ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ অল্পতেই ধৈর্য হারালে দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন: ডা. শফিকুর রহমান ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন ধর্মান্তরিত হয়ে প্রবাসীকে বিয়ে, ছয় মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় রোববার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৮ বছর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার রায় রোববার ঘোষণা করা হবে। এ দিন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় সকাল ১০টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতে এবং দুপুর ২টার দিকে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর হত্যাচেষ্টা এবং ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার যুক্ততর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ঠিক করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। সেই সময় তিনি বাড়িতেই ছিলেন। পরে ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

জামিনে রযেছেন গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু। এছাড়া পলাতক রয়েছেন লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় রোববার

আপডেট সময় ১১:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৮ বছর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার রায় রোববার ঘোষণা করা হবে। এ দিন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় সকাল ১০টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতে এবং দুপুর ২টার দিকে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর হত্যাচেষ্টা এবং ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার যুক্ততর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ঠিক করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। সেই সময় তিনি বাড়িতেই ছিলেন। পরে ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

জামিনে রযেছেন গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু। এছাড়া পলাতক রয়েছেন লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।