ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত আদ্-দ্বীনে সেবা বন্ধ: ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার রোধে উদ্যোগ জরুরি: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা পুশইন ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হলেন ড. মজিবুল হক সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান

জ্বালানি খাতে ৫৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ দরকার: নসরুল হামিদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০৪০ সালের মধ্যে দেশের জ্বালানি খাতে ৫৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ দরকার বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রবিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী দূত সম্মেলনের প্রথম দিনের শেষ সেশন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ৪০ সালের মধ্যে প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলার লাগবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎক্ষেত্রে। এ খাতে বর্তমান ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে আমরা ইতোমধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলারের মতো ইনভেস্টমেন্ট ও ডেট হিসেবে পেয়েছি। ২০৪০ সালের মধ্যে এই ৫৩ বিলিয়ন ডলার যদি আনতে হয় বাংলাদেশ কীভাবে ব্র্যান্ডেড হবে সারাবিশ্বের কাছে সে বিষয়গুলো নিয়ে রাষ্ট্রদূত ও অ্যাম্বাসেডরদের সাথে আলোচনা হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত নিয়ে রাষ্ট্রদূতদের সাথে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করেছেন, আমাদের ক্যাপাসিটি ইনভেস্টমেন্টে এবং আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্ষেত্রের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের যে রাষ্ট্রদূতরা আছেন বিভিন্ন দেশে, তারা পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জির সাথে কীভাবে ইনভলবমেন্ট হতে পারে। আমাদের এখানে কী অফরচুনিটি তৈরি হয়েছে ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে, কত বড় হতে যাচ্ছে সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। আরও বেশি কীভাবে ইন্টারঅ্যাকটিভ হতে পারি সেটাও আলোচনা হয়েছে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের যে মিশনগুলো আছে, বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৪০ এর মধ্যে পাওয়ার অফ এনার্জি কীভাবে কাজ করবে সেটা ফোকাস করেছি। খুব ফ্রুটফুল আলোচনা হয়েছে।’

এর আগে, সকালে তিন দিনব্যাপী এ দূত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কূটনীতিকদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আপনারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। সেখানে বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষা করে, দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। কীভাবে দেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানো যায় তাও দেখতে হবে।’

তিন দিনের এই সম্মেলনের প্রথম দিনে বিভিন্ন সেশনে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ সম্মেলনে ৫৮ দেশে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আবাসিক প্রতিনিধিরা বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত

জ্বালানি খাতে ৫৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ দরকার: নসরুল হামিদ

আপডেট সময় ১২:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০৪০ সালের মধ্যে দেশের জ্বালানি খাতে ৫৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ দরকার বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রবিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী দূত সম্মেলনের প্রথম দিনের শেষ সেশন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ৪০ সালের মধ্যে প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলার লাগবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎক্ষেত্রে। এ খাতে বর্তমান ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে আমরা ইতোমধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলারের মতো ইনভেস্টমেন্ট ও ডেট হিসেবে পেয়েছি। ২০৪০ সালের মধ্যে এই ৫৩ বিলিয়ন ডলার যদি আনতে হয় বাংলাদেশ কীভাবে ব্র্যান্ডেড হবে সারাবিশ্বের কাছে সে বিষয়গুলো নিয়ে রাষ্ট্রদূত ও অ্যাম্বাসেডরদের সাথে আলোচনা হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত নিয়ে রাষ্ট্রদূতদের সাথে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করেছেন, আমাদের ক্যাপাসিটি ইনভেস্টমেন্টে এবং আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্ষেত্রের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের যে রাষ্ট্রদূতরা আছেন বিভিন্ন দেশে, তারা পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জির সাথে কীভাবে ইনভলবমেন্ট হতে পারে। আমাদের এখানে কী অফরচুনিটি তৈরি হয়েছে ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে, কত বড় হতে যাচ্ছে সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। আরও বেশি কীভাবে ইন্টারঅ্যাকটিভ হতে পারি সেটাও আলোচনা হয়েছে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের যে মিশনগুলো আছে, বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৪০ এর মধ্যে পাওয়ার অফ এনার্জি কীভাবে কাজ করবে সেটা ফোকাস করেছি। খুব ফ্রুটফুল আলোচনা হয়েছে।’

এর আগে, সকালে তিন দিনব্যাপী এ দূত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কূটনীতিকদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আপনারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। সেখানে বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষা করে, দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। কীভাবে দেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানো যায় তাও দেখতে হবে।’

তিন দিনের এই সম্মেলনের প্রথম দিনে বিভিন্ন সেশনে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ সম্মেলনে ৫৮ দেশে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আবাসিক প্রতিনিধিরা বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।