ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে হাসিনার পরিণতি হবে, হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার : জ্বালানি উপদেষ্টা বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে-বউয়ের কবর, এই জামিন দিয়ে কী হবে: সাদ্দামের মা কারাবন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তারেক রহমানের জনসভাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার ২০৫০ সালের মধ্যে তীব্র তাপদাহের শিকার হতে পারে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অর্ধেক মানুষ গ্রিসে বিস্কুট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৫ জনের মৃত্যু ক্ষমতায় গেলে যশোর শহরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হবে : জামায়াত আমির কেন্দ্র দখল করে ফলাফল আদায়ের কোনো সুযোগ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির জনসভা পিছিয়ে ১১ নভেম্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৮ নভেম্বর বুধবার জনসভা হচ্ছে না। এটি হবে ১১ নভেম্বর শনিবার। রাজধানীতে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) সম্মেলন চলার কারণে এটি পেছানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ১১ নভেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির উদ্যোগে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-নেতারা সরকারি গাড়িতে চড়ে শরীরে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কারণে ক্ষুব্ধ জনগণের মনের অবস্থা বুঝতে অক্ষম। জনগণের ঢল যেকোনো মুহূর্তে জনধিকৃত সরকারের মসনদকে উল্টে দিতে পারে সেটি অনুধাবন করতে ব্যর্থ মন্ত্রীরা। কারণ ক্ষমতার ঝাড়বাতির আলোয় মন্ত্রীদের চোখ এখন ঝাপসা হয়ে গেছে। ঠান্ডা ঘরে পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে বসে থেকে বয়ে যাওয়া গণবিক্ষোভের জোরালো বাতাস গায়ে না লাগাই স্বাভাবিক।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এখন অগ্নিগর্ভ। আইনশৃঙ্খলার নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ, খাবার পানি, গ্যাসের তীব্র সংকট, শিল্পোৎপাদনের বিপর্যয়, মূল্যস্ফীতির দৈনন্দিন চাপ, শ্বাসরুদ্ধকর যানজট, সর্বস্তরে চাঁদাবাজি, জবরদখল, গুম ও খুনের ভয়, রক্তপাত, জোর করে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের দাপট, বেঘোরে জীবনহানির এক মহাদুর্যোগ চলছে দেশে। এই মহাদুর্যোগ বিরাজমান বলেই যেকোনো মুহূর্তে গণ-অভ্যুত্থান অবশ্যম্ভাবী।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি না থাকলেও বিএনপির সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে মানুষের ঢল দেখে ভীত হয়ে আবার দেশব্যাপী গণগ্রেফতার শুরু করেছে ভোটারবিহীন সরকার। প্রতিদিন কোনো না কোনো জেলার কিংবা উপজেলায় মামলা ছাড়াই নেতাকর্মীদের আটক করে পরে মিথ্যা মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠানোর হিড়িক চলছে। সত্যিকারার্থে বর্তমান সরকারের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ জনগণ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আতাউর রহমান ঢালী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ

সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির জনসভা পিছিয়ে ১১ নভেম্বর

আপডেট সময় ০৫:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৮ নভেম্বর বুধবার জনসভা হচ্ছে না। এটি হবে ১১ নভেম্বর শনিবার। রাজধানীতে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) সম্মেলন চলার কারণে এটি পেছানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ১১ নভেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির উদ্যোগে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-নেতারা সরকারি গাড়িতে চড়ে শরীরে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কারণে ক্ষুব্ধ জনগণের মনের অবস্থা বুঝতে অক্ষম। জনগণের ঢল যেকোনো মুহূর্তে জনধিকৃত সরকারের মসনদকে উল্টে দিতে পারে সেটি অনুধাবন করতে ব্যর্থ মন্ত্রীরা। কারণ ক্ষমতার ঝাড়বাতির আলোয় মন্ত্রীদের চোখ এখন ঝাপসা হয়ে গেছে। ঠান্ডা ঘরে পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে বসে থেকে বয়ে যাওয়া গণবিক্ষোভের জোরালো বাতাস গায়ে না লাগাই স্বাভাবিক।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এখন অগ্নিগর্ভ। আইনশৃঙ্খলার নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ, খাবার পানি, গ্যাসের তীব্র সংকট, শিল্পোৎপাদনের বিপর্যয়, মূল্যস্ফীতির দৈনন্দিন চাপ, শ্বাসরুদ্ধকর যানজট, সর্বস্তরে চাঁদাবাজি, জবরদখল, গুম ও খুনের ভয়, রক্তপাত, জোর করে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের দাপট, বেঘোরে জীবনহানির এক মহাদুর্যোগ চলছে দেশে। এই মহাদুর্যোগ বিরাজমান বলেই যেকোনো মুহূর্তে গণ-অভ্যুত্থান অবশ্যম্ভাবী।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি না থাকলেও বিএনপির সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে মানুষের ঢল দেখে ভীত হয়ে আবার দেশব্যাপী গণগ্রেফতার শুরু করেছে ভোটারবিহীন সরকার। প্রতিদিন কোনো না কোনো জেলার কিংবা উপজেলায় মামলা ছাড়াই নেতাকর্মীদের আটক করে পরে মিথ্যা মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠানোর হিড়িক চলছে। সত্যিকারার্থে বর্তমান সরকারের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ জনগণ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আতাউর রহমান ঢালী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন প্রমুখ।