ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

মওদুদকে সংসদে তুলোধুনো করলেন প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘সরকারকে টেনে নামানো হবে’ বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সব দল করা আলোচিত এই নেতার রাজনৈতিক চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের ১৮তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মওদুদের এই সমালোচনা করেন।

গত সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দুটি পথ আছে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়ার। একটা হলো সম্মানজনকভাবে বিদায় নেয়া। আরেকটি হলো একেবারে অপমানিত-লাঞ্ছিত এবং একেবারে অসম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করা বা সরকার থেকে চলে যাওয়া। প্রধানমন্ত্রীকে এখন পছন্দ করতে হবে, কোনটা উনি চান। যদি উনি সম্মানের সঙ্গে যেতে চান, তাহলে সমঝোতায় আসতে হবে।’

মওদুদ আহমদের নাম উচ্চারণ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন চিৎকার করে বেড়াচ্ছেন আমাদের সরকারকে নাকি টেনে নামাবেন। তার চরিত্রটা কী? ছাত্রজীবনে একটি দল করতেন। পরে গেলেন ব্যারিস্টারি পড়তে। সেখান থেকে ফিরে এলেন। এরপর আমাদের বাসায় পড়ে থাকতেন। কেউ পাত্তা দিতো না। বঙ্গবন্ধুর পিএ ছিলেন হানিফ, আর হানিফের পিএ ছিলেন তিনি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর তিনি গেলেন বিএনপিতে। পরে এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় এলে তিনি গেলেন জাতীয় পার্টিতে। সে ছিল সাজাপ্রাপ্ত। এরশাদ সাহেব ক্ষমা করে দিলেন। যখনই যে দলে ক্ষমতায় গেছে তিনি মন্ত্রী।’

মওদুদের রাজনৈতিক ‘ডিগবাজি’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে ছেড়ে গেলেন এরশাদের কাছে। এরশাদ ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর আবার এলেন বিএনপিতে। যেখানেই গেছেন মন্ত্রী হয়েছেন।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মওদুদ আহমদ গুলশান বাড়ি নিয়ে চিটিং করেছেন বলেও অভিযোগ তুলেন। তিনি বলেন, ‘তাকে শেষ পর্যন্ত অবৈধ দখলে থাকা বাড়িটি ছাড়তেই হলো।’

খালেদা জিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনার নেত্রী তো এমনিতেই পড়ে আছে। তিনি আবার টেনে নামাবেন কীভাবে?’ এ সময় বিগত আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

মওদুদকে সংসদে তুলোধুনো করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘সরকারকে টেনে নামানো হবে’ বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সব দল করা আলোচিত এই নেতার রাজনৈতিক চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের ১৮তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মওদুদের এই সমালোচনা করেন।

গত সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দুটি পথ আছে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়ার। একটা হলো সম্মানজনকভাবে বিদায় নেয়া। আরেকটি হলো একেবারে অপমানিত-লাঞ্ছিত এবং একেবারে অসম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করা বা সরকার থেকে চলে যাওয়া। প্রধানমন্ত্রীকে এখন পছন্দ করতে হবে, কোনটা উনি চান। যদি উনি সম্মানের সঙ্গে যেতে চান, তাহলে সমঝোতায় আসতে হবে।’

মওদুদ আহমদের নাম উচ্চারণ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন চিৎকার করে বেড়াচ্ছেন আমাদের সরকারকে নাকি টেনে নামাবেন। তার চরিত্রটা কী? ছাত্রজীবনে একটি দল করতেন। পরে গেলেন ব্যারিস্টারি পড়তে। সেখান থেকে ফিরে এলেন। এরপর আমাদের বাসায় পড়ে থাকতেন। কেউ পাত্তা দিতো না। বঙ্গবন্ধুর পিএ ছিলেন হানিফ, আর হানিফের পিএ ছিলেন তিনি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর তিনি গেলেন বিএনপিতে। পরে এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় এলে তিনি গেলেন জাতীয় পার্টিতে। সে ছিল সাজাপ্রাপ্ত। এরশাদ সাহেব ক্ষমা করে দিলেন। যখনই যে দলে ক্ষমতায় গেছে তিনি মন্ত্রী।’

মওদুদের রাজনৈতিক ‘ডিগবাজি’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে ছেড়ে গেলেন এরশাদের কাছে। এরশাদ ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর আবার এলেন বিএনপিতে। যেখানেই গেছেন মন্ত্রী হয়েছেন।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মওদুদ আহমদ গুলশান বাড়ি নিয়ে চিটিং করেছেন বলেও অভিযোগ তুলেন। তিনি বলেন, ‘তাকে শেষ পর্যন্ত অবৈধ দখলে থাকা বাড়িটি ছাড়তেই হলো।’

খালেদা জিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনার নেত্রী তো এমনিতেই পড়ে আছে। তিনি আবার টেনে নামাবেন কীভাবে?’ এ সময় বিগত আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।