ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

প্রধানমন্ত্রী দিনরাত পরিশ্রম করছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতাই নন, তিনি হচ্ছেন বিশ্বনন্দিত নেতা। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি সময় মতো আদায় করেন। ফজরের নামাজ পড়ে কোরআন তিলাওয়াত করে তিনি ঘর থেকে বের হন। তিনি একজন ধর্মভীরু মুসলমান। তিনি নিজের ধর্ম নিজে পালন করেন এবং অন্যের ধর্মকেও তিনি শ্রদ্ধা করেন। তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করেন বলেই এটা করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভায় নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে সেনাবাহিনী যখন গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছিলো, গণহত্যা চালাচ্ছিলো। শত শত মানুষ যখন নাফ নদীতে ভেসে রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিলো, আমরা প্রথমে তাদের ঢুকতে দেইনি। তখন আমাদের বর্ডার গার্ড, পুলিশ নিয়ে আমরা দাঁড়িয়েছিলাম যে প্রধানমন্ত্রী কি বলেন। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন, এদের আসতে দাও, এদের বাঁচতে দাও। প্রধানমন্ত্রী শুধু রোহিঙ্গাদের এনেই বসে থাকেননি। তিনি কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছুটে গেলেন তাদের কাছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম আপনি যেখানে যাবেন তার পাশে মিয়ানমার সেনাবাহিনী গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে, মর্টার শেল নিক্ষেপ করছে সেখানে যাওয়া নিরাপদ নয়। প্রধানমন্ত্রী বললেন, না আমি সেখানে যাবোই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি কুতুপালং ক্যাম্পে গেলেন, বুকে জড়িয়ে ধরলের সর্বস্ব হারানো রোহিঙ্গাদের। এ কারণে বিশ্ববাসী তাকে মাদার অফ হিউম্যানিটি খেতাব দিয়েছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আমরা জঙ্গিদমন, সন্ত্রাসদমন ও আমাদের খাদ্যঘাটতির দেশ এবং দুর্নীতির দেশকে আমরা আজকে সফল বাংলাদেশে পরিণত করেছি। তাই, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিকল্প আর কিছু নেই। এগিয়ে যেতে হলে, অন্ধকার থেকে আলোকিত হতে হলে আবারও নৌকা মার্কায় ভোটের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জয়যুক্ত করতে হবে।

রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জিল্লুল হাকিম, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী কেরামত আলী, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪১ এর সংসদ সদস্য কবি কাজী রোজী, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৮ এর সংসদ সদস্য ও রাজবাড়ী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী কামরুন নাহার চৌধুরী লাভলী, ঢাকার অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম, রাজবাড়ীর ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. একেএম আজাদুর রহমান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার সালমা বেগম পিপিএম ও রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকীর আব্দুল জব্বার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছখ্যাত বিজয়

প্রধানমন্ত্রী দিনরাত পরিশ্রম করছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতাই নন, তিনি হচ্ছেন বিশ্বনন্দিত নেতা। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি সময় মতো আদায় করেন। ফজরের নামাজ পড়ে কোরআন তিলাওয়াত করে তিনি ঘর থেকে বের হন। তিনি একজন ধর্মভীরু মুসলমান। তিনি নিজের ধর্ম নিজে পালন করেন এবং অন্যের ধর্মকেও তিনি শ্রদ্ধা করেন। তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করেন বলেই এটা করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভায় নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে সেনাবাহিনী যখন গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছিলো, গণহত্যা চালাচ্ছিলো। শত শত মানুষ যখন নাফ নদীতে ভেসে রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিলো, আমরা প্রথমে তাদের ঢুকতে দেইনি। তখন আমাদের বর্ডার গার্ড, পুলিশ নিয়ে আমরা দাঁড়িয়েছিলাম যে প্রধানমন্ত্রী কি বলেন। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন, এদের আসতে দাও, এদের বাঁচতে দাও। প্রধানমন্ত্রী শুধু রোহিঙ্গাদের এনেই বসে থাকেননি। তিনি কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছুটে গেলেন তাদের কাছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম আপনি যেখানে যাবেন তার পাশে মিয়ানমার সেনাবাহিনী গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে, মর্টার শেল নিক্ষেপ করছে সেখানে যাওয়া নিরাপদ নয়। প্রধানমন্ত্রী বললেন, না আমি সেখানে যাবোই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি কুতুপালং ক্যাম্পে গেলেন, বুকে জড়িয়ে ধরলের সর্বস্ব হারানো রোহিঙ্গাদের। এ কারণে বিশ্ববাসী তাকে মাদার অফ হিউম্যানিটি খেতাব দিয়েছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আমরা জঙ্গিদমন, সন্ত্রাসদমন ও আমাদের খাদ্যঘাটতির দেশ এবং দুর্নীতির দেশকে আমরা আজকে সফল বাংলাদেশে পরিণত করেছি। তাই, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিকল্প আর কিছু নেই। এগিয়ে যেতে হলে, অন্ধকার থেকে আলোকিত হতে হলে আবারও নৌকা মার্কায় ভোটের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জয়যুক্ত করতে হবে।

রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জিল্লুল হাকিম, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী কেরামত আলী, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪১ এর সংসদ সদস্য কবি কাজী রোজী, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৮ এর সংসদ সদস্য ও রাজবাড়ী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী কামরুন নাহার চৌধুরী লাভলী, ঢাকার অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম, রাজবাড়ীর ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. একেএম আজাদুর রহমান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার সালমা বেগম পিপিএম ও রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকীর আব্দুল জব্বার।