয়ার টেলিভিশনকে এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার পরিবর্তে নির্বাহি ও বিচার বিভাগীয় সমন্বয়ে আমি সবসময় বিশ্বাস করি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী

৩ ছেলের মুক্তির দাবিতে সৌদি প্রিন্স আলওয়ালিদের পিতার আমরণ অনশন

আপডেট সময় ০৩:২২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালালে মুক্তির দাবিতে তার পিতা ৮৬ বছর বয়স্ক প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজ গত ১০ নভেম্বর থেকে অনশন শুরু করেছেন। তিনি হাউজ অব সৌদের একজন প্রথম সারির সংস্কারক হিসেবে সুপরিচিত। প্রিন্স তালাল সহ তার তিন ছেলে বর্তমানে আটক রয়েছেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে ১১ জন প্রিন্স সহ শতাধিক প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে আটক রাখা হয়েছে।

প্রিন্স তালাল বিন আব্দুলআজিজের প্রথম পুত্র প্রিন্স আলওয়ালিদকে গত ৪ নভেম্বর গ্রেফতারের ৬ দিনের মাথায় তিনি অনশণ শুরু করেন। এক মাসে তার ওজন কমেছে ১০ কিলোগ্রাম। গত সপ্তাহে তাকে টিউবে খাওয়ানার চেষ্টা করা হয়। রিয়াদে কিং ফয়সাল হাসপাতালে তাকে অনেকে দেখতে যাচ্ছেন। তাদের একজন জানান, তাকে আমরা খুব ভাল করে জানি। কেন তিনি খাচ্ছেন না এবং এর কোনো স্বাস্থ্যগত কারণও নেই। ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদে আটক ছেলেদের মুক্তির দাবিতেই তিনি অনশন করছেন।

গত নভেম্বর সৌদি বাদশাহ সালমান তার এই চাচাতো ভাইকে দেখতে যান। ওই সময় তিনি হুইল চেয়ারে বসেছিলেন এবং বাদশাহ তার হাতে চুমু খান। তাদের বোন মাদাবির মৃত্যুর পর সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন সৌদি বাদশাহ।

হাসপাতালে দেখতে যাওয়া স্বজনদের অনেকে বলছেন, সৌদি বাদশাহ সালমানের কাছে তিন ছেলের মুক্তির বিষয়টি তুলতে রাজি নন এই বৃদ্ধ প্রিন্স। তবে বন্ধুদের কাছে এক মাস আগেও এধরনের আটকে প্রতিবাদ জানাতে বলেছিলেন তিনি। হাসপাতালে তাকে দেখতে আসা সৌদ পরিবারদের সদস্যদের ভীড় চোখে পড়ার মত। সংস্কারের জন্যে তিনি ‘রেড প্রিন্স’ হিসেবেও পরিচিত। সৌদি নারীদের অধিকার ও সাংবিধানিক ক্ষমতার পক্ষপাতি হিসেবে তাকে মিসরে একবার নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। ২০০৭ সালে মিসরের আল মিহারওয়ার টেলিভিশনকে এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার পরিবর্তে নির্বাহি ও বিচার বিভাগীয় সমন্বয়ে আমি সবসময় বিশ্বাস করি।