ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান

শাহ আমানতে রান্নার সরঞ্জামে সোনা পাচার, আটক ১

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রান্নার সরঞ্জামের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে আনা ৫৬৬ গ্রাম স্বর্ণসহ মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম নামে এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে আবুধাবি থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-৩৫০ ফ্লাইটে করে তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছান। আটক কামরুলের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার দোনগ্রা এলাকায়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফ্লাইটটি অবতরণের পর কাস্টমস হলের স্ক্যানিং চলাকালে কামরুলের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। এসময় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের নজরে আসলে এনএসআই, কাস্টমস গোয়েন্দা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ তল্লাশিতে তার সাথে থাকা ব্যাগেজ ও রান্নার সরঞ্জাম থেকে স্বর্ণগুলো জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৪৬৬ গ্রাম ওজনের চারটি স্বর্ণের বার এবং ১০০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণের চুড়ি। পরে যাত্রীরা কাস্টমস হলের স্ক্যানিং কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় মোহাম্মদ কামরুল ইসলামকে সন্দেহজনক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ডিজিএফআই, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা যৌথভাবে তল্লাশি চালান।

পাচারকারীরা স্বর্ণগুলো সাধারণ রান্নার সরঞ্জামের আড়ালে সুনিপুণভাবে লুকিয়ে রেখেছিল। এর মধ্যে নন-স্টিক প্যান, স্টেইনলেস স্টিলের সবজি কাটার, মেশানোর যন্ত্র এবং বাসন রাখার স্ট্যান্ডের ভেতরে বারগুলো কৌশলে রাখা হয়েছিল। এছাড়াও তার সাধারণ ব্যাগেজেও কিছু স্বর্ণের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে জব্দকৃত স্বর্ণের চালানটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিমানবন্দরে রান্নার সরঞ্জামের মতো সাধারণ ব্যবহার্য পণ্যের ভেতরে সোনা লুকিয়ে আনার এই ঘটনা চোরাচালান প্রতিরোধে যাত্রী ও ব্যাগেজ তল্লাশির গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ চোরাচালান ঠেকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনে মামলা দায়েরের পাশাপাশি তাকে পতেঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে। চোরাচালান দমনে গোয়েন্দা সংস্থা, কাস্টমস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সমন্বিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

শাহ আমানতে রান্নার সরঞ্জামে সোনা পাচার, আটক ১

শাহ আমানতে রান্নার সরঞ্জামে সোনা পাচার, আটক ১

আপডেট সময় ০৯:০৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রান্নার সরঞ্জামের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে আনা ৫৬৬ গ্রাম স্বর্ণসহ মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম নামে এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে আবুধাবি থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-৩৫০ ফ্লাইটে করে তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছান। আটক কামরুলের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার দোনগ্রা এলাকায়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফ্লাইটটি অবতরণের পর কাস্টমস হলের স্ক্যানিং চলাকালে কামরুলের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। এসময় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের নজরে আসলে এনএসআই, কাস্টমস গোয়েন্দা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ তল্লাশিতে তার সাথে থাকা ব্যাগেজ ও রান্নার সরঞ্জাম থেকে স্বর্ণগুলো জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৪৬৬ গ্রাম ওজনের চারটি স্বর্ণের বার এবং ১০০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণের চুড়ি। পরে যাত্রীরা কাস্টমস হলের স্ক্যানিং কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় মোহাম্মদ কামরুল ইসলামকে সন্দেহজনক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ডিজিএফআই, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা যৌথভাবে তল্লাশি চালান।

পাচারকারীরা স্বর্ণগুলো সাধারণ রান্নার সরঞ্জামের আড়ালে সুনিপুণভাবে লুকিয়ে রেখেছিল। এর মধ্যে নন-স্টিক প্যান, স্টেইনলেস স্টিলের সবজি কাটার, মেশানোর যন্ত্র এবং বাসন রাখার স্ট্যান্ডের ভেতরে বারগুলো কৌশলে রাখা হয়েছিল। এছাড়াও তার সাধারণ ব্যাগেজেও কিছু স্বর্ণের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে জব্দকৃত স্বর্ণের চালানটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিমানবন্দরে রান্নার সরঞ্জামের মতো সাধারণ ব্যবহার্য পণ্যের ভেতরে সোনা লুকিয়ে আনার এই ঘটনা চোরাচালান প্রতিরোধে যাত্রী ও ব্যাগেজ তল্লাশির গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ চোরাচালান ঠেকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনে মামলা দায়েরের পাশাপাশি তাকে পতেঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে। চোরাচালান দমনে গোয়েন্দা সংস্থা, কাস্টমস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সমন্বিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।