ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

হলিউডের কঠিন লড়াই ও জম্বি মেকআপের মজার অভিজ্ঞতায় রোজ

নিউজিল্যান্ড থেকে হলিউডের মূলধারায় জায়গা করে নেওয়া রোজ ম্যাকাইভারের পথচলাটা সহজ ছিল না। লস অ্যাঞ্জেলেসে পাড়ি দেওয়ার পর অডিশনে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়া এবং নির্মাতাদের অবহেলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শুরুর দিকে একটি অডিশনে সাধারণ পোশাকে উপস্থিত হলে তাঁকে সরাসরি বলা হয় আরও বেশি ‘হলিউডসুলভ’ হতে হবে, যা তাঁকে মানসিকভাবে বেশ আঘাত করেছিল। ‘আরও হলিউডসুলভ হতে হবে’ নিউজিল্যান্ডে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে পাড়ি জমানোর পর রোজের সামনে খুলে যায় নতুন সম্ভাবনা। কিন্তু হলিউডের প্রতিযোগিতা যে কত কঠিন, তা বুঝতে বেশি সময় লাগেনি। অডিশনে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়া, পছন্দের চরিত্র না পাওয়া কিংবা নির্মাতাদের চোখে যথেষ্ট পরিচিত মুখ হয়ে উঠতে না পারার অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর।

অবশ্য অভিনয়ের ক্ষেত্রে ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া পিটার জ্যাকসনের ‘দ্য লাভলি বোনস’ সিনেমাটি তাঁর ক্যারিয়ারে বড় মাইলফলক হয়ে আসে। কিশোরী সুসি স্যালমনের বোন লিন্ডসে চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক মহলে নজর কাড়েন। এর বাইরেও ‘আইজম্বি’ সিরিজের মাধ্যমেই মূলত বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। জম্বি চরিত্রে মানুষের মস্তিষ্ক খেয়ে স্মৃতি পুনরুদ্ধারের মতো অদ্ভুত ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে তিনি নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন। যে চরিত্র বদলে দেয় ক্যারিয়ার ২০০৯ সালে পিটার জ্যাকসনের ‘দ্য লাভলি বোনস’ সিনেমায় অভিনয়ে নতুন করে নজরে আসেন রোজ। কাজটি তাঁকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রজগতে পরিচিতি এনে দেয়। তবে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে ‘আইজম্বি’ সিরিজে। জম্বিতে পরিণত হওয়ার পর মানুষের মস্তিষ্ক খেয়ে মৃত ব্যক্তিদের স্মৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুভব করতে পারে—এমন চরিত্রে দেখা গিয়েছিল।

২০১৫ সালে ইয়াহু এন্টারটেইনমেন্টের সাথে আলাপকালে ‘আইজম্বি’ সিরিজের একটি মজার শুটিং অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেন রোজ। সিরিজের একটি চুমুর দৃশ্যে অভিনয়ের সময় তাঁর মুখের জম্বি মেকআপের সাদা প্রলেপ বারবার সহশিল্পী রবার্টের মুখে লেগে যাচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা দুজনেই বেশ মজা পেয়েছিলেন। রোজ জানান, সহশিল্পীর সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া থাকায় এমন বিড়ম্বনার পরও দৃশ্যটির শুটিং আনন্দদায়ক ছিল। সিনেমাটিতে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন সাওয়ার্সে রোনান।

আর্থিক সাফল্যের দিক থেকেও রোজ এখন হলিউডের অন্যতম সফল অভিনেত্রী। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ডেডলাইনের তথ্য অনুযায়ী, ‘ঘোস্টস’ সিরিজের বিপুল সাফল্যের পর তাঁর পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে তিনি প্রতিটি পর্বের জন্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় তিন কোটি টাকার বেশি পারিশ্রমিক পান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৮ শিশুসহ ২৯ জনের প্রাণহানি

হলিউডের কঠিন লড়াই ও জম্বি মেকআপের মজার অভিজ্ঞতায় রোজ

আপডেট সময় ১১:৩৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

নিউজিল্যান্ড থেকে হলিউডের মূলধারায় জায়গা করে নেওয়া রোজ ম্যাকাইভারের পথচলাটা সহজ ছিল না। লস অ্যাঞ্জেলেসে পাড়ি দেওয়ার পর অডিশনে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়া এবং নির্মাতাদের অবহেলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শুরুর দিকে একটি অডিশনে সাধারণ পোশাকে উপস্থিত হলে তাঁকে সরাসরি বলা হয় আরও বেশি ‘হলিউডসুলভ’ হতে হবে, যা তাঁকে মানসিকভাবে বেশ আঘাত করেছিল। ‘আরও হলিউডসুলভ হতে হবে’ নিউজিল্যান্ডে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে পাড়ি জমানোর পর রোজের সামনে খুলে যায় নতুন সম্ভাবনা। কিন্তু হলিউডের প্রতিযোগিতা যে কত কঠিন, তা বুঝতে বেশি সময় লাগেনি। অডিশনে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়া, পছন্দের চরিত্র না পাওয়া কিংবা নির্মাতাদের চোখে যথেষ্ট পরিচিত মুখ হয়ে উঠতে না পারার অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর।

অবশ্য অভিনয়ের ক্ষেত্রে ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া পিটার জ্যাকসনের ‘দ্য লাভলি বোনস’ সিনেমাটি তাঁর ক্যারিয়ারে বড় মাইলফলক হয়ে আসে। কিশোরী সুসি স্যালমনের বোন লিন্ডসে চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক মহলে নজর কাড়েন। এর বাইরেও ‘আইজম্বি’ সিরিজের মাধ্যমেই মূলত বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। জম্বি চরিত্রে মানুষের মস্তিষ্ক খেয়ে স্মৃতি পুনরুদ্ধারের মতো অদ্ভুত ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে তিনি নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন। যে চরিত্র বদলে দেয় ক্যারিয়ার ২০০৯ সালে পিটার জ্যাকসনের ‘দ্য লাভলি বোনস’ সিনেমায় অভিনয়ে নতুন করে নজরে আসেন রোজ। কাজটি তাঁকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রজগতে পরিচিতি এনে দেয়। তবে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে ‘আইজম্বি’ সিরিজে। জম্বিতে পরিণত হওয়ার পর মানুষের মস্তিষ্ক খেয়ে মৃত ব্যক্তিদের স্মৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুভব করতে পারে—এমন চরিত্রে দেখা গিয়েছিল।

২০১৫ সালে ইয়াহু এন্টারটেইনমেন্টের সাথে আলাপকালে ‘আইজম্বি’ সিরিজের একটি মজার শুটিং অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেন রোজ। সিরিজের একটি চুমুর দৃশ্যে অভিনয়ের সময় তাঁর মুখের জম্বি মেকআপের সাদা প্রলেপ বারবার সহশিল্পী রবার্টের মুখে লেগে যাচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা দুজনেই বেশ মজা পেয়েছিলেন। রোজ জানান, সহশিল্পীর সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া থাকায় এমন বিড়ম্বনার পরও দৃশ্যটির শুটিং আনন্দদায়ক ছিল। সিনেমাটিতে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন সাওয়ার্সে রোনান।

আর্থিক সাফল্যের দিক থেকেও রোজ এখন হলিউডের অন্যতম সফল অভিনেত্রী। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ডেডলাইনের তথ্য অনুযায়ী, ‘ঘোস্টস’ সিরিজের বিপুল সাফল্যের পর তাঁর পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে তিনি প্রতিটি পর্বের জন্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় তিন কোটি টাকার বেশি পারিশ্রমিক পান।