ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ইয়েমেনে তীব্র সংঘর্ষ: দুই শতাধিক হুথি যোদ্ধা হতাহতের দাবি

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে চলা ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও বিমান হামলায় দুই শতাধিক হুথি যোদ্ধা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। তাইজ মিলিটারি এক্সিসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বুধবার দিনভর ধুবাব ফ্রন্ট, আল-আকরুদ ও আল-শাকাব এলাকায় তীব্র লড়াই হয়।

বিবৃতি অনুযায়ী, বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত দুপুরের দিকে আরও বেগবান হয়। তাইজের আল-মিসরাখ জেলার রাস আল-নাজদ এলাকায় সরকারি বাহিনী হুথিদের একটি ট্যাংক ও সামরিক যানের বহর লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এছাড়া শহরের পূর্বাঞ্চলীয় সোফিতেল পাহাড়ের কাছে দুটি বিমান হামলা এবং ধুবাব ফ্রন্টে বেশ কয়েকটি বিমান থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়।

সেনাবাহিনীর দাবি, এদিনের অভিযানে দুই শতাধিক হুথি হতাহতের পাশাপাশি তাদের একটি সামরিক যান সম্পূর্ণ ধ্বংস, দুটি ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত ও একটি সশস্ত্র গাড়ির বহর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হুথিদের একটি ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে এই হতাহতের সংখ্যার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রাজধানী সানাসহ হুথি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে চলতি মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের ‘ডন অব ইয়েমেন’ বা ‘ইয়েমেনের ভোর’ সামরিক অভিযান শুরু হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের সমর্থনে চলা এই অভিযানের ফলে কৌশলগত এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। ২০১৪ সালে হুথিরা সানা দখলের পর দেশটিতে যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তার ধারাবাহিকতায় এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে এবং পরের বছরই সৌদি জোট সরকারি বাহিনীর সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রটোকল চালুর নির্দেশ

ইয়েমেনে তীব্র সংঘর্ষ: দুই শতাধিক হুথি যোদ্ধা হতাহতের দাবি

আপডেট সময় ০৬:০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে চলা ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও বিমান হামলায় দুই শতাধিক হুথি যোদ্ধা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। তাইজ মিলিটারি এক্সিসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বুধবার দিনভর ধুবাব ফ্রন্ট, আল-আকরুদ ও আল-শাকাব এলাকায় তীব্র লড়াই হয়।

বিবৃতি অনুযায়ী, বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত দুপুরের দিকে আরও বেগবান হয়। তাইজের আল-মিসরাখ জেলার রাস আল-নাজদ এলাকায় সরকারি বাহিনী হুথিদের একটি ট্যাংক ও সামরিক যানের বহর লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এছাড়া শহরের পূর্বাঞ্চলীয় সোফিতেল পাহাড়ের কাছে দুটি বিমান হামলা এবং ধুবাব ফ্রন্টে বেশ কয়েকটি বিমান থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়।

সেনাবাহিনীর দাবি, এদিনের অভিযানে দুই শতাধিক হুথি হতাহতের পাশাপাশি তাদের একটি সামরিক যান সম্পূর্ণ ধ্বংস, দুটি ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত ও একটি সশস্ত্র গাড়ির বহর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হুথিদের একটি ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে এই হতাহতের সংখ্যার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রাজধানী সানাসহ হুথি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে চলতি মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের ‘ডন অব ইয়েমেন’ বা ‘ইয়েমেনের ভোর’ সামরিক অভিযান শুরু হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের সমর্থনে চলা এই অভিযানের ফলে কৌশলগত এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। ২০১৪ সালে হুথিরা সানা দখলের পর দেশটিতে যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তার ধারাবাহিকতায় এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে এবং পরের বছরই সৌদি জোট সরকারি বাহিনীর সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।