ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

রাজধানীতে শিল্প ও সংগীতে উদযাপিত শরৎ উৎসব

শরতের স্নিগ্ধতা ও বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য তুলে ধরতে ঢাকার রাশিয়ান হাউজ মিলনায়তনে আয়োজিত হলো শরৎ উৎসব-২০২৬।

বাংলার চিরায়ত ঋতুবৈচিত্র্য, প্রকৃতির রূপ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে রাজধানীর ধানমন্ডির রাশিয়ান হাউজ মিলনায়তনে পালিত হলো ‘শরৎ উৎসব-২০২৬’। গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের আয়োজনে এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ তপোবনের সহযোগিতায় এই বর্ণিল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় হারিয়ে যেতে থাকা ঋতুভিত্তিক চর্চাকে ধরে রাখাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। গান, নৃত্য ও আবৃত্তির আশ্রয়ে শরতের নির্মল আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে উৎসবে আসা দর্শকদের মাঝে। সময়ের পরিবর্তনে নাগরিক জীবনে নানা রূপান্তর এলেও ঋতুভিত্তিক সাংস্কৃতিক চর্চা ও শৈল্পিক প্রকাশের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা জরুরি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) গোকুল ভি কে। তিনি তাঁর বক্তব্যে ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আলোকপাত করেন। গোকুল ভি কে বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আমাদের সম্মিলিত উত্তরাধিকার। উৎসবের ধরন ভিন্ন হলেও প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা, সম্প্রীতি ও সৌন্দর্যবোধের জায়গা থেকে দুই দেশের মানুষ একই সুতোয় বাঁধা।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, শান্তিনিকেতনে কবিগুরু ঋতু উৎসবকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। দুর্গাপূজা, নবমী ও দশমীর উৎসব প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর আত্মিক সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী (বীর প্রতীক)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী বীরেন সেন, সংগঠনটির সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম মিলটনসহ দেশের স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। আবহমান বাংলার প্রকৃতি ও শিল্পের মেলবন্ধনে পুরো অনুষ্ঠানটি এক নান্দনিক আবহ তৈরি করে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা দমনে ব্যর্থতার প্রতিবাদে রাজপথে মশারি টানিয়ে বিক্ষোভ

রাজধানীতে শিল্প ও সংগীতে উদযাপিত শরৎ উৎসব

আপডেট সময় ০৬:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বাংলার চিরায়ত ঋতুবৈচিত্র্য, প্রকৃতির রূপ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে রাজধানীর ধানমন্ডির রাশিয়ান হাউজ মিলনায়তনে পালিত হলো ‘শরৎ উৎসব-২০২৬’। গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের আয়োজনে এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ তপোবনের সহযোগিতায় এই বর্ণিল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় হারিয়ে যেতে থাকা ঋতুভিত্তিক চর্চাকে ধরে রাখাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। গান, নৃত্য ও আবৃত্তির আশ্রয়ে শরতের নির্মল আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে উৎসবে আসা দর্শকদের মাঝে। সময়ের পরিবর্তনে নাগরিক জীবনে নানা রূপান্তর এলেও ঋতুভিত্তিক সাংস্কৃতিক চর্চা ও শৈল্পিক প্রকাশের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা জরুরি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) গোকুল ভি কে। তিনি তাঁর বক্তব্যে ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আলোকপাত করেন। গোকুল ভি কে বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আমাদের সম্মিলিত উত্তরাধিকার। উৎসবের ধরন ভিন্ন হলেও প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা, সম্প্রীতি ও সৌন্দর্যবোধের জায়গা থেকে দুই দেশের মানুষ একই সুতোয় বাঁধা।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, শান্তিনিকেতনে কবিগুরু ঋতু উৎসবকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। দুর্গাপূজা, নবমী ও দশমীর উৎসব প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর আত্মিক সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী (বীর প্রতীক)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী বীরেন সেন, সংগঠনটির সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম মিলটনসহ দেশের স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। আবহমান বাংলার প্রকৃতি ও শিল্পের মেলবন্ধনে পুরো অনুষ্ঠানটি এক নান্দনিক আবহ তৈরি করে।