ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাংবাদিক আনিসের বিরুদ্ধে মামলা আসন সমঝোতা হলেও জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে: নাহিদ ইসলাম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিপিএল এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল, সময়সূচি প্রকাশ গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের ঘরে ঘরে নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: দুলু জামায়াত জোটের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত, রাতে প্রার্থী ঘোষণা শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

মশা মারার অভিনব কৌশল!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এবার মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় মশা মারার অভিনব কৌশাল তৈরি করেছে। আলোগুলো যখন জ্বলে, তখন তা থেকে নির্গত হয় কম ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড। আর সেটাই ওই আলো-ফাঁদের দিকে টেনে আনে মশাদের। আলোর নীচে রাখা জালে মশা টপাটপ পড়বে আর মরবে।

মালয়েশিয়ার মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই প্রযুক্তি এতদিন পরীক্ষামূলক স্তরে ছিল। কিন্তু পরীক্ষায় তা পাশ করার পরে এখন সেই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে তারা।

মানুষের নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত হাল্কা কার্বন ডাই অক্সাই়ড এবং ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে আসা ল্যাকটিক অ্যাসিড মশাদের আকর্ষণ করে। ওই গন্ধই মশাদের টেনে আনে মানুষের দিকে। মশার সেই চরিত্রকে কাজে লাগিয়েই মালয়েশিয়ায় তৈরি হয়েছে এই নতুন ধরনের সৌর আলো।

কী ভাবে তৈরি হয় ওই হাল্কা ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড?  মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেখেছেন, আলোর অতিবেগুনি রশ্মির সঙ্গে টাইটেনিয়াম ডাই-অক্সাইডের বিক্রিয়ায় মৃদু (কম ঘনত্বের) কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হচ্ছে। তাই আলো জ্বলার কিছু ক্ষণের মধ্যেই মশারা ওই আলোর দিকে ছুটে আসছে। ’’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা মারার অভিনব কৌশল!

আপডেট সময় ১১:৫৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এবার মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় মশা মারার অভিনব কৌশাল তৈরি করেছে। আলোগুলো যখন জ্বলে, তখন তা থেকে নির্গত হয় কম ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড। আর সেটাই ওই আলো-ফাঁদের দিকে টেনে আনে মশাদের। আলোর নীচে রাখা জালে মশা টপাটপ পড়বে আর মরবে।

মালয়েশিয়ার মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই প্রযুক্তি এতদিন পরীক্ষামূলক স্তরে ছিল। কিন্তু পরীক্ষায় তা পাশ করার পরে এখন সেই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে তারা।

মানুষের নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত হাল্কা কার্বন ডাই অক্সাই়ড এবং ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে আসা ল্যাকটিক অ্যাসিড মশাদের আকর্ষণ করে। ওই গন্ধই মশাদের টেনে আনে মানুষের দিকে। মশার সেই চরিত্রকে কাজে লাগিয়েই মালয়েশিয়ায় তৈরি হয়েছে এই নতুন ধরনের সৌর আলো।

কী ভাবে তৈরি হয় ওই হাল্কা ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড?  মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেখেছেন, আলোর অতিবেগুনি রশ্মির সঙ্গে টাইটেনিয়াম ডাই-অক্সাইডের বিক্রিয়ায় মৃদু (কম ঘনত্বের) কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হচ্ছে। তাই আলো জ্বলার কিছু ক্ষণের মধ্যেই মশারা ওই আলোর দিকে ছুটে আসছে। ’’