ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নাসিমা খানের চিরবিদায়, শেষকৃত্য ১৫ অক্টোবর

ষাটের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নাসিমা খান ৮২ বছর বয়সে মারা গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বড় ছেলের অপেক্ষায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে আগামী ১৫ অক্টোবর।

প্রখ্যাত চিত্রনায়িকা নাসিমা খান রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ৮২ বছর বয়সে তিনি মারা যান। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে পরিচিত এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন নাসিমা খান।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান দেশে ফেরার পর আগামী ১৫ অক্টোবর তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমান। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি দেশে ফেরার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

নাসিমা খানের পারিবারিক জীবনের একটি কষ্টের দিক হলো তার ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল, যিনি গত কয়েক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবদ্দশায় নাসিমা খান ছোট ছেলের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করার সুযোগ পাননি। এছাড়া বড় ছেলেও বর্তমানে প্রবাসে থাকায় জীবনের শেষ সময়ে এই অভিনেত্রী সন্তানদের সান্নিধ্য পাননি।

১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় পা রাখেন তিনি। এরপর ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর পরিচিতি পান। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’-এর মতো অসংখ্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নাসিমা খানের চিরবিদায়, শেষকৃত্য ১৫ অক্টোবর

আপডেট সময় ০৫:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

প্রখ্যাত চিত্রনায়িকা নাসিমা খান রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ৮২ বছর বয়সে তিনি মারা যান। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে পরিচিত এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন নাসিমা খান।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান দেশে ফেরার পর আগামী ১৫ অক্টোবর তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমান। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি দেশে ফেরার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

নাসিমা খানের পারিবারিক জীবনের একটি কষ্টের দিক হলো তার ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল, যিনি গত কয়েক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবদ্দশায় নাসিমা খান ছোট ছেলের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করার সুযোগ পাননি। এছাড়া বড় ছেলেও বর্তমানে প্রবাসে থাকায় জীবনের শেষ সময়ে এই অভিনেত্রী সন্তানদের সান্নিধ্য পাননি।

১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় পা রাখেন তিনি। এরপর ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর পরিচিতি পান। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’-এর মতো অসংখ্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র।