আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নামাজরত অবস্থায় মা-মেয়ের মুখ বেঁধে জিম্মি করে সর্বস্ব লুটে নিয়ে গেছে ডাকাত দল। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুট করে নেয় ঘরের আলমারিতে থাকা অন্তত ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ নগদ দুই লাখ টাকা।
বাধা দিতে গেলে এ সময় ডাকাত দল গৃহকর্ত্রী তাহেরা বেগম (৫৫) নামে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে আহত করে।
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়ার সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন ভূঁইয়ার বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে গৃহকর্ত্রী তাহেরা বেগমের মেয়ে ইসরাত সুলতানা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানায় লিখিত মামলা দায়ের সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাগরিবের সময় গৃহকত্রী তাহেরা বেগমে ও মেয়ে ইসরাত সুলতানা নামাজ আদায় করছিলেন; সেজদা দেওয়ার মুহূর্তে পেছন থেকে কয়েকজন যুবক কাপড় দিয়ে মা ও মেয়ের চোখ মুখ বেঁধে ফেলে। কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদের দুইজনকে ধারাল অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে ঘরের অন্য একটি রুমে আটকে রেখে আলমারির চাবি দিতে বলে। চাবি দিতে দেরি হওয়ায় মা বৃদ্ধা তাহেরা বেগমকে ধারাল ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। তারা আলমারি ভেঙে ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ দুই লাখ টাকা নিয়ে যায়। ১৫ ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজার মূল্য ৩০ লাখ টাকা। এ সময় ডাকাত দল ঘরের কয়েকটি আলমারির কাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র তছনছ করে ফেলে।
গৃহকর্ত্রী তাহেরা বেগম ও তার মেয়ে মামলার বাদী ইসরাত সুলতানা জানান, বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিক মাগরিব ওয়াক্তের সময় আমি আর আমার আম্মা নামাজে দাঁড়াই, সেজদা দেওয়ার মুহূর্তে কয়েকজন যুবক কাপড় দিয়ে আমাকে ও আমার মায়ের চোখ মুখ বেঁধে ফেলে।
ডাকাতির খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার এসআই মো. ফয়েজ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ভুক্তভোগী পরিবার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















