ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

প্রতিটি দেশের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। রবিবার ভারতের কলকাতার ওয়েস্টিন হোটেলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সহায়তায় হোরাসিসের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কনফারেন্স হোরাসিস এশিয়া মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এ সময় বাংলাদেশে ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ এ বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। মধ্যমআয়ের দেশ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্ন মধ্যমআয়ের দেশে প্রবেশ করেছে। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমআয়ের দেশে প্রবেশ করবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক বেশি। নন ট্যারিফ ও প্যারা ট্যারিফ সংক্রান্ত শুল্ক জটিলতার জন্য ভারতে বাংলাদেশের পণ্য আশানুরূপ রপ্তানি হচ্ছে না। বাণিজ্য বাধাসমূহ দূর করা হলে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

তোফায়েল বলেন, প্রত্যেকটি দেশের জন্য আলাদা করে ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশের বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিনিয়োগকারীর জন্য বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছে। বিনিয়োগকারীরা এখন শতভাগ বিনিয়োগ করতে পারেন এবং যেকোনো সময় লাভসহ বিনিয়োগকৃত অর্থ ফিরিয়ে নিতে পারবেন। সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান হোরায়েসিসর সভাপতি ফ্রাঙ্ক জুগার রিচারের পরিচালনায় বিশ্বের কয়েকশত বিনিয়োগকারীর উপস্থিতিতে মিটিংয়ে আরও বক্তব্য দেন মিয়ানমারের মান্ডালে অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী জ মিন মং ও ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি শ্বাশত গনিকা।

একই দিন সকালে তোফায়েল আহমেদ মৌলানা আজাদ কলেজ (পূর্বতন ইসলামিয়া কলেজ) ’র বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষ পরিদর্শন করেন। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৩-৪৭ সালে অবস্থান করছিলেন। পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধান কার্যালয়, ৮ থিয়েটার রোড, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মকাণ্ডের স্থান ৫৭/৮ বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড এবং মুক্তিযুদ্ধকালে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ (তোফায়েল আহমেদসহ) অবস্থানের ঠিকানা ২২, ভবানীপুরে সানি ভিলা পরিদর্শন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিটি দেশের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। রবিবার ভারতের কলকাতার ওয়েস্টিন হোটেলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সহায়তায় হোরাসিসের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কনফারেন্স হোরাসিস এশিয়া মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এ সময় বাংলাদেশে ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ এ বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। মধ্যমআয়ের দেশ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্ন মধ্যমআয়ের দেশে প্রবেশ করেছে। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমআয়ের দেশে প্রবেশ করবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক বেশি। নন ট্যারিফ ও প্যারা ট্যারিফ সংক্রান্ত শুল্ক জটিলতার জন্য ভারতে বাংলাদেশের পণ্য আশানুরূপ রপ্তানি হচ্ছে না। বাণিজ্য বাধাসমূহ দূর করা হলে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

তোফায়েল বলেন, প্রত্যেকটি দেশের জন্য আলাদা করে ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশের বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিনিয়োগকারীর জন্য বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছে। বিনিয়োগকারীরা এখন শতভাগ বিনিয়োগ করতে পারেন এবং যেকোনো সময় লাভসহ বিনিয়োগকৃত অর্থ ফিরিয়ে নিতে পারবেন। সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান হোরায়েসিসর সভাপতি ফ্রাঙ্ক জুগার রিচারের পরিচালনায় বিশ্বের কয়েকশত বিনিয়োগকারীর উপস্থিতিতে মিটিংয়ে আরও বক্তব্য দেন মিয়ানমারের মান্ডালে অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী জ মিন মং ও ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি শ্বাশত গনিকা।

একই দিন সকালে তোফায়েল আহমেদ মৌলানা আজাদ কলেজ (পূর্বতন ইসলামিয়া কলেজ) ’র বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষ পরিদর্শন করেন। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৩-৪৭ সালে অবস্থান করছিলেন। পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধান কার্যালয়, ৮ থিয়েটার রোড, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মকাণ্ডের স্থান ৫৭/৮ বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড এবং মুক্তিযুদ্ধকালে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ (তোফায়েল আহমেদসহ) অবস্থানের ঠিকানা ২২, ভবানীপুরে সানি ভিলা পরিদর্শন করেন।