ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে ভাষায় কথা বলেন, তা রাজনৈতিক সংস্কৃতি নয়: প্রতিমন্ত্রী পরীক্ষা দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিলেন জাইমা রহমান ‘এক দফা’ ঘোষণার নেপথ্য ঘটনা তুলে ধরে বিস্ফোরক পোস্ট আব্দুল কাদেরের

ট্রাম্পের পরমাণু হামলা চালানোর এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন মার্কিন সিনেটে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের একক ক্ষমতা কতটা নিরঙ্কুশ থাকা উচিত- এনিয়ে শুনানি হয়েছে কংগ্রেসের একটি সিনেট কমিটিতে। ১৯৭৬ সালের পর এমন ঘটনা ঘটলো।

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে মি. ট্রাম্পের বিভিন্ন হুমকির প্রেক্ষাপটে উদ্বিগ্ন হয়েই এমন শুনানির আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রেসিডেন্টের র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের যে নিজস্ব ক্ষমতা রয়েছে- তা বর্তমান প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ- তা নিয়ে আলোচনায় বসলো মার্কিন কংগ্রেস।

কংগ্রেসের সিনেট আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির এই শুনানির শিরোনাম ছিল অনেকটা এরকম- পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার করার এখতিয়ার।

শুনানিতে অংশ নেয়া সিনেটরদের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই বিবেচনায় যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো যে কোনও সময়েই পারমাণবিক মারণাস্ত্রের ব্যবহার শুরু করে দিতে পারেন। আবার কিছু সিনেটররা মনে করেন, কোনও আইনজ্ঞের হস্তক্ষেপ ছাড়াই তার এ কাজ করার অধিকার থাকা উচিৎ।

আইন-প্রণেতাদের মধ্যে মিস্টার ট্রাম্পের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের এখতিয়ার নিয়ে এমন প্রশ্ন ও উদ্বেগের সূত্রপাত- গেল অগাস্টে তারই কথার সূত্র ধরে থেকে। যখন উত্তর কোরিয়া ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন, এর জবাবে দ্রুত এমন ব্যবস্থা নেয়া হবে যা বিশ্ব কখনোই দেখেনি।

এরপর গত মাসে মিস্টার ট্রাম্পের বক্তব্যকে ঘিরে ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পথে হাটা’ বলে মন্ত করেছিলেন সিনেট কমিটির রিপাবলিকান চেয়ারম্যান সিনেটর বব ক্রোকার।

ক্যাপিটাল হিলে অংশ নেয়া শুনানিতে কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট সদস্য ক্রিস মারফি বলেন , ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে এতটাই অস্থির, যে, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্কিন নিরাপত্তা স্বার্থের ব্যত্যয়ও ঘটতে পারে। শুনানিতে আইনজ্ঞ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সেনা কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও তাদের মতামত দেন।

জরুরি ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতা থাকার ওপরও মত দেন কেউ কেউ। তবে শুনানি শেষে পারমাণবিক অস্ত্রাগারগুলোর আধুনিকায়নে সবাই একমত হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প

ট্রাম্পের পরমাণু হামলা চালানোর এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন মার্কিন সিনেটে

আপডেট সময় ০২:৫১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের একক ক্ষমতা কতটা নিরঙ্কুশ থাকা উচিত- এনিয়ে শুনানি হয়েছে কংগ্রেসের একটি সিনেট কমিটিতে। ১৯৭৬ সালের পর এমন ঘটনা ঘটলো।

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে মি. ট্রাম্পের বিভিন্ন হুমকির প্রেক্ষাপটে উদ্বিগ্ন হয়েই এমন শুনানির আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রেসিডেন্টের র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের যে নিজস্ব ক্ষমতা রয়েছে- তা বর্তমান প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ- তা নিয়ে আলোচনায় বসলো মার্কিন কংগ্রেস।

কংগ্রেসের সিনেট আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির এই শুনানির শিরোনাম ছিল অনেকটা এরকম- পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার করার এখতিয়ার।

শুনানিতে অংশ নেয়া সিনেটরদের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই বিবেচনায় যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো যে কোনও সময়েই পারমাণবিক মারণাস্ত্রের ব্যবহার শুরু করে দিতে পারেন। আবার কিছু সিনেটররা মনে করেন, কোনও আইনজ্ঞের হস্তক্ষেপ ছাড়াই তার এ কাজ করার অধিকার থাকা উচিৎ।

আইন-প্রণেতাদের মধ্যে মিস্টার ট্রাম্পের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের এখতিয়ার নিয়ে এমন প্রশ্ন ও উদ্বেগের সূত্রপাত- গেল অগাস্টে তারই কথার সূত্র ধরে থেকে। যখন উত্তর কোরিয়া ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন, এর জবাবে দ্রুত এমন ব্যবস্থা নেয়া হবে যা বিশ্ব কখনোই দেখেনি।

এরপর গত মাসে মিস্টার ট্রাম্পের বক্তব্যকে ঘিরে ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পথে হাটা’ বলে মন্ত করেছিলেন সিনেট কমিটির রিপাবলিকান চেয়ারম্যান সিনেটর বব ক্রোকার।

ক্যাপিটাল হিলে অংশ নেয়া শুনানিতে কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট সদস্য ক্রিস মারফি বলেন , ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে এতটাই অস্থির, যে, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্কিন নিরাপত্তা স্বার্থের ব্যত্যয়ও ঘটতে পারে। শুনানিতে আইনজ্ঞ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সেনা কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও তাদের মতামত দেন।

জরুরি ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতা থাকার ওপরও মত দেন কেউ কেউ। তবে শুনানি শেষে পারমাণবিক অস্ত্রাগারগুলোর আধুনিকায়নে সবাই একমত হন।