ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

মির্জাপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ বাবার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী অপহরণের দুই দিনেও উদ্ধার হয়নি। মামলা তুলে নিতে অপহরণকারীরা বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অপহৃত ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী এই অভিযোগ করেন। অপহৃত ওই ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামে।

শহীদ সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার মেয়ে ইসরাত জাহান সাদিয়া মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে মহেড়া ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামের আকতার হোসেনের ছেলে কাওসার আহমেদ জিএম প্রায়ই বিরক্ত করত এবং নানা রকম কুপ্রস্তাব দিত। কাওসার বর্তমানে মির্জাপুরে ভাড়া বাসায় থাকে। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মেয়েটিকে তুলে নেয়ার হুমকিও দেয় কাওসার।

শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সাদিয়া বাড়ির পাশেই তার চাচার বাড়ি যাচ্ছিল। তখনই কাওসার এবং তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদিয়াকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায়। সাদিয়ার আর্তচিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ছুটে এলেও তাকে উদ্ধর করতে পারেনি।

এই ঘটনায় সাদিয়ার বাবা শহীদ সিদ্দিকী বাদী হয়ে ওই দিনই মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৬, তারিখ ২০-১১-২০১৭ ইং। এদিকে মামলা তুলে নিতে কাওসার এবং তার সহযোগীরা অজ্ঞাত স্থান থেকে শহিদ সিদ্দিকীকে নানাভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে আসছেন। মামলা তুলে না নিলে তার ছোট মেয়েকেও তুলে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে অপহরণের পর দুই দিন অতিবাহিত হলেও মেয়েকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের ধরার ব্যাপারে পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই মামলার ব্যাপারে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই। ১৯ তারিখে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতেই একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হয়। ২০ তারিখে লিখিত অভিযোগের পর মোবাইল ট্র্যাকিং করে পুনরায় অভিযান চালানো হয়। মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ বাবার

আপডেট সময় ০৩:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী অপহরণের দুই দিনেও উদ্ধার হয়নি। মামলা তুলে নিতে অপহরণকারীরা বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অপহৃত ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী এই অভিযোগ করেন। অপহৃত ওই ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামে।

শহীদ সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার মেয়ে ইসরাত জাহান সাদিয়া মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে মহেড়া ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামের আকতার হোসেনের ছেলে কাওসার আহমেদ জিএম প্রায়ই বিরক্ত করত এবং নানা রকম কুপ্রস্তাব দিত। কাওসার বর্তমানে মির্জাপুরে ভাড়া বাসায় থাকে। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মেয়েটিকে তুলে নেয়ার হুমকিও দেয় কাওসার।

শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সাদিয়া বাড়ির পাশেই তার চাচার বাড়ি যাচ্ছিল। তখনই কাওসার এবং তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদিয়াকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায়। সাদিয়ার আর্তচিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ছুটে এলেও তাকে উদ্ধর করতে পারেনি।

এই ঘটনায় সাদিয়ার বাবা শহীদ সিদ্দিকী বাদী হয়ে ওই দিনই মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৬, তারিখ ২০-১১-২০১৭ ইং। এদিকে মামলা তুলে নিতে কাওসার এবং তার সহযোগীরা অজ্ঞাত স্থান থেকে শহিদ সিদ্দিকীকে নানাভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে আসছেন। মামলা তুলে না নিলে তার ছোট মেয়েকেও তুলে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে অপহরণের পর দুই দিন অতিবাহিত হলেও মেয়েকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের ধরার ব্যাপারে পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই মামলার ব্যাপারে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই। ১৯ তারিখে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতেই একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হয়। ২০ তারিখে লিখিত অভিযোগের পর মোবাইল ট্র্যাকিং করে পুনরায় অভিযান চালানো হয়। মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।