ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’ মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলে ‘জনতার সংযোগ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: আমান উল্লাহ আমান

মদ্যপানে প্রাণ গেল প্রকৌশলী দুলাভাই শ্যালক ও বন্ধুর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মুগদা থানার মান্ডা এলাকায় অতিরিক্ত মদ্যপানে একে একে মৃত্যু হয়েছে তিন ব্যক্তির। তারা হলেন প্রকৌশলী আবদুর রহমান (৩৫), তার শ্যালক মীর সোহেল (১৮) ও বন্ধু জামাল হোসেন (৩২)। গতকাল বুধবার রাত থেকে আজ বৃস্পতিবার দুপুরের মধ্যে একে একে তাদের মৃত্যু হয়। পুলিশ তাদের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মুগদা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মৃত আবদুর রহমানের ছোট ভাই আবদুর রাজ্জাক দৈনিক আকাশকে বলেন, আবদুর রহমান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী ছিলেন। পাঁচ দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। গতকাল বুধবার রাতে আবদুর রহমান তার মামাতো শ্যালক সোহেলকে দিয়ে মদ আনিয়ে বাসায় তিনজন মদপান করেন। প্রতিটি সাড়ে চার হাজার টাকা দামের তিন বোতল বিদেশি মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তারা।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আবদুর রহমানকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মীর সোহেলকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৭০২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে মারা যান জামাল।

মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায় তিনজনের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান। এ সময়ে তিনি অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তাদের মৃত্যু হয়। ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক ওই তিনজনের শরীর থেকে ভিসেরা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য মহাখালী রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছেন।

প্রকৌশলী আবদুর রহমান বরগুনা জেলার বেতাগী থানার বেতমোড় গ্রামের আবদুল গনির ছেলে। তিনি সপরিবারে মান্ডার কদমআলী ঝিলপাড়ের জার্মানি বিল্ডিংয়ে ভাড়া থাকতেন।

আবদুর রহমানের বন্ধু জামাল হোসেন পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী। শ্যালক মীর সোহেল ও জামাল হোসেন মান্ডার লেক গলিতে বাস করতেন। জামাল হোসেনের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে। আবদুর রহমানের ছোট ভাই আবদুর রাজ্জাক এ ঘটনায় মুগদা থানায় অপমৃত্যু মামলা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন

মদ্যপানে প্রাণ গেল প্রকৌশলী দুলাভাই শ্যালক ও বন্ধুর

আপডেট সময় ০৩:১৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মুগদা থানার মান্ডা এলাকায় অতিরিক্ত মদ্যপানে একে একে মৃত্যু হয়েছে তিন ব্যক্তির। তারা হলেন প্রকৌশলী আবদুর রহমান (৩৫), তার শ্যালক মীর সোহেল (১৮) ও বন্ধু জামাল হোসেন (৩২)। গতকাল বুধবার রাত থেকে আজ বৃস্পতিবার দুপুরের মধ্যে একে একে তাদের মৃত্যু হয়। পুলিশ তাদের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মুগদা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মৃত আবদুর রহমানের ছোট ভাই আবদুর রাজ্জাক দৈনিক আকাশকে বলেন, আবদুর রহমান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী ছিলেন। পাঁচ দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। গতকাল বুধবার রাতে আবদুর রহমান তার মামাতো শ্যালক সোহেলকে দিয়ে মদ আনিয়ে বাসায় তিনজন মদপান করেন। প্রতিটি সাড়ে চার হাজার টাকা দামের তিন বোতল বিদেশি মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তারা।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আবদুর রহমানকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মীর সোহেলকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৭০২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে মারা যান জামাল।

মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায় তিনজনের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান। এ সময়ে তিনি অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তাদের মৃত্যু হয়। ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক ওই তিনজনের শরীর থেকে ভিসেরা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য মহাখালী রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছেন।

প্রকৌশলী আবদুর রহমান বরগুনা জেলার বেতাগী থানার বেতমোড় গ্রামের আবদুল গনির ছেলে। তিনি সপরিবারে মান্ডার কদমআলী ঝিলপাড়ের জার্মানি বিল্ডিংয়ে ভাড়া থাকতেন।

আবদুর রহমানের বন্ধু জামাল হোসেন পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী। শ্যালক মীর সোহেল ও জামাল হোসেন মান্ডার লেক গলিতে বাস করতেন। জামাল হোসেনের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে। আবদুর রহমানের ছোট ভাই আবদুর রাজ্জাক এ ঘটনায় মুগদা থানায় অপমৃত্যু মামলা করেন।