ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আয়শার মতোই ধুঁকছে ‘টারজান’!

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

হলিউড কিংবা বলিউড সব জায়গাতেই সিনেমাতে নানা রকমের উন্নত প্রযুক্তির গাড়ি, কার, ফ্যাশনেবল ভেহিকল বা যানবাহন ব্যবহার করা হয়। এমনকি সিনেমায় অনেক সময় এমন কিছু যানবাহন ব্যবহার করা হয় যেগুলোর অস্তিত্ব বাস্তবে নেই। কিন্তু সব সিনেমায় এমনটা হয় না। কিছু কিছু ছবিতে বাস্তবের সঙ্গে মিল রেখে হ্যালফ্যাশনের গাড়ি ব্যবহার করা হয়। এমনই একটা গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল বলিউডে। গাড়ির নামের সঙ্গে মিল রেখে ছবির নামকরণ করা হয়েছিল ‘টারজান: দ্য ওয়ান্ডার কার’।

এই ছবি স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি ছিল একটি সুপার কার। যার জন্মস্থান জার্মানিতে। গাড়ি কেন্দ্রীক ওই ছবিতে অভিনয় করেন অজয় দেবগন, আয়শা টাকিয়া এবং বৎসল শেঠ। এ ছাড়াও ছিলেন ফরিদা জালাল, শক্তি কপূর, অমরিশ পুরির মতো কলাকুশলীরা।

কিন্তু গল্পের দিক থেকে যত ‘ইউনিক’ই হোক না কেন সেই সিনেমা, বক্স অফিসে যে তেমন কোনও ভেলকি দেখাতে পারেনি তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু যে ঝাঁ চকচকে, ধামাকদার গাড়িটি নিয়ে এত কিছু, এত হৈচৈ, সেটির অবস্থা এখন কেমন?

সম্প্রতি বিক্রম নামের একজন ফেসবুক ইউজার এই গাড়িটির সন্ধান পেয়েছেন। সিনেমায় যে গাড়িটি দেখানো হয়েছিল এটায় হলো সেই গাড়িটি। গাড়িটি এখন মুম্বাইয়ের একটি গ্যারেজ ধুঁকছে। বেগুনি রঙের এই গাড়িটির রঙ উঠে এখন ধুসর। ছবির নায়ক-নায়িকা আয়েশা টাকিয়ার ক্যারিয়ারের মতোই দশা ‘টারজান’-এর। এটি এখন আর ব্যবহৃত হয় না। ধুলোজমে ইঞ্জিন প্রায় বিকল।

বলা হচ্ছে যে, সিনেমার ফ্লপের কারণে, আজ পর্যন্ত বাজারে এই গাড়িটি লঞ্চ করা হয়েনি। সিনেমার ব্যর্থতার কারণে এখন গাড়িটি আবর্জনায় পড়ে রয়েছে। এই গাড়ি তুলনা করা হতো ২০০৪ এর মিত্সুবিশি Eclipse এবং ফেরার ৩৪৮ সাথে।

জানা যায়, এই গাড়ি বিখ্যাত ডিজাইনার দিলীপ ছাবড়িয়া ডিজাইন করেছিলেন এবং এটি সম্পূর্ণ করার জন্য মোট আট মাস লেগেছিল। সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর গাড়ি বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন এই গাড়িটির মূল্য ছিল ২ কোটি টাকা। কিন্তু তখন কোনও ক্রেতা পাওয়া যায়নি। ২০০৬ সালে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু তাও সম্ভব হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আয়শার মতোই ধুঁকছে ‘টারজান’!

আপডেট সময় ১০:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

হলিউড কিংবা বলিউড সব জায়গাতেই সিনেমাতে নানা রকমের উন্নত প্রযুক্তির গাড়ি, কার, ফ্যাশনেবল ভেহিকল বা যানবাহন ব্যবহার করা হয়। এমনকি সিনেমায় অনেক সময় এমন কিছু যানবাহন ব্যবহার করা হয় যেগুলোর অস্তিত্ব বাস্তবে নেই। কিন্তু সব সিনেমায় এমনটা হয় না। কিছু কিছু ছবিতে বাস্তবের সঙ্গে মিল রেখে হ্যালফ্যাশনের গাড়ি ব্যবহার করা হয়। এমনই একটা গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল বলিউডে। গাড়ির নামের সঙ্গে মিল রেখে ছবির নামকরণ করা হয়েছিল ‘টারজান: দ্য ওয়ান্ডার কার’।

এই ছবি স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি ছিল একটি সুপার কার। যার জন্মস্থান জার্মানিতে। গাড়ি কেন্দ্রীক ওই ছবিতে অভিনয় করেন অজয় দেবগন, আয়শা টাকিয়া এবং বৎসল শেঠ। এ ছাড়াও ছিলেন ফরিদা জালাল, শক্তি কপূর, অমরিশ পুরির মতো কলাকুশলীরা।

কিন্তু গল্পের দিক থেকে যত ‘ইউনিক’ই হোক না কেন সেই সিনেমা, বক্স অফিসে যে তেমন কোনও ভেলকি দেখাতে পারেনি তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু যে ঝাঁ চকচকে, ধামাকদার গাড়িটি নিয়ে এত কিছু, এত হৈচৈ, সেটির অবস্থা এখন কেমন?

সম্প্রতি বিক্রম নামের একজন ফেসবুক ইউজার এই গাড়িটির সন্ধান পেয়েছেন। সিনেমায় যে গাড়িটি দেখানো হয়েছিল এটায় হলো সেই গাড়িটি। গাড়িটি এখন মুম্বাইয়ের একটি গ্যারেজ ধুঁকছে। বেগুনি রঙের এই গাড়িটির রঙ উঠে এখন ধুসর। ছবির নায়ক-নায়িকা আয়েশা টাকিয়ার ক্যারিয়ারের মতোই দশা ‘টারজান’-এর। এটি এখন আর ব্যবহৃত হয় না। ধুলোজমে ইঞ্জিন প্রায় বিকল।

বলা হচ্ছে যে, সিনেমার ফ্লপের কারণে, আজ পর্যন্ত বাজারে এই গাড়িটি লঞ্চ করা হয়েনি। সিনেমার ব্যর্থতার কারণে এখন গাড়িটি আবর্জনায় পড়ে রয়েছে। এই গাড়ি তুলনা করা হতো ২০০৪ এর মিত্সুবিশি Eclipse এবং ফেরার ৩৪৮ সাথে।

জানা যায়, এই গাড়ি বিখ্যাত ডিজাইনার দিলীপ ছাবড়িয়া ডিজাইন করেছিলেন এবং এটি সম্পূর্ণ করার জন্য মোট আট মাস লেগেছিল। সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর গাড়ি বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন এই গাড়িটির মূল্য ছিল ২ কোটি টাকা। কিন্তু তখন কোনও ক্রেতা পাওয়া যায়নি। ২০০৬ সালে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু তাও সম্ভব হয়নি।