ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ অল্পতেই ধৈর্য হারালে দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন: ডা. শফিকুর রহমান ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন ধর্মান্তরিত হয়ে প্রবাসীকে বিয়ে, ছয় মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

২০১৮ সালে হজে বেসরকারি কোটা শেষ, সরকারি বাকি ৫ হাজার ৯৫৪

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি কোটায় ২০১৮ সালে হজে যাওয়ার আর কোনও সুযোগ নেই। শনিবার (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত বেসরকারি কোটায় হজে যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন এক লাখ ৮০ হাজার ২৭১ জন। যা ২০১৮ সালের জন্য বেসরকারিভাবে নির্ধারিত কোটার চেয়ে ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি। অতিরিক্ত হজযাত্রীরা ২০১৯ সালে ক্রমানুসারে হজে যেতে পারবেন। প্রাক-নিবন্ধন করা যাবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফলে ২০১৯ সালের বেসরকারি কোটা এই বছরই শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বেসরকারি কোটায় অতিরিক্ত নিবন্ধন হলেও সরকারি কোটায় এখনও পাঁচ হাজার ৯৫৪ জনের কোটা খালি রয়েছে। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি কোটায় যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন চার হাজার ৪৬ জন। তবে কেউ ২০১৮ সালেই হজে যেতে চাইলে সরকারি কোটায় প্রাক-নিবন্ধন করে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জানান, ‘২০১৮ সালে সৌদি আরবের নির্ধারিত কোটায় বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে পারবেন এক লাখ ২৭ হাজার ১৫৮ জন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটায় যেতে পারবেন এক লাখ ১৭ হাজার ১৫৮ জন। বাকি ১০ হাজার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটা পূর্ণ হয়ে আরও ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি নিবন্ধিত হয়েছেন। যারা নিবন্ধনের ক্রমানুসারে ২০১৯ সালে হজে যেতে পারবেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রাক-নিবন্ধন চলবে। গত বছর সরকারি কোটায় ১০ হাজার যাত্রী হজে যাওয়ার কথা থাকলেও কোটা পূরণ না হওয়ায় সেটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।’ গত বছর সরকারি কোটায় হজে যান চার হাজার ২০০ জন। তবে এবার সরকারি কোটাও পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রাক-নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার পর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনও হজযাত্রী এবার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন না। কোটা পূরণ না হলেও গতবারের মতো এবার সরকারি কোটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে কম-সংখ্যক হজযাত্রী পাঠানো হবে। ২০১৮ সালের হজের ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ হজ ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মদিনায় পরিচালনা করার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০১৮ সালের ২০ আগস্ট (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাক-নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি ও মন্ত্রিসভায় হজ প্যাকেজ অনুমোদনের পর প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু হবে। এর আগে হজ নীতিমালা হালনাগাদ ও আগামী ১৪ জানুয়ারি সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি হবে বাংলাদেশের।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ) মো. হাফিজ উদ্দিন জানান, ‘কেউ যদি ২০১৮ সালেই হজে যেতে চান, তাহলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় করা প্রাক-নিবন্ধন বাতিল করে সরকারি কোটায় আবার প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে। সেটা করলেও দ্রুত করতে হবে। কারণ এবার সরকারি কোটা খালি থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’ ৩১ ডিসেম্বর সময়ের আগেই প্রাক-নিবন্ধন শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ

২০১৮ সালে হজে বেসরকারি কোটা শেষ, সরকারি বাকি ৫ হাজার ৯৫৪

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি কোটায় ২০১৮ সালে হজে যাওয়ার আর কোনও সুযোগ নেই। শনিবার (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত বেসরকারি কোটায় হজে যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন এক লাখ ৮০ হাজার ২৭১ জন। যা ২০১৮ সালের জন্য বেসরকারিভাবে নির্ধারিত কোটার চেয়ে ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি। অতিরিক্ত হজযাত্রীরা ২০১৯ সালে ক্রমানুসারে হজে যেতে পারবেন। প্রাক-নিবন্ধন করা যাবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফলে ২০১৯ সালের বেসরকারি কোটা এই বছরই শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বেসরকারি কোটায় অতিরিক্ত নিবন্ধন হলেও সরকারি কোটায় এখনও পাঁচ হাজার ৯৫৪ জনের কোটা খালি রয়েছে। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি কোটায় যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন চার হাজার ৪৬ জন। তবে কেউ ২০১৮ সালেই হজে যেতে চাইলে সরকারি কোটায় প্রাক-নিবন্ধন করে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জানান, ‘২০১৮ সালে সৌদি আরবের নির্ধারিত কোটায় বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে পারবেন এক লাখ ২৭ হাজার ১৫৮ জন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটায় যেতে পারবেন এক লাখ ১৭ হাজার ১৫৮ জন। বাকি ১০ হাজার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটা পূর্ণ হয়ে আরও ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি নিবন্ধিত হয়েছেন। যারা নিবন্ধনের ক্রমানুসারে ২০১৯ সালে হজে যেতে পারবেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রাক-নিবন্ধন চলবে। গত বছর সরকারি কোটায় ১০ হাজার যাত্রী হজে যাওয়ার কথা থাকলেও কোটা পূরণ না হওয়ায় সেটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।’ গত বছর সরকারি কোটায় হজে যান চার হাজার ২০০ জন। তবে এবার সরকারি কোটাও পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রাক-নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার পর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনও হজযাত্রী এবার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন না। কোটা পূরণ না হলেও গতবারের মতো এবার সরকারি কোটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে কম-সংখ্যক হজযাত্রী পাঠানো হবে। ২০১৮ সালের হজের ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ হজ ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মদিনায় পরিচালনা করার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০১৮ সালের ২০ আগস্ট (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাক-নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি ও মন্ত্রিসভায় হজ প্যাকেজ অনুমোদনের পর প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু হবে। এর আগে হজ নীতিমালা হালনাগাদ ও আগামী ১৪ জানুয়ারি সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি হবে বাংলাদেশের।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ) মো. হাফিজ উদ্দিন জানান, ‘কেউ যদি ২০১৮ সালেই হজে যেতে চান, তাহলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় করা প্রাক-নিবন্ধন বাতিল করে সরকারি কোটায় আবার প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে। সেটা করলেও দ্রুত করতে হবে। কারণ এবার সরকারি কোটা খালি থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’ ৩১ ডিসেম্বর সময়ের আগেই প্রাক-নিবন্ধন শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।