ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পৃথিবী চ্যাপ্টা প্রমাণে নিজের রকেটে উড়বেন মাইক

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

তার অভিযোগ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও মহাকাশচারীরা নাকি চক্রান্ত করে যুগ যুগ ধরে মানুষকে বোকা বানিয়ে আসছেন এই বলে যে পৃথিবী গোল! আসলে পৃথিবী গোল নয়, চ্যাপ্টা- এটি প্রমাণ করতে নিজের বানানো রকেটে কাল উড়াল দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্বঘোষিত বিজ্ঞানী মাইক হিউজ।

একষট্টি বছরের এই লিমোচালক রকেট পেলেন কোথায়? মাইক জানান, নিজের গ্যারেজে ছাঁট লোহা দিয়ে তিনিই বানিয়েছেন বাষ্পচালিত রকেট। এটা তার ‘ফ্ল্যাট আর্থ স্পেস প্রোগ্রাম’-এর প্রথম দফা।

তার ‘ফ্ল্যাট আর্থ স্পেস প্রোগ্রাম’-এর অর্থ সংগ্রহের একটি ভিডিওতে মাইক বলেন ‘আমি বিজ্ঞানে বিশ্বাস করি না। আমার এই প্রয়াস গোল পৃথিবীর তত্ত্বটাকে একেবারে গুঁড়িয়ে দেবে চিরকালের জন্য ।’

কীভাবে পৃথিবীকে চ্যাপ্টা প্রমাণ করবেন সে সম্পর্কে মাইক বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার ‘ভূতুড়ে’ শহর অ্যামবয় থেকে কাল নিজের তৈরি রকেটে চেপে উড়ল দেবেন তিনি। রকেট উৎক্ষেপণের আগে কাল সকালেই বড় একটি স্টিলের ট্যাঙ্কে প্রায় ৭০ গ্যালন জল গরম করবেন। এর পর বাষ্পের চাপকে কাজে লাগিয়ে ছিটকে উঠবেন তিনি। মাইল খানেক উড়ে খুলবেন দুটি প্যারাস্যুট।

স্থানীয় সময় দুপুর দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে এই গোটা ঘটনা মাইকের ইউটিউব চ্যানেলে লাইভ দেখানো হবে। মাইকের ধারণা, ক্যামেরায় দেখা যাবে, মোজাভে মরুভূমির ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার বেগে উড়ে যাচ্ছেন তিনি। উদ্দেশ্য, ১০ মাইল উচ্চতায় ওঠা, যাতে নাকি প্রমাণ হয়ে যাবে যে, পৃথিবীটা আকারে একটা চাকতির মতো।

উড়ান কাল। মাইকের এখন তাই দম ফেলার সময় নেই। রকেটের সব ঠিকঠাক আছে কি না, দিনভর সেই সব দেখাশোনা করেছেন। পুষ্যি চারটে বিড়ালের জন্য জমিয়ে রেখেছেন পর্যাপ্ত খাবারদাবার।

মাইক কেন এমন কাণ্ডে মেতেছেন? জবাবে বললেন, ‘কেউই তো চিরকাল বাঁচব না। তাই অসাধারণ কিছু করতে চাই, যা অন্য কেউ করতে পারবে না। একজন নিজেই নকশা ও রকেট বানিয়ে নিজেকেই উৎক্ষেপণ করছেন, এমন ঘটনা তো মানবজাতির ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি!’

বিজ্ঞানে বিশ্বাস করেন না, মহাকাশ ও উৎক্ষেপণ নিয়ে কোনো প্রশিক্ষণ না নেই- কীভাবে বানালেন রকেট?

মাইকের বক্তব্য, ‘বায়ুগতিবিজ্ঞান ও তরলগতিবিজ্ঞান সম্বন্ধে আমার জানা রয়েছে। হাওয়া দিয়ে কোনো জিনিস কীভাবে এক জায়গা থেকে অন্যত্র যাবে, সেই বিষয়ে ধারণাও রয়েছে। আর রকেটের মুখের মাপও আমি জানি। এগুলোর কোনোটাই বিজ্ঞান নয়। শুধু একটা সূত্র মাত্র!’

