ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মহাকাশের ছবি তুলতে চিলির পাহাড়ে বসলো দানবীয় ক্যামেরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পৃথিবীর ইতিহাসে তৈরি সবচেয়ে বড় বা বৃহত্তম ডিজিটাল ক্যামেরাটি মহাবিশ্বের অদেখা কোণগুলোর ছবি তুলতে শুরু করেছে। চিলির একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ‘ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরি’ বা পর্যবেক্ষণাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাজাগতিক জরিপ শুরু করেছে।

এই দানবীয় টেলিস্কোপটি আগামী ১০ বছর ধরে রাতের আকাশের গভীর ও নিখুঁত ছবি তুলবে।

প্রতি রাতে এটি শত শত ছবি ধারণ করবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ক্যামেরা দিয়ে আমাদের ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের কোটি কোটি তারা এবং এর বাইরের কোটি কোটি গ্যালাক্সির একটি সঠিক মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব হবে। এটি খুব দ্রুত ছবি তুলতে পারে। একই জায়গার ছবি বারবার তোলার কারণে আগে যেসব আবছা বা অস্পষ্ট বস্তু দেখা যেত না, এখন সেগুলোও পরিষ্কার দেখা যাবে।

পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা ফিল মার্শাল বলেন, সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখন এমনভাবে মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন, যা তারা আগে কখনো পারেননি। এর আগে গত বছর এই ক্যামেরা দিয়ে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরের কিছু রঙিন নেবুলার বা গ্যাসপুঞ্জের ছবি তোলা হয়েছিল। এক আলোকবর্ষ মানে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল।

আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন ও জ্বালানি বিভাগের অর্থায়নে এই পর্যবেক্ষণাগারটি তৈরি হয়েছে। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভেরা রুবিনের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। তিনি প্রথম প্রমাণ করেছিলেন যে মহাবিশ্বে ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা অন্ধকার বস্তু নামের একটি রহস্যময় উপাদান লুকিয়ে আছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ১০ বছরের অভিযানে ডার্ক ম্যাটার এবং ‘ডার্ক এনার্জি’র মতো মহাবিশ্বের বড় বড় রহস্যের সমাধান মিলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মহাকাশের ছবি তুলতে চিলির পাহাড়ে বসলো দানবীয় ক্যামেরা

আপডেট সময় ০৯:৪০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পৃথিবীর ইতিহাসে তৈরি সবচেয়ে বড় বা বৃহত্তম ডিজিটাল ক্যামেরাটি মহাবিশ্বের অদেখা কোণগুলোর ছবি তুলতে শুরু করেছে। চিলির একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ‘ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরি’ বা পর্যবেক্ষণাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাজাগতিক জরিপ শুরু করেছে।

এই দানবীয় টেলিস্কোপটি আগামী ১০ বছর ধরে রাতের আকাশের গভীর ও নিখুঁত ছবি তুলবে।

প্রতি রাতে এটি শত শত ছবি ধারণ করবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ক্যামেরা দিয়ে আমাদের ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের কোটি কোটি তারা এবং এর বাইরের কোটি কোটি গ্যালাক্সির একটি সঠিক মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব হবে। এটি খুব দ্রুত ছবি তুলতে পারে। একই জায়গার ছবি বারবার তোলার কারণে আগে যেসব আবছা বা অস্পষ্ট বস্তু দেখা যেত না, এখন সেগুলোও পরিষ্কার দেখা যাবে।

পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা ফিল মার্শাল বলেন, সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখন এমনভাবে মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন, যা তারা আগে কখনো পারেননি। এর আগে গত বছর এই ক্যামেরা দিয়ে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরের কিছু রঙিন নেবুলার বা গ্যাসপুঞ্জের ছবি তোলা হয়েছিল। এক আলোকবর্ষ মানে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল।

আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন ও জ্বালানি বিভাগের অর্থায়নে এই পর্যবেক্ষণাগারটি তৈরি হয়েছে। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভেরা রুবিনের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। তিনি প্রথম প্রমাণ করেছিলেন যে মহাবিশ্বে ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা অন্ধকার বস্তু নামের একটি রহস্যময় উপাদান লুকিয়ে আছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ১০ বছরের অভিযানে ডার্ক ম্যাটার এবং ‘ডার্ক এনার্জি’র মতো মহাবিশ্বের বড় বড় রহস্যের সমাধান মিলবে।