ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৪ আমরা চাই না শিক্ষার মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকুক: শিক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সাড়ে ৩ মাসে বিপিসির লোকসান ১৭ হাজার কোটি টাকা : জ্বালানিমন্ত্রী অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ৩৫ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ দুই মামলায় সাবেক এমপি মমতাজের জামিন স্থগিত ১৬ দিনে ৪ দফা ‘পুশ-ইন’ চেষ্টা: ৬৪ জনকে ফেরত পাঠাল বিজিবি শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস ক্যালকুলেটরে হিসাব কষে ১৫ শতাংশ ঘুষ নিলেন পিআইও, ভিডিও ভাইরাল আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ

ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত।

আজ সোমবার বিকেলে দেশের সবচেয়ে আলোচিত এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও আপিলের রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া চারজনকে খালাস দেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে এঁদের মধ্যে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

আজ দিনের প্রথম অংশে রায়ের পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন নিজেদের সাতটি সুপারিশ। এরপর বিরতি শুরু হয়।

বিকেলে বিরতি শেষে আবার শুরু হয় আদালতের কার্যক্রম। এতে নিম্ন আদালতে দেওয়া রায়ের একটি অংশে ১৮২ জনকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৪

ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

আপডেট সময় ০৫:১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত।

আজ সোমবার বিকেলে দেশের সবচেয়ে আলোচিত এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও আপিলের রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া চারজনকে খালাস দেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে এঁদের মধ্যে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

আজ দিনের প্রথম অংশে রায়ের পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন নিজেদের সাতটি সুপারিশ। এরপর বিরতি শুরু হয়।

বিকেলে বিরতি শেষে আবার শুরু হয় আদালতের কার্যক্রম। এতে নিম্ন আদালতে দেওয়া রায়ের একটি অংশে ১৮২ জনকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।