ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়াটা দুঃখজনক’:মোহাম্মদ ইউসুফ ‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম ৪৫ হাজার কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র উত্তরণের প্রধান শর্ত: সুজন সম্পাদক ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি হবে চাঁদাবাজ সন্ত্রাস ও দখলবাজদের শেষ দিন: নাহিদ ইসলাম বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম

ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা!

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিতে ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরুর প্রায় আট ঘণ্টা আগেই প্রশ্নপত্রের একটি অংশ ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ১৯ মিনিটে মেইলে একটি প্রশ্নপত্র আসে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ওই প্রশ্নের মিল পাওয়া গেছে।

তবে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে এ ভর্তি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়েছে ৬১ জন ভর্তিচ্ছু।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কে এম আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কারণে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ বছর ‘ঘ’ ইউনিটে এক হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে ৯৮ হাজার ৫৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এই ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার ১৪৭টি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের জন্য ৪১০টি ও মানবিক শাখার জন্য ৫৩টি আসন রয়েছে।

গতকাল আসা প্রশ্নের সঙ্গে আজকের যেসব প্রশ্নে মিল পাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইংরেজি প্রথম প্রশ্ন ছিল- “হোয়াট ইজ দ্য মিনিং অব দ্য ইডিওম ‘টু ফলো ইয়র নোজ’?”, তৃতীয় প্রশ্ন ছিল- ‘দ্য হাইওয়ে এজেন্সি. . . ব্যাড ওয়েদার…’, অষ্টম প্রশ্ন ছিল- ‘জার্মানি হ্যাজ ওন দ্য ফুটবল ম্যাচ…’. দ্বাদশ প্রশ্ন- ছিল ‘দিস ইজ দ্য স্কুল হুইচ…’ ও বিংশতম প্রশ্ন ছিল- ‘অ্যা পিস অব কেক মিনস’ ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া অসম্ভব।

যদি আমরা ফাঁসের বিষয় জানতে পারি, তবে খোঁজ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করব।’ ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এ এম আমজাদ বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী জালিয়াতির চেষ্টা করেছেন। তাঁদের আটক করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে কি না, তা বলতে পারব না। এমন কোনো অভিযোগ বা তথ্য আমাদের কাছে নেই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামের আলোকে পুরুষদের বর্জনীয় কিছু অভ্যাস

ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা!

আপডেট সময় ০৫:৩৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিতে ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরুর প্রায় আট ঘণ্টা আগেই প্রশ্নপত্রের একটি অংশ ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ১৯ মিনিটে মেইলে একটি প্রশ্নপত্র আসে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ওই প্রশ্নের মিল পাওয়া গেছে।

তবে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে এ ভর্তি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়েছে ৬১ জন ভর্তিচ্ছু।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কে এম আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কারণে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ বছর ‘ঘ’ ইউনিটে এক হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে ৯৮ হাজার ৫৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এই ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার ১৪৭টি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের জন্য ৪১০টি ও মানবিক শাখার জন্য ৫৩টি আসন রয়েছে।

গতকাল আসা প্রশ্নের সঙ্গে আজকের যেসব প্রশ্নে মিল পাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইংরেজি প্রথম প্রশ্ন ছিল- “হোয়াট ইজ দ্য মিনিং অব দ্য ইডিওম ‘টু ফলো ইয়র নোজ’?”, তৃতীয় প্রশ্ন ছিল- ‘দ্য হাইওয়ে এজেন্সি. . . ব্যাড ওয়েদার…’, অষ্টম প্রশ্ন ছিল- ‘জার্মানি হ্যাজ ওন দ্য ফুটবল ম্যাচ…’. দ্বাদশ প্রশ্ন- ছিল ‘দিস ইজ দ্য স্কুল হুইচ…’ ও বিংশতম প্রশ্ন ছিল- ‘অ্যা পিস অব কেক মিনস’ ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া অসম্ভব।

যদি আমরা ফাঁসের বিষয় জানতে পারি, তবে খোঁজ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করব।’ ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এ এম আমজাদ বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী জালিয়াতির চেষ্টা করেছেন। তাঁদের আটক করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে কি না, তা বলতে পারব না। এমন কোনো অভিযোগ বা তথ্য আমাদের কাছে নেই।’