ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বছরজুড়ে যুদ্ধ চলবে: ইসরাইলি সেনাপ্রধান ডিসইনফরমেশনভিত্তিক ফটোকার্ড এলাও করবো না : জাহেদ উর রহমান ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মানবে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও দূষণের হাত থেকে নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

ইউএনওর হস্তক্ষেপে মুক্তি পেলেন সেই বাবা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে মুক্তি পেলেন ছেলে ও বউয়ের হাতে শেকলে আটকে থাকা যশোরের মাছনা গ্রামের ‘মানসিক প্রতিবন্ধী’ ইউনুস আলী। বুধবার রাতে ইউএনও ওবায়দুর রহমান মণিরামপুরের মাছনা গ্রামে ইউনুসের বাড়িতে যান। তখন ইউএনওর উপস্থিতিতে ইউনুসের শেকল খুলে তাকে ঘরে আনা হয়। পরে ইউনুসকে স্ত্রী ও মায়ের হেফাজতে দেন তিনি।

এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন, খানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান যশোর জেলা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ লাল্টু। তারা গিয়ে ইউনুসকে শেকলবন্দি অবস্থায় বাগানে দেখতে পান। পরে বিষয়টি ইউএনও ও থানা পুলিশকে জানান চেয়ারম্যান।

চার মাস ধরে ছেলে আইয়ুব ও স্ত্রী আকলিমা ইউনুসের কোমরে শেকল পরিয়ে বাড়ির পেছনে বাগানের পুকুরপাড়ে কাঁঠালগাছের সঙ্গে তালা মেরে রাখেন৷ তাদের অভিযোগ, ইউনুস আলী ‘মানসিক প্রতিবন্ধী’। তিনি ঘরের গ্রিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং স্ত্রী আকলিমাকে মারধর করেন। সে কারণে তাকে বাগানে বেঁধে রাখা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ ইউএনওর সামনে ঘোষণা দিয়েছেন, দ্রুতই তিনি ইউনুসকে একটি প্রতিবন্ধী কার্ড দেবেন। যাতে পরিবারের ওপর থেকে ইউনুসের বোঝা কিছুটা হালকা হয়।

মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘মিডিয়ার মাধ্যমে ইউনুসের শেকলবন্দি জীবনের কথা জেনেছি। বুধবার সন্ধ্যায় খবর নিয়ে শুনেছি, ইউনুস তখনো শিকলবন্দি হয়ে বাগানে পড়ে আছেন। তাই ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউনুসকে মুক্ত করে ঘরে এনে তার মা ও স্ত্রীর হেফাজতে দিয়েছি।

ইউনুস যাতে পরিবারে ভালোভাবে থাকতে পারেন, সেই ব্যাপারে যা যা করা দরকার তা করা হবে বলে জানান ইউএনও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর

ইউএনওর হস্তক্ষেপে মুক্তি পেলেন সেই বাবা

আপডেট সময় ০৩:৩২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে মুক্তি পেলেন ছেলে ও বউয়ের হাতে শেকলে আটকে থাকা যশোরের মাছনা গ্রামের ‘মানসিক প্রতিবন্ধী’ ইউনুস আলী। বুধবার রাতে ইউএনও ওবায়দুর রহমান মণিরামপুরের মাছনা গ্রামে ইউনুসের বাড়িতে যান। তখন ইউএনওর উপস্থিতিতে ইউনুসের শেকল খুলে তাকে ঘরে আনা হয়। পরে ইউনুসকে স্ত্রী ও মায়ের হেফাজতে দেন তিনি।

এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন, খানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান যশোর জেলা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ লাল্টু। তারা গিয়ে ইউনুসকে শেকলবন্দি অবস্থায় বাগানে দেখতে পান। পরে বিষয়টি ইউএনও ও থানা পুলিশকে জানান চেয়ারম্যান।

চার মাস ধরে ছেলে আইয়ুব ও স্ত্রী আকলিমা ইউনুসের কোমরে শেকল পরিয়ে বাড়ির পেছনে বাগানের পুকুরপাড়ে কাঁঠালগাছের সঙ্গে তালা মেরে রাখেন৷ তাদের অভিযোগ, ইউনুস আলী ‘মানসিক প্রতিবন্ধী’। তিনি ঘরের গ্রিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং স্ত্রী আকলিমাকে মারধর করেন। সে কারণে তাকে বাগানে বেঁধে রাখা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ ইউএনওর সামনে ঘোষণা দিয়েছেন, দ্রুতই তিনি ইউনুসকে একটি প্রতিবন্ধী কার্ড দেবেন। যাতে পরিবারের ওপর থেকে ইউনুসের বোঝা কিছুটা হালকা হয়।

মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘মিডিয়ার মাধ্যমে ইউনুসের শেকলবন্দি জীবনের কথা জেনেছি। বুধবার সন্ধ্যায় খবর নিয়ে শুনেছি, ইউনুস তখনো শিকলবন্দি হয়ে বাগানে পড়ে আছেন। তাই ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউনুসকে মুক্ত করে ঘরে এনে তার মা ও স্ত্রীর হেফাজতে দিয়েছি।

ইউনুস যাতে পরিবারে ভালোভাবে থাকতে পারেন, সেই ব্যাপারে যা যা করা দরকার তা করা হবে বলে জানান ইউএনও।