ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শৈশবের দুর্গোৎসবের স্মৃতিতে আবেগপ্রবণ অপু বিশ্বাস

ঢাকাই সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের কাছে দুর্গাপূজা মানেই অকৃত্রিম আনন্দ ও প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে কাটানো একগুচ্ছ রঙিন মুহূর্ত। বর্তমান ব্যস্তময় জীবনের নানা বাঁক পরিবর্তনের মাঝেও তার মানসপটে শৈশবের উৎসবের দিনগুলো আজও একইভাবে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে বগুড়ায় কাটানো ছোটবেলার দুর্গাপূজাগুলো তাকে বারবার স্মৃতিকাতর করে তোলে। উৎসবের সেই দিনগুলোর আবেদন এখনো তার কাছে অমলিন ও অতুলনীয়।

স্মৃতির পাতায় বগুড়ার উৎসব

নিজের ছোটবেলার উৎসবের বর্ণনা দিতে গিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “পূজা মানেই আনন্দ। সময়ের সঙ্গে সেই আনন্দ-উদ্‌যাপনের ধরন কিছুটা বদলেছে, কিন্তু নিঃশেষ হয়নি। এখন দুর্গাপূজায় ষষ্ঠী থেকে দশমীর সময়ে বগুড়ার দিনগুলোর কথা মনে পড়ে। কী যে এক উচ্ছ্বাস, উল্লাসের ছিল সেই দিনগুলো, তা বলে শেষ করা যাবে না।” বগুড়ার সেই বাড়িটি তখন আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় পরিণত হতো। বাবা-মা এবং কাকা-কাকিসহ প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে পূজার আনন্দ ভাগ করে নেওয়া ছিল তার শৈশবের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

শৈশবের আনন্দ ও অষ্টমী উৎসব

  • ভোরবেলা নতুন পোশাক পরে প্রতিমা দর্শনে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানোর সেই বিশেষ উত্তেজনা।
  • মহাষ্টমীর দুপুরে মায়ের হাতের তৈরি খিচুড়ি, লাবড়া ও নানা পদের ভাজা খাওয়ার সেই অনন্য স্বাদ।
  • বাড়ির প্রতিটি কোণে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবারের সবার সম্মিলিত আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

পূজার আনুষ্ঠানিকতার বাইরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বসে ভোগ খাওয়ার মুহূর্তগুলো ছিল অপুর কাছে উৎসবের অন্যতম বড় আকর্ষণ। খাবারের প্রতিটি লোকায় যেন মিশে থাকত মায়ের স্নেহ আর পরিবারের উষ্ণ ভালোবাসা। সেই স্মৃতিগুলো আজও তাকে উৎসবের দিনে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

ব্যস্ততা পেরিয়ে স্মৃতির আঙিনায়

সময়ের পরিক্রমায় জীবনের অনেক সমীকরণ পরিবর্তিত হয়েছে। দীর্ঘ দুই দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে তিনি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। এখন তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও কাজ করছেন; তার প্রযোজিত ‘লাল শাড়ি’ সিনেমাটি দর্শক মহলে সমাদৃত হয়েছে। কর্মব্যস্ততা ও জীবনের নানা দায়িত্বের চাপ বাড়লেও শৈশবের সেই নির্মল আনন্দ আর বগুড়ার পূজার দিনগুলোর স্মৃতি তাকে সর্বদা এক বিশেষ প্রশান্তি দেয়। জীবনের যত বড় সাফল্যই আসুক না কেন, ছোটবেলার সেই পূজার স্মৃতি আজও তার মনের গভীরে এক বিশেষ জায়গা দখল করে আছে।

আপলোডকারীর তথ্য

শিক্ষামন্ত্রী: প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম

শৈশবের দুর্গোৎসবের স্মৃতিতে আবেগপ্রবণ অপু বিশ্বাস

আপডেট সময় ০৬:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকাই সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের কাছে দুর্গাপূজা মানেই অকৃত্রিম আনন্দ ও প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে কাটানো একগুচ্ছ রঙিন মুহূর্ত। বর্তমান ব্যস্তময় জীবনের নানা বাঁক পরিবর্তনের মাঝেও তার মানসপটে শৈশবের উৎসবের দিনগুলো আজও একইভাবে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে বগুড়ায় কাটানো ছোটবেলার দুর্গাপূজাগুলো তাকে বারবার স্মৃতিকাতর করে তোলে। উৎসবের সেই দিনগুলোর আবেদন এখনো তার কাছে অমলিন ও অতুলনীয়।

স্মৃতির পাতায় বগুড়ার উৎসব

নিজের ছোটবেলার উৎসবের বর্ণনা দিতে গিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “পূজা মানেই আনন্দ। সময়ের সঙ্গে সেই আনন্দ-উদ্‌যাপনের ধরন কিছুটা বদলেছে, কিন্তু নিঃশেষ হয়নি। এখন দুর্গাপূজায় ষষ্ঠী থেকে দশমীর সময়ে বগুড়ার দিনগুলোর কথা মনে পড়ে। কী যে এক উচ্ছ্বাস, উল্লাসের ছিল সেই দিনগুলো, তা বলে শেষ করা যাবে না।” বগুড়ার সেই বাড়িটি তখন আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় পরিণত হতো। বাবা-মা এবং কাকা-কাকিসহ প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে পূজার আনন্দ ভাগ করে নেওয়া ছিল তার শৈশবের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

শৈশবের আনন্দ ও অষ্টমী উৎসব

  • ভোরবেলা নতুন পোশাক পরে প্রতিমা দর্শনে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানোর সেই বিশেষ উত্তেজনা।
  • মহাষ্টমীর দুপুরে মায়ের হাতের তৈরি খিচুড়ি, লাবড়া ও নানা পদের ভাজা খাওয়ার সেই অনন্য স্বাদ।
  • বাড়ির প্রতিটি কোণে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবারের সবার সম্মিলিত আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

পূজার আনুষ্ঠানিকতার বাইরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বসে ভোগ খাওয়ার মুহূর্তগুলো ছিল অপুর কাছে উৎসবের অন্যতম বড় আকর্ষণ। খাবারের প্রতিটি লোকায় যেন মিশে থাকত মায়ের স্নেহ আর পরিবারের উষ্ণ ভালোবাসা। সেই স্মৃতিগুলো আজও তাকে উৎসবের দিনে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

ব্যস্ততা পেরিয়ে স্মৃতির আঙিনায়

সময়ের পরিক্রমায় জীবনের অনেক সমীকরণ পরিবর্তিত হয়েছে। দীর্ঘ দুই দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে তিনি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। এখন তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও কাজ করছেন; তার প্রযোজিত ‘লাল শাড়ি’ সিনেমাটি দর্শক মহলে সমাদৃত হয়েছে। কর্মব্যস্ততা ও জীবনের নানা দায়িত্বের চাপ বাড়লেও শৈশবের সেই নির্মল আনন্দ আর বগুড়ার পূজার দিনগুলোর স্মৃতি তাকে সর্বদা এক বিশেষ প্রশান্তি দেয়। জীবনের যত বড় সাফল্যই আসুক না কেন, ছোটবেলার সেই পূজার স্মৃতি আজও তার মনের গভীরে এক বিশেষ জায়গা দখল করে আছে।