ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই থেকে পুরোদমে শুরু ফ্যামিলি-কৃষক-ইমাম কার্ড কর্মসূচি : আইনমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড বিশাল জনসংখ্যা জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকেরাই : শিক্ষামন্ত্রী বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াতের পদত্যাগ যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালাল ইসরায়েল মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে অবরোধ ভেঙে হরমুজ ছাড়ল ইরানি জাহাজ, তেলের দাম কমল ইউরোপে পোশাক রপ্তানির আয় তিন মাসে কমেছে ২০ শতাংশ

স্ত্রী হত্যার দায়ে গার্মেন্টকর্মী স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইলে স্ত্রী ফাইমা আক্তার হত্যা মামলায় গার্মেন্টকর্মী স্বামী মজনু মিয়ার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের আমৃতলার রইস উদ্দিনের ছেলে। স্বামী-স্ত্রী দুই জনেই গার্মেন্টে কাজ করতেন। আজ বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে নিয়ে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় মনিরুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে ধারালো বটি দিয়ে জবাই করেন। ঘটনার পরপরই মজনু মিয়া পালিয়ে যান।

ওই ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মজনু মিয়া গ্রেপ্তার হলে হত্যার দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলার বিচার চলাকালে চার্জশিটের ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই থেকে পুরোদমে শুরু ফ্যামিলি-কৃষক-ইমাম কার্ড কর্মসূচি : আইনমন্ত্রী

স্ত্রী হত্যার দায়ে গার্মেন্টকর্মী স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইলে স্ত্রী ফাইমা আক্তার হত্যা মামলায় গার্মেন্টকর্মী স্বামী মজনু মিয়ার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের আমৃতলার রইস উদ্দিনের ছেলে। স্বামী-স্ত্রী দুই জনেই গার্মেন্টে কাজ করতেন। আজ বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে নিয়ে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় মনিরুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে ধারালো বটি দিয়ে জবাই করেন। ঘটনার পরপরই মজনু মিয়া পালিয়ে যান।

ওই ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মজনু মিয়া গ্রেপ্তার হলে হত্যার দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলার বিচার চলাকালে চার্জশিটের ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।