ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘ইভাঙ্কা ট্রাম্প’ ব্র্যান্ডের পোশাক যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের তার নিজের নামে একটি পোশাকের ব্র্যান্ড রয়েছে। আর এ ব্র্যান্ডের কাপড় তৈরি হয় বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশে। ৯৭ শতাংশ কাপড়ই এ দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। বাংলাদেশ থেকে জিন্স জ্যাকেটই বেশি আমদানি করা হয়। গত ১৭ জুলাই ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। রাজনৈতিক কারণ ছাড়াও তার ফ্যাশনকে অনেকে অনুকরণ করেন। তাই ইভাঙ্কা ট্রাম্প ব্র্যান্ডের প্রচলনও বেশ। ২০১৬ সালে পোশাক বিক্রির তালিকায় এ ব্র্যান্ড ছিল এগিয়ে। এ ব্র্যান্ডটি তাদের পোশাক তৈরিতে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করে। বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের মান অনেক ভালো হওয়ায় এখানকার কাপড়ের অনেক চাহিদা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় শ্রমিক ইস্যু নিয়ে নানা কথা থাকলেও এখানকার কাপড় অনেক উন্নত মানের। তাই ইভাঙ্কা ট্রাম্পের ব্র্যান্ড ছাড়া অন্য নামিদামি ব্র্যান্ডগুলোও বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করে। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ‘হায়ার অ্যামেরিকান’ ও ‘মেইড ইন অ্যামেরিকা’ নামের ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিদেশ থেকে পণ্য উত্পাদন করে দেশে বিক্রি করার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এর মধ্যেও ইভাঙ্কা ট্রাম্প ব্র্যান্ডের পোশাক বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা হয়। পোশাকের মান ধরে রাখার জন্য তারা বাংলাদেশ থেকে পোশাক নিচ্ছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৫২০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫৬২ কোটি ডলার। অর্থাত্ গেল অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ৫২৯ কোটি ডলার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘ইভাঙ্কা ট্রাম্প’ ব্র্যান্ডের পোশাক যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে

আপডেট সময় ১১:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের তার নিজের নামে একটি পোশাকের ব্র্যান্ড রয়েছে। আর এ ব্র্যান্ডের কাপড় তৈরি হয় বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশে। ৯৭ শতাংশ কাপড়ই এ দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। বাংলাদেশ থেকে জিন্স জ্যাকেটই বেশি আমদানি করা হয়। গত ১৭ জুলাই ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। রাজনৈতিক কারণ ছাড়াও তার ফ্যাশনকে অনেকে অনুকরণ করেন। তাই ইভাঙ্কা ট্রাম্প ব্র্যান্ডের প্রচলনও বেশ। ২০১৬ সালে পোশাক বিক্রির তালিকায় এ ব্র্যান্ড ছিল এগিয়ে। এ ব্র্যান্ডটি তাদের পোশাক তৈরিতে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করে। বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের মান অনেক ভালো হওয়ায় এখানকার কাপড়ের অনেক চাহিদা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় শ্রমিক ইস্যু নিয়ে নানা কথা থাকলেও এখানকার কাপড় অনেক উন্নত মানের। তাই ইভাঙ্কা ট্রাম্পের ব্র্যান্ড ছাড়া অন্য নামিদামি ব্র্যান্ডগুলোও বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করে। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ‘হায়ার অ্যামেরিকান’ ও ‘মেইড ইন অ্যামেরিকা’ নামের ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিদেশ থেকে পণ্য উত্পাদন করে দেশে বিক্রি করার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এর মধ্যেও ইভাঙ্কা ট্রাম্প ব্র্যান্ডের পোশাক বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা হয়। পোশাকের মান ধরে রাখার জন্য তারা বাংলাদেশ থেকে পোশাক নিচ্ছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৫২০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫৬২ কোটি ডলার। অর্থাত্ গেল অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ৫২৯ কোটি ডলার।