ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিল্লি জামে মসজিদ ছিল যমুনা দেবির মন্দির, দাবি বিজেপি নেতার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার দুর্নাম আজকের নয়। উত্তর প্রদেশের রাজ্যসভার সদস্য বিনয় উত্তপ্ত ও ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্যের জন্য পরিচিত। সম্প্রতি, দিল্লি জামে মসজিদের স্থানে আগে যমুনা দেবির মন্দির ছিল এমন মন্তব্য করে তিনি যেন ভিমরুলের চাকেই ঢিল মারলেন।

কাটিয়ার দাবি, ভারতে প্রায় ৬ হাজার স্থান আছে যেগুলো মোঘল শাসকদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। দিল্লি জামে মসজিদ মূলত যমুনা দেবির মন্দির ছিল, তাজমহল যেমন ছিল তেজো মহালয়া। ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এই দাবি করেন বিনয়।

এর আগেও ভারতের বেশ কিছু আইনপ্রণেতা মুসলমানদের জন্য তাৎপর্যপূণ স্থাপনায় আগে হিন্দুদের পবিত্র স্থাপনা ছিল এমন মন্তব্য করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়েছিলেন।

বিনয় কাটিয়ার সর্বশেষ মন্তব্য যেন সে পালে হাওয়া দিয়েছে। বিশেষ করে বাবরি মসজিদ ধ্বংসযজ্ঞের ২৫ বছর পূর্তির পরদিনই এমন মন্তব্য নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমেও সমালোচনা হয়েছে।

ভারতের রাজনীতিবিদদের একটি অংশ মুসলিম শাসকদের দ্বারা হিন্দুরা লুণ্ঠনের শিকার হয়েছিল দাবি করে, দখলকৃত বিভিন্ন স্থাপনা উদ্ধারের কথা বলে আসছে। বিনয়ে মন্তব্য এর সবশেষ সংযোজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লি জামে মসজিদ ছিল যমুনা দেবির মন্দির, দাবি বিজেপি নেতার

আপডেট সময় ০৪:১২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার দুর্নাম আজকের নয়। উত্তর প্রদেশের রাজ্যসভার সদস্য বিনয় উত্তপ্ত ও ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্যের জন্য পরিচিত। সম্প্রতি, দিল্লি জামে মসজিদের স্থানে আগে যমুনা দেবির মন্দির ছিল এমন মন্তব্য করে তিনি যেন ভিমরুলের চাকেই ঢিল মারলেন।

কাটিয়ার দাবি, ভারতে প্রায় ৬ হাজার স্থান আছে যেগুলো মোঘল শাসকদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। দিল্লি জামে মসজিদ মূলত যমুনা দেবির মন্দির ছিল, তাজমহল যেমন ছিল তেজো মহালয়া। ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এই দাবি করেন বিনয়।

এর আগেও ভারতের বেশ কিছু আইনপ্রণেতা মুসলমানদের জন্য তাৎপর্যপূণ স্থাপনায় আগে হিন্দুদের পবিত্র স্থাপনা ছিল এমন মন্তব্য করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়েছিলেন।

বিনয় কাটিয়ার সর্বশেষ মন্তব্য যেন সে পালে হাওয়া দিয়েছে। বিশেষ করে বাবরি মসজিদ ধ্বংসযজ্ঞের ২৫ বছর পূর্তির পরদিনই এমন মন্তব্য নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমেও সমালোচনা হয়েছে।

ভারতের রাজনীতিবিদদের একটি অংশ মুসলিম শাসকদের দ্বারা হিন্দুরা লুণ্ঠনের শিকার হয়েছিল দাবি করে, দখলকৃত বিভিন্ন স্থাপনা উদ্ধারের কথা বলে আসছে। বিনয়ে মন্তব্য এর সবশেষ সংযোজন।