মাইকের পরের লক্ষ্য, ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর হওয়া!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পৃথিবী চ্যাপ্টা প্রমাণে নিজের রকেটে উড়বেন মাইক

আপডেট সময় ১২:৫০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

তার অভিযোগ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও মহাকাশচারীরা নাকি চক্রান্ত করে যুগ যুগ ধরে মানুষকে বোকা বানিয়ে আসছেন এই বলে যে পৃথিবী গোল! আসলে পৃথিবী গোল নয়, চ্যাপ্টা- এটি প্রমাণ করতে নিজের বানানো রকেটে কাল উড়াল দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্বঘোষিত বিজ্ঞানী মাইক হিউজ।

একষট্টি বছরের এই লিমোচালক রকেট পেলেন কোথায়? মাইক জানান, নিজের গ্যারেজে ছাঁট লোহা দিয়ে তিনিই বানিয়েছেন বাষ্পচালিত রকেট। এটা তার ‘ফ্ল্যাট আর্থ স্পেস প্রোগ্রাম’-এর প্রথম দফা।

তার ‘ফ্ল্যাট আর্থ স্পেস প্রোগ্রাম’-এর অর্থ সংগ্রহের একটি ভিডিওতে মাইক বলেন ‘আমি বিজ্ঞানে বিশ্বাস করি না। আমার এই প্রয়াস গোল পৃথিবীর তত্ত্বটাকে একেবারে গুঁড়িয়ে দেবে চিরকালের জন্য ।’

কীভাবে পৃথিবীকে চ্যাপ্টা প্রমাণ করবেন সে সম্পর্কে মাইক বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার ‘ভূতুড়ে’ শহর অ্যামবয় থেকে কাল নিজের তৈরি রকেটে চেপে উড়ল দেবেন তিনি। রকেট উৎক্ষেপণের আগে কাল সকালেই বড় একটি স্টিলের ট্যাঙ্কে প্রায় ৭০ গ্যালন জল গরম করবেন। এর পর বাষ্পের চাপকে কাজে লাগিয়ে ছিটকে উঠবেন তিনি। মাইল খানেক উড়ে খুলবেন দুটি প্যারাস্যুট।

স্থানীয় সময় দুপুর দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে এই গোটা ঘটনা মাইকের ইউটিউব চ্যানেলে লাইভ দেখানো হবে। মাইকের ধারণা, ক্যামেরায় দেখা যাবে, মোজাভে মরুভূমির ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার বেগে উড়ে যাচ্ছেন তিনি। উদ্দেশ্য, ১০ মাইল উচ্চতায় ওঠা, যাতে নাকি প্রমাণ হয়ে যাবে যে, পৃথিবীটা আকারে একটা চাকতির মতো।

উড়ান কাল। মাইকের এখন তাই দম ফেলার সময় নেই। রকেটের সব ঠিকঠাক আছে কি না, দিনভর সেই সব দেখাশোনা করেছেন। পুষ্যি চারটে বিড়ালের জন্য জমিয়ে রেখেছেন পর্যাপ্ত খাবারদাবার।

মাইক কেন এমন কাণ্ডে মেতেছেন? জবাবে বললেন, ‘কেউই তো চিরকাল বাঁচব না। তাই অসাধারণ কিছু করতে চাই, যা অন্য কেউ করতে পারবে না। একজন নিজেই নকশা ও রকেট বানিয়ে নিজেকেই উৎক্ষেপণ করছেন, এমন ঘটনা তো মানবজাতির ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি!’

বিজ্ঞানে বিশ্বাস করেন না, মহাকাশ ও উৎক্ষেপণ নিয়ে কোনো প্রশিক্ষণ না নেই- কীভাবে বানালেন রকেট?

মাইকের বক্তব্য, ‘বায়ুগতিবিজ্ঞান ও তরলগতিবিজ্ঞান সম্বন্ধে আমার জানা রয়েছে। হাওয়া দিয়ে কোনো জিনিস কীভাবে এক জায়গা থেকে অন্যত্র যাবে, সেই বিষয়ে ধারণাও রয়েছে। আর রকেটের মুখের মাপও আমি জানি। এগুলোর কোনোটাই বিজ্ঞান নয়। শুধু একটা সূত্র মাত্র!’

মাইকের পরের লক্ষ্য, ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর হওয়া!