ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ার ক্ষমতায় আসতে চায় এই নারী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার এক সংবাদমাধ্যমের সঞ্চালক রাশিয়ার দু’দশকের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছেন। তার নাম কসনিয়া সবচক। কসনিয়ার দাবি, রাশিয়ার উদারমনস্ক ভোটদাতারা পুতিনের ওপর খুশি নয়। তাই সেই ভোটব্যাঙ্কের ওপর ভরসা রাখছেন তিনি। তারা নতুন কাউকে চাইছেন। আর সেটাই তাকে জয়ের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

এদিকে সেখানকার এক্সিট পোল জানাচ্ছে, চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় আসবেন ভ্লাদিমির পুতিনই।

পুতিনের সমালোচক অ্যালেকজি নাভালনির অভিযোগ করে বলেন, এই দেশের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক পুতিনের সঙ্গে নেই। কারণ পুতিনের দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থা রাশিয়াকে বিশ্বের দরবার থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে বছর ৩৫ এই যুবতী সেখানে বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী রাশিয়ার শীর্ষ রাজনৈতিক পদে কাজ করতে চাওয়াটা তার অধিকারের মধ্যে পড়ে।

যেখানে বলা আছে সব প্রার্থীদের ৩৫ বা তার বেশি বয়সের হতে হবে।

তিনি বলেন, একবার ভেবে দেখুন, আমার বয়স যখন ১৮ বছর ছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি তখন রাশিয়ার ক্ষমতায় এসেছিল পুতিন। সেই সময়ে যারা রাশিয়ার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছিল তারা এখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করার বয়সে পৌঁছেছে। সেক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের ভোটাররাই তার ভরসা বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

রাশিয়ার ক্ষমতায় আসতে চায় এই নারী

আপডেট সময় ১২:০১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার এক সংবাদমাধ্যমের সঞ্চালক রাশিয়ার দু’দশকের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছেন। তার নাম কসনিয়া সবচক। কসনিয়ার দাবি, রাশিয়ার উদারমনস্ক ভোটদাতারা পুতিনের ওপর খুশি নয়। তাই সেই ভোটব্যাঙ্কের ওপর ভরসা রাখছেন তিনি। তারা নতুন কাউকে চাইছেন। আর সেটাই তাকে জয়ের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

এদিকে সেখানকার এক্সিট পোল জানাচ্ছে, চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় আসবেন ভ্লাদিমির পুতিনই।

পুতিনের সমালোচক অ্যালেকজি নাভালনির অভিযোগ করে বলেন, এই দেশের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক পুতিনের সঙ্গে নেই। কারণ পুতিনের দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থা রাশিয়াকে বিশ্বের দরবার থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে বছর ৩৫ এই যুবতী সেখানে বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী রাশিয়ার শীর্ষ রাজনৈতিক পদে কাজ করতে চাওয়াটা তার অধিকারের মধ্যে পড়ে।

যেখানে বলা আছে সব প্রার্থীদের ৩৫ বা তার বেশি বয়সের হতে হবে।

তিনি বলেন, একবার ভেবে দেখুন, আমার বয়স যখন ১৮ বছর ছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি তখন রাশিয়ার ক্ষমতায় এসেছিল পুতিন। সেই সময়ে যারা রাশিয়ার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছিল তারা এখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করার বয়সে পৌঁছেছে। সেক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের ভোটাররাই তার ভরসা বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।