ইসরায়েলের ইতিহাসে অন্যতম কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে দেশটির আরব মুসলিম নাগরিকরা বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছেন। আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর একটি গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলার পর এটিই প্রথম বড় নির্বাচন। ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে প্রয়োজন আরব মুসলিম নাগরিকদের ভোট। নেতানিয়াহু সরকারকে উৎখাত করতে আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির আরব নেতারা।
ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশ আরব সংখ্যালঘু, যারা ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনি মুসলিম হলেও দেশটির নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তাদের বিপুল অংশগ্রহণ রাজনৈতিক সমীকরণকে বদলে দিতে পারে। স্ট্যাট-নেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, এবার আরবদের ভোটদানের হার ২০২২ সালের ৫৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
নির্বাচনী জরিপে দেখা যাচ্ছে, ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট ৫২টি আসন পেতে পারে।
অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী জোটের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ৫০। এক্ষেত্রে মনসুর আব্বাসের ইউনাইটেড আরব লিস্ট পার্টি পাঁচটি এবং আহমেদ তিবির জয়েন্ট লিস্ট আটটি আসন জিততে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে, যা তাদের নতুন সরকার গঠনে ‘কিংমেকার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ এবং পুলিশ মন্ত্রী ইতামার বেন-গভীরের সাম্প্রতিক চরমপন্থী কর্মকাণ্ডের কারণে আরব ভোটারদের মধ্যে ভোট প্রদানের উৎসাহ বাড়ছে। যদিও গাদি আইজেনকোট সরাসরি আরব দলগুলোর সাথে জোট বাঁধার বিষয়টি এড়িয়ে চলছেন, তবুও ইউনাইটেড আরব লিস্টের প্রধান মনসুর আব্বাস মনে করেন, ভোটের পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় জোট গঠনের নতুন পথ তৈরি হতে পারে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